kalerkantho


ব্যাংকের বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ পুঁজিবাজারে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



ব্যাংকের বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ পুঁজিবাজারে

বে-মেয়াদি মিউচ্যুয়াল ফান্ডকে ব্যাংকের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ সীমার বাইরে রাখার প্রস্তাব করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গতকাল বুধবার আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সমন্বয় সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে এ প্রস্তাব করে বিএসইসি।

বিএসএইসির এ প্রস্তাব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ ছাড়া ওই সভায় ব্যাংক থেকে তহবিল নিয়ে প্রান্তিক পর্যায়ে এসএমই ও কৃষি খাতে ঋণ বিতরণের সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব করে সমবায় অধিদপ্তর। বাংলাদেশ ব্যাংক এই প্রস্তাব গ্রহণ করলে পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ করার সুযোগ আরো কিছুটা বাড়বে।

গতকাল বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির। সভায় শেয়ারবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি, বীমা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ), ক্ষুদ্রঋণ সংস্থার নিয়ন্ত্রক মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ), সমবায় অধিদপ্তর ও আরজেএসসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

২০১৫ সালে জারি করা এক সার্কুলারে ব্যাংকের ‘বিকল্প বিনিয়োগ তহবিল’ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ হিসাবের বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গতকাল অনুষ্ঠিত সভায় বে-মেয়াদি মিউচ্যুয়াল ফান্ডকে একই সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়। প্রসঙ্গত, যেকোনো মিউচ্যুয়াল ফান্ডের বিনিয়োগ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হয়।

বৈঠক শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ব্যাংকের শাখা নেই এমন প্রান্তিক অঞ্চলে এনজিওর মতো সমবায় সমিতির মাধ্যমে কৃষি ও এসএমই ঋণ বিতরণের সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব এসেছে।

সমবায় অধিদপ্তরের এ প্রস্তাব ভেবে দেখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের বিরুদ্ধে অর্থপাচার, অবৈধ ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বেশ আগে সমন্বয় সভায় সিদ্ধান্ত হয়। সে বিষয়ে অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

এস কে সুর চৌধুরী আরো জানান, বর্তমানে কেবল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক বিবরণীর আলোকে দেশের অর্থ প্রবাহের হিসাব হয়। এখন থেকে আর্থিক লেনদেনকারী অন্য সব সংস্থা থেকেও ষাণ্মাসিক ভিত্তিতে রিপোর্ট নিয়ে এ ধরনের প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হবে। এ জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোকে তাদের অধীন পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে তথ্য সংগ্রহ করে বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠাতে বলা হয়েছে। এ তথ্য দেওয়ার বিষয়ে সবাই একমত পোষণ করেছেন বলে তিনি জানান।


মন্তব্য