kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


পাটপণ্য রপ্তানিতে ভারতের অ্যান্টি ডাম্পিং ডিউটি আরোপে উদ্বেগ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২১ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



বাংলাদেশের পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানিতে ভারতের অ্যান্টি ডাম্পিং ডিউটি আরোপের সিদ্ধান্তে উদ্বেগ জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (ডিসিসিআই)। সংগঠনটির মতে, এর ফলে দেশের পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে, পাটপণ্য উৎপাদনকারী ও রপ্তানিকারকরা নানা সংকটের মুখোমুখি হবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ উদ্বেগের কথা জানায় ডিসিসিআই।

এতে আরো বলা হয়, ভারতের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব অ্যান্টি ডাম্পিং অ্যান্ড অ্যালাইড ডিউটিজ (ডিজিএডি) কর্তৃপক্ষের সুপারিশের আলোকে বাংলাদেশ থেকে পাট ও পাটজাত পণ্য ভারতে রপ্তানির ক্ষেত্রে ভারত সরকার অ্যান্টি ডাম্পিং শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ভারতের জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশন ও স্থানীয় উদ্যোক্তারা তাদের বাজার সুরক্ষায় বাংলাদেশের পাটপণ্য রপ্তানির ওপর অ্যান্টি ডাম্পিং শুল্ক আরোপের দাবি জানিয়ে আসছে।   

বাংলাদেশ বর্তমানে (দক্ষিণ এশীয় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি) সাফটার আওতায় ভারতে শূন্য শুল্কে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি করে। অ্যান্টি ডাম্পিং কর্তৃপক্ষ ভারতের স্থানীয় বাজার ও ব্যবসায়ীদের সুরক্ষার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও নেপাল থেকে পাট ও পাটপণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ২৫-৩০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করে।

সংগঠনটি মনে করে, বাংলাদেশ যখন ভারতের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য উন্নয়নে কাজ করছে, সে সময় এ ধরনের সিদ্ধান্ত দুই দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণের ধারা ব্যাহত করবে। বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, ট্যারিফ কমিশন এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সরকারি দপ্তরকে অ্যান্টি ডাম্পিং শুল্ক আরোপ প্রক্রিয়ার কৌশলগত দিকগুলো পর্যালোচনার জন্য এবং এ বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করার জন্য ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার আহ্বান জানানো হয়।


মন্তব্য