kalerkantho


কাজে লাগানোর তাগিদ জনসংখ্যার বোনাসকাল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



বাংলাদেশ কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির প্রবৃদ্ধি অর্জনে ভালো করছে। মাতৃমৃত্যু, শিশু মৃত্যুহার কমিয়ে আনার মতো সামাজিক ও অর্থনৈতিক সূচকেও এগিয়েছে। তবে দেশের জনসংখ্যার যে বোনাসকাল (ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড) চলছে, সেটিকে কাজে লাগাতে পারছে না। কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জনে জনসংখ্যার এই বোনাসকালকে কাজে লাগাতে হবে।

গতকাল বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ঢাকার বিশ্বব্যাংক কার্যালয়ে আয়োজিত ‘উন্নয়নের অগ্রগতি এবং ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ’ শিরোনামের এক কর্মশালায় এ মত দেন বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন। বিশ্বব্যাংক ও ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করে। কর্মশালার উদ্বোধন করেন সংস্থাটির আবাসিক প্রধান চিমিয়াও ফান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংস্থাটির প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক মহাপরিচালক ড. মোস্তফা কে. মুজেরী, ইআরএফের সভাপতি সাইফ ইসলাম দিলাল এবং সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান বক্তব্য দেন। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সূত্র বলেছে, বাংলাদেশে এখন ১৫ থেকে ৫৯ বছর বয়সীর সংখ্যা ছয় কোটির বেশি, যা মোট জনসংখ্যর প্রায় ৪০ শতাংশ।

জাহিদ হোসেন তাঁর প্রবন্ধে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য অন্যতম চ্যালেঞ্জ হলো তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করা।

এর পাশাপাশি বিনিয়োগ বাড়ানো, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং অর্থনীতির বহুমুখীকরণও নিশ্চিত করতে হবে। ঢাকায় নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রধান চিমিয়াও ফান বলেন, প্রতিবছর অসংখ্য তরুণ চাকরির বাজারে ঢুকছে। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত হারে চাকরি পাচ্ছে না। এই তরুণদের জন্য কাজের সংস্থান করতে হলে বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন। তা ছাড়া তৈরি পোশাক খাতে এখনো কর্মসংস্থান বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।


মন্তব্য