kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


কোরবানির প্রভাবে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



কোরবানির ঈদের প্রভাব পড়েছে সার্বিক মূল্যস্ফীতির ওপর। বেড়েছে খাদ্যপণ্যের দাম।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। মূল্যস্ফীতির তথ্য গতকাল সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

এনইসি সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সেপ্টেম্বরে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে (মাসওয়ারি) সার্বিক  মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা বেড়েছে। এ সময় সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে ৫ দশমিক ৫৩ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। আগস্ট মাসে যা ছিল ৫ দশমিক ৩৭ শতাংশ।  তিনি বলেন, এ সময় বেড়েছে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হারও। তবে কিছুটা কমেছে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি। কোরবানির ঈদের কারণে মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে বলে জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, সরকারের পদক্ষেপের কারণে মূল্যসস্ফীতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। চলতি অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রার নিচে থাকবে মূল্যস্ফীতি।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, খাদ্যপণ্যে আগস্টের চেয়ে সেপ্টেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি হার বেশি। মাছ, মাংস, ব্রয়লার মুরগি, শাকসবজি, ফল, মসলা, দুধজাতীয় ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রীর মূল্য বাড়ায় এ  হার বেশি হয়েছে। এ জন্য গত মাসে খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে হয়েছে ৫ দশমিক ১০ শতাংশ, যা আগস্টে ছিল ৪ দশমিক ৩০ শতাংশ। তবে খাদ্যবহির্ভূত খাতে আগস্টে মূল্যস্ফীতি ছিল ৭ শতাংশ, যা সেপ্টেম্বরে কমে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ১৯ শতাংশ।

সেপ্টেম্বরে গ্রামে সাধারণ মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ, আগের মাস আগস্টে তা ছিল ৪ দশমিক ৪১ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৪ দশমিক ২৭ শতাংশ, যা আগস্টে ছিল ৩ দশমিক  ৪০ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৫ দশমিক ৩১ শতাংশ, যা আগস্টে ছিল ৬ দশমিক ২৮ শতাংশ।

এডিপি বাস্তবায়ন ৮.৭৪ শতাংশ: পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছে ৮.৭৪ শতাংশ। এ সময়ে এডিপিতে মোট টাকা খরচ হয়েছে ১০ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে এডিপি বাস্তবায়িত হয়েছে ৭ শতাংশ।


মন্তব্য