kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


কৃষিপণ্য সংরক্ষণে এফএওর সহায়তা চান বাণিজ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



বিশ্বে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ কৃষি ও খাদ্যপণ্য উৎপাদন হলেও সংরক্ষণের অভাবে এর বড় অংশই নষ্ট হচ্ছে। একই চিত্র বাংলাদেশসহ অন্য স্বল্পোন্নত দেশগুলোতেও।

এ অবস্থায় কৃষিপণ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এফএওর সহায়তা চেয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

গতকাল ইতালির রোমে এফএওর সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ‘দীর্ঘ মেয়াদে ভোগ্যপণ্যের মূল্য নির্দেশক এবং টেকইস কৃষি উন্নয়ন’ বিষয়ক মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের সেশন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তোফায়েল আহমেদ এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে এফএওর মহাপরিচালক জোসে গ্রাজিয়ানো ডি সিলভাও বক্তব্য দেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণই নয়, চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত খাদ্য উৎপাদন হচ্ছে। বাংলাদেশ এখন খাদ্য রপ্তানিও করছে। কিন্তু কৃষির আধুনিকায়ন, মাটির গুণাগুণ পরীক্ষা ও গবেষণা, উৎপাদিত কৃষিপণ্য যথাযথ সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ জরুরি। উপযুক্ত সংরক্ষণ ও  প্রক্রিয়াজাতকরণের অভাবে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ কৃষিপণ্য নষ্ট হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে এফএও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ ধরনের সহযোগিতা অন্য স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্যও প্রয়োজন।

২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে উল্লেখ করে তোফায়েল আহমেদ আরো বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়াবে ৬০ বিলিয়ন ডলার। ওই সময় শুধু তৈরি পোশাক রপ্তানি করেই আয় হবে ৫০ বিলিয়ন ডলার। এ জন্য বিদেশি ক্রেতাদের পোশাকের উপযুক্ত দর দিতে আহ্বান জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, তৈরি পোশাক কারখানাগুলো কমপ্লায়েন্স করা হয়েছে। এতে বিপুল পরিমাণ টাকা বিনিয়োগ করতে হয়েছে। কিন্তু তৈরি পোশাকের মূল্য বাড়েনি। শ্রম ও পণ্যের উপযুক্ত মূল্য নিশ্চিত না হলে ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা উৎসাহ হারিয়ে ফেলতে পারে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে পণ্যের উপযুক্ত মূল্য নিশ্চিত হওয়া জরুরি।


মন্তব্য