kalerkantho


রাজস্ব সংলাপ ও কর্মশালা

‘রাজস্বনীতিতে রংপুরকে গুরুত্ব দেওয়া হবে’

রংপুর অফিস   

৭ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



‘আগামীতে যে রাজস্বনীতি তৈরি করব সেখানে অবশ্যই রংপুর বিভাগের জন্য আলাদা কিছু থাকবে। এ ছাড়া ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের কর ও ভ্যাটসংক্রান্ত সমস্যা নিরূপণে ও রংপুর বিভাগে বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে রংপুর চেম্বারের প্রস্তাবনাগুলো বিবেচনা করা হবে।

গতকাল রংপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির আয়োজনে এক রাজস্ব সংলাপ ও প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান এসব কথা বলেন।  

চেম্বার ভবনের আরসিসিআই অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় নজিবুর রহমান আরো বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর রূপকল্প ২০২১ ও রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নের জন্য এনবিআর দেশে একটি ব্যবসা, শিল্প ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির অব্যাহত প্রয়াস চালাচ্ছে। এই সংলাপ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আপনাদের অঞ্চলের যে সমস্যা ও সম্ভাবনা তুলে ধরলেন তা আগামীতে উন্নয়ন পরিকল্পনায় সন্নিবেশিত হবে এবং এর ভিত্তিতে রংপুর বিভাগের উন্নয়ন নিয়ে একটি মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। ’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন এনবিআর সদস্য (শুল্কনীতি) ফরিদ উদ্দিন, রংপুর বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার কাজী হাসান আহমেদ, এনবিআর সদস্য (আয়করনীতি) পারভেজ ইকবাল, সদস্য (মূসকনীতি) ব্যারিস্টার জাহাঙ্গীর হোসেন, বাংলাদেশ পুলিশ রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক, ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল, সেক্টর কমান্ডার (বিজিবি) উত্তর-পশ্চিম রিজিয়ন, রংপুর, কর্নেল মোয়াজ্জেম হোসেন ও বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন আহমেদ।

রংপুর চেম্বার সভাপতি আবুল কাসেমের সভাপতিত্বে সংলাপে ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের কর ও ভ্যাটসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আরো বক্তব্য দেন সনিক প্রাইম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আক্কাছ আলী সরকার, রংপুর চেম্বারের সাবেক জুনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট গোলাম মর্তুজা হানিফ প্রমুখ।

চেম্বার ও ব্যবসায়ী নেতারা গ্যাস, জ্বালানি ও অবকাঠামোগত সুবিধা না থাকায় অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া রংপুর বিভাগে সহনীয় পর্যায়ে কর ও ভ্যাট আদায়ের ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তাঁরা বলেন, রংপুর বিভাগে রয়েছে কৃষিপণ্যের সহজলভ্যতা, স্বল্পমূল্যে জমি ও সস্তা শ্রমের বিশাল বাজার। তাই রংপুর বিভাগের জন্য আলাদা কর ও ভ্যাটনীতি প্রণয়ন করা হলে এ অঞ্চলে দেশি-বিদেশি শিল্পোদ্যোক্তারা বিনিয়োগে আকৃষ্ট হবে।

এ ছাড়া রংপুর বিভাগে প্যাকেজ ভ্যাটহার দেশের অন্যান্য বিভাগের চেয়ে সহনীয় করার পাশাপাশি আলু ও পাট চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যে আলু রপ্তানিতে ২০ শতাংশ ও পাটশিল্পের জন্য ১০ শতাংশ হারে ইনসেনটিভ ধার্য করার অনুরোধ জানান ব্যবসায়ীরা।


মন্তব্য