kalerkantho


১২৮ পোশাক কারখানার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন

দুই বছরে গার্মেন্ট সংস্কার শেষ করবে অ্যালায়েন্স

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



দুই বছরে গার্মেন্ট সংস্কার শেষ করবে অ্যালায়েন্স

আগামী ২০১৮ সালের মধ্যেই নিজেদের অন্তর্ভুক্ত সব গার্মেন্ট কারখানার সংস্কার কাজ সম্পন্ন করতে চায় ক্রেতাদের সংগঠন অ্যালায়েন্স। এ সময়ের মধ্যে যেসব কারখানা সংস্কার কাজ করতে পারবে না তাদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা হবে এবং সেসব কারখানা থেকে পোশাক ক্রয় করা হবে না।

গতকাল বুধবার রাজধানীর লেকশোর হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান অ্যালায়েন্সের কান্ট্রি ডিরেক্টর ও বাংলাদেশে নিয়োজিত আমেরিকার সাবেক রাষ্ট্রদূত জেমস এফ মরিয়ার্টি। তিনি আরো বলেন, এখনো পর্যন্ত সংস্কার কাজে ব্যর্থ হওয়ায় বাংলাদেশের ১২৮টি কারখানার সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করেছে পোশাকশিল্পের আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের যৌথ সংগঠন অ্যালায়েন্স।

তিনি বলেন, ‘আমরা ২০১৮ সালের মধ্যে সব কারখানায় মেরামত কাজ সম্পন্ন করার চেষ্টা করছি। যেসব কারখানা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মেরামত কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে পারবে না তাদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা হবে। ইতিমধ্যে আমরা ১২৮টি কারখানার সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করেছি। এ নিয়ে কোনো আপস করব না। অন্যদিকে মেয়াদ শেষ হওয়া পর অ্যালায়েন্স কর্তৃক নেওয়া পদক্ষেপগুলো যাতে চলমান থাকে সে বিষয়েও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমরা কারখানার নানা সমস্যার জন্য হেল্প লাইনের ব্যবস্থা করেছিলাম। ইতিমধ্যে এক লাখ ১৬ হাজার কল রিসিভ করেছি।

সুতরাং এ ব্যবস্থা যাতে আমাদের মেয়াদকাল শেষ হলেও চালু থাকে সে বিষয়ে কাজ করা হবে। ’

তিনি জানান, এযাবৎ ৯৪৭টি কারখানার ১ দশমিক ৩ মিলিয়ন শ্রমিককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তা ছাড়া ২৪ হাজার সিকিউরিটি গার্ডকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তবে মূলবৃদ্ধি প্রসঙ্গে অ্যালায়েন্সের কান্ট্রি ডিরেক্টর বলেন, এখন পোশাকশিল্পের বাজারে অনেক প্রতিযোগী রয়েছে। ভারতসহ অন্যান্য দেশ মান বজায় রেখে কাজ করলে বাংলাদেশকেও করতে হবে। তা ছাড়া টিপিপি বাস্তবায়ন না হওয়ায় এ বাজারে বাংলাদেশের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন অ্যালায়েন্সের ডেপুটি ডিরেক্টর পল রিগবি, কাজী ওয়াহিদুল হক ও কামরুন্নেসা বাবলি।

জেমস মরিয়ার্টি আরো জানান, ২০১৩ সালের পর থেকে এখন পর্যন্ত অ্যালায়েন্সভুক্ত কারখানাগুলোর ৬৮ শতাংশ সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ৬০টি কারখানা তাদের সংশোধনী কর্মপরিকল্পনার অধিকাংশ কাজ সম্পন্ন করেছে। তিনি বলেন, সংস্কার হওয়া কারখানার মধ্যে রয়েছে ‘সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’ এবং ‘বেশি অগ্রাধিকার’ মেরামত কাজ।


মন্তব্য