kalerkantho


ভারতের ক্রেতারা সীমান্ত হাটে ইলিশ চায়

বিশ্বজিৎ পাল বাবু, ব্রাহ্মণবাড়িয়া   

৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার সীমান্ত হাটে ইলিশ মাছ চায় ভারত। একই সঙ্গে ‘জিয়ল’ মাছ রাখতেও বাংলাদেশিদের অনুরোধ করা হয়েছে ভারতের পক্ষ থেকে।

এতে ভারতীয় ক্রেতা বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।    

গত রবিবার বাংলাদেশ ও ভারতের প্রতিনিধিদলের হাট পরিদর্শন শেষে এক বৈঠকে এ নিয়ে আলোচনা হয়। ওই বৈঠকে দুই দেশের প্রতিনিধিরা ভারতের পণ্য বেশি বিক্রি ও বাংলাদেশের পণ্য কম বিক্রি হওয়া নিয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশের পক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহনূর রহমান ও ভারতের পক্ষে এসডিম নান্টু রঞ্জন দাস নেতৃত্ব দেন।  

এ প্রসঙ্গে কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসিনা ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ভারতীয় কর্তৃপক্ষ আমাদের বলেছে হাটে বাংলাদেশের ইলিশ ও জিয়ল মাছ বিক্রি করা গেলে তাদের দেশের ক্রেতা বাড়বে। কিন্তু আমি যত দূর জানি ইলিশ মাছ বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। আগে তো নিজের দেশের চাহিদা পূরণ করতে হবে। তবুও সুযোগ হলে আমরা এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব। কেননা ভারতীয়রা বলেছে, এতে তাদের দেশের ক্রেতা বাড়বে।

’ খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই হাটে ভারতের পণ্য বেশি বিক্রি ও বাংলাদেশের পণ্য কম বিক্রি হওয়া নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। কিভাবে এ সমস্যা কাটিয়ে ওঠা যায় সেই লক্ষ্যে বিভিন্ন ধরনের প্রস্তাব আসে। অন্যান্য হাটে বাংলাদেশি মাছ বিক্রি হয়—এমন তথ্য জানিয়ে ভারতের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে বৈঠকে জানানো হয়।

২০১৫ সালের ২ জুন কসবা সীমান্ত হাট চালুর পর থেকে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাস নাগাদ আট কোটি ৬৩ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য বিক্রি হয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশি পণ্য বিক্রি হয়েছে দুই কোটি টাকার কম। বিক্রি হওয়া ভারতীয় পণ্যের মধ্যে রয়েছে প্রসাধনী সামগ্রী, শাড়ি, স্টিলের বাসনপত্র, ফল ইত্যাদি। বাংলাদেশের জামদানি শাড়ি, শুঁটকি, লোহার দা, কুড়াল ইত্যাদি বিক্রি হয় ওই হাটে। ভারতীয় পণ্য বিক্রির জায়গায় নিয়মিতই প্রচুর ভিড় লক্ষ করা যায়। সপ্তাহের প্রতি রবিবার সীমান্ত হাট বসে।


মন্তব্য