kalerkantho


বিজিএমইএর অভিযোগ

নেতিবাচক প্রচারণা ঠেকাতে দূতাবাসগুলো উদ্যোগ নেয় না

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা চললেও আমাদের দূতাবাসগুলো এসব প্রচারণা ঠেকাতে কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করে না—এমন অভিযোগ করেছেন তৈরি পোশাক খাতের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান।

গতকাল বুধবার রাজধানীর বিজিএমইএ ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে বিজিএমএ সভাপতি বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশি গার্মেন্ট নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা প্রসঙ্গে এ দাবি করেন।

বিজিএমইএ ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন টেকনোলজির (বিইউএফটি) উদ্যোগে ফেলোশিপপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের নেদারল্যান্ডস সফর উপলক্ষে ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ‘শুধু বাংলাদেশ নয়, আমাদের কিছু দুর্বলতা আছে। কিন্তু এ বিষয়ে আমাদের প্রতিযোগী দেশগুলো খুবই শক্তিশালী। তারা নেতিবাচক প্রচারণা ঠেকাতে কাজ করে। কিন্তু আমাদের দূতাবাস সেভাবে কাজ করে না। ’ তিন আরো বলেন, দেশে বিপুলসংখ্যক গ্রিন কারখানা গড়ে উঠছে। এ পর্যন্ত ৬৭টি গ্রিন কারখানা হয়েছে। আরো ২২০টি গ্রিন কারখানা ‘পাইপলাইনে’ রয়েছে। এসব কারখানা কাজ শুরু করলে দেশের গার্মেন্ট খাতের চেহারা বদলে যাবে।

বর্তমানে যেসব কারখানা তৈরি হচ্ছে, সেগুলো বিএনবিসি (বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড) ও আন্তর্জাতিক রীতি মেনে হচ্ছে। কমপ্লায়েন্সের (কর্মপরিবেশ) ক্ষেত্রে কোনো আপস করা হচ্ছে না।

এ সময় আশুলিয়ায় সাম্প্রতিক শ্রম অসন্তোষ এবং এর জেরে শ্রমিকদের চাকরিচ্যুতি ও গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গও উঠে আসে। বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ‘শ্রমিকরা দিনের পর দিন কারখানায় কাজ বন্ধ রেখেছে। তাদের গ্রেপ্তার করার পর এখন সে উত্তর তারা দেবে। আমাদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণা হচ্ছে। অথচ বিশ্বের শক্তিশালী একটি দেশে হাতকড়া পরা অবস্থায় গুলি করে হত্যা করার পরও কোনো কথা হয়নি। ’

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বিজিএমইএর সহসভাপতি ফারুক হাসান, মোহাম্মদ নাসির ছাড়াও সিনিয়র সাংবাদিক ও ফেলোশিপের বিচারক মনজুরুল আহসান বুলবুল, শ্যামল দত্ত ও সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা উপস্থিত ছিলেন।

ফেলোশিপপ্রাপ্ত ছয় সাংবাদিক হলেন এ টি এন বাংলার রিপোর্টার শরিফুল আলম, যুগান্তরের মিজান চৌধুরী, ইত্তেফাকের রিয়াদ হোসেন, ঢাকা ট্রিবিউনের ইব্রাহিম হোসেন অভি, ভয়েস অব আমেরিকার নাসরিন হুদা বিথী ও দীপ্ত টিভির মেহেদী হাসান আলবাকার।


মন্তব্য