kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মাছ রপ্তানি বেড়েছে

প্রথম প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি ৯২ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



প্রথম প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি ৯২ শতাংশ

চলতি অর্থবছরের রপ্তানি আয়ের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানি করে দেশের আয় হয়েছে ১৩ কোটি ৬৭ লাখ ডলার। আর এ সময় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৯২ শতাংশ।

এর মধ্যে শুধু চিংড়ি রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১২ কোটি ৪২ লাখ ৯০ হাজার ইউএস ডলার, যা মোট মাছ রপ্তানির ৮৫ শতাংশ।

বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সেপ্টেম্বর মাসে প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এতে আরো জানানো হয়েছে, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫৩ কোটি ৫৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এই খাতের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৪ কোটি ১০ লাখ ডলার।

চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে মত্স্য রপ্তানিতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৩ কোটি আট লাখ ১০ হাজার ডলার। এর বিপরীতে এ সময়ে আয় হয়েছে ১৩ কোটি ৬৭ লাখ ২০ হাজার ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪.৫২ শতাংশ বেশি। একই সঙ্গে গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের তুলনায় এবার এ খাতের বৈদেশিক মুদ্রার আয় ১৩.৮৭ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর মেয়াদে হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১২ কোটি ৭০ হাজার ডলার।

২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে জীবিত মাছ রপ্তানিতে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৪ লাখ ২০ হাজার ডলার। এর বিপরীতে আয় হয়েছে চার লাখ ৮০ হাজার ডলার, যা এই সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৮০.১৭ শতাংশ কম। তবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ খাতের আয় ৯২ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিতে এ খাতে আয় হয়েছিল দুই লাখ ৫০ হাজার ডলার।

২০১৫-১৬ অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর মেয়াদে হিমায়িত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৬৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে এ খাতের পণ্য রপ্তানিতে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল এক কোটি ১৬ লাখ ১০ হাজার ডলার। এর বিপরীতে আয় হয়েছে ৭০ লাখ ১০ হাজার ডলার। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩৯.৬২ শতাংশ কম বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে এ খাতে। তবে আগের অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের তুলনায় এবার এ খাতের আয় ১.০১ শতাংশ বেড়েছে।

চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে চিংড়ি রপ্তানিতে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১০ কোটি ৮৮ লাখ ডলার। এর বিপরীতে আয় হয়েছে ১২ কোটি ৪২ লাখ ৯০ হাজার ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৪.২৪ শতাংশ এবং গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩.৯৫ শতাংশ বেশি।

২০১৫-১৬ অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর মেয়াদে চিংড়ি রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১০ কোটি ৯০ লাখ ৭০ হাজার ডলার।

২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে কাঁকড়া রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৩১ লাখ ৬০ হাজার ডলার, যা এ সময়ের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৪৭.৬৮ শতাংশ কম। তবে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এ খাতের আয় ৬২.০৫ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে প্রথম প্রান্তিকে কাঁকড়া রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার।


মন্তব্য