kalerkantho


উত্তরা ইপিজেডে আরো ১০টি কারখানা হচ্ছে

নীলফামারী প্রতিনিধি   

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



উত্তরাঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে উত্তরা ইপিজেড গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত উত্তরা ইপিজেডে ১২টি কারখানা চালু রয়েছে এবং ১০টি কারখানা বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

এই ইপিজেডে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ১৩০ দশমিক ৬২ মিলিয়ন ইউএস ডলার। ২০১৬ সাল পর্যন্ত উত্তরা ইপিজেডের কারখানাগুলো থেকে উৎপাদিত পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৪৫৭ দশমিক ২৬ মিলিয়ন ডলারের। এখানে কর্মসংস্থান হয়েছে ২২ হাজারের অধিক বাংলাদেশি নাগরিকের। উত্তরা ইপিজেড বহুমুখী পণ্য উৎপাদনে অন্য ইপিজেডের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। এখানে চশমা ও চশমার ফ্রেম, উইগ, খেলনা, বাঁশের তৈরি কফিন, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ব্যাগ, বেল্ট প্রভৃতি পণ্য তৈরি হয়। গতকাল ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিদল উত্তরা ইপিজেড পরিদর্শনে গেলে মহাব্যবস্থাপক তানভীর হোসেন এসব কথা জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদল পরিদর্শনে যায়। এ সময় তারা উত্তরা ইপিজেডের বাণিজ্যবান্ধব পরিবেশ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

ইইউ প্রতিনিধিদলে ছিলেন প্রধান রাষ্ট্রদূত এইচ ই মিস্টার পিয়েরে মায়াদুন, জার্মানির রাষ্ট্রদূত এইচ ই ড. থমাস হেইনরিচ প্রিনজ, নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত এইচ ই মিসেস লিওনি কিউলেনারে, ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত এইচ ই মিস অ্যালিসন ব্লাকে ও ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত এইচ ই মিস্টার মিকালে হেমেনিটি উইনদার।

সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন আর স্বপ্ন নয়, বাস্তব। প্রধানমন্ত্রী দেশের বিভিন্ন এলাকায় ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোন ঘোষণা করেছেন। এগুলোর উন্নয়নকাজ চলছে। ’

পরে প্রতিনিধিদল উত্তরা ইপিজেডের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ব্যাগ ও বেল্ট তৈরির কারখানা ভ্যানচুরা পরিদর্শন করে।


মন্তব্য