kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


এক হাজার কোটি ডলার গোপন সম্পদের তথ্য দিল ভারতীয়রা

বাণিজ্য ডেস্ক   

৩ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



এক হাজার কোটি ডলার গোপন সম্পদের তথ্য দিল ভারতীয়রা

কর ফাঁকি রোধে ভারত সরকারের প্রাথমিক প্রচেষ্টায় সাফল্য পাওয়া গেছে। সাময়িক ক্ষমার আওতায় কর ফাঁকিবাজদের গোপন সম্পদ প্রকাশের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল চার মাস।

আর এতেই ভালো সাড়া পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত এক হাজার কোটি ডলার গোপন সম্পদের হিসাব দিয়েছে ভারতীয়রা। যা এত দিন কর ফাঁকি দিয়ে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।

দেশটির অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি জানান, কর ফাঁকি দিয়ে সম্পদ গোপন রাখার তথ্য প্রকাশে চার মাস সময় দেওয়া হয়েছিল সাধারণ ক্ষমার আওতায়। সেই সময় শেষ হয়েছে গত শুক্রবার। এ সময় পর্যন্ত ৬৪ হাজার ২৭৫ জন ভারতীয় তাদের কর ফাঁকি দেওয়া সম্পদের তথ্য প্রকাশ করেছে। যার পরিমাণ ৬৫২.৫ বিলিয়ন রুপি (৯.৮ বিলিয়ন ডলার)। এ থেকে ৪০ শতাংশ কর দিয়ে মালিক তার অর্থ বিনিয়োগ করতে পারবে। রয়টার্সের হিসাব অনুযায়ী এ অর্থ থেকে সরকার ৪.৪১ বিলিয়ন ডলার পাবে।

গতকাল শনিবার নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের অরুণ জেটলি বলেন, সাময়িক ক্ষমার আওতায় বিপুল সংখ্যক মানুষ তাদের গোপন সম্পদের তথ্য প্রকাশ করেছে। এতে প্রমাণ হয় অনেক বেশি মানুষ কর দিতে আগ্রহী।

বর্তমানে ভারতের ১২০ কোটি মানুষের মধ্যে প্রায় ২.৫ শতাংশ মানুষ তাদের কর রিটার্ন দাখিল করে। এ সংখ্যা কম হওয়ার কারণ হিসেবে মনে করা হয়, অনেক খাতে বেতনের অর্থ নগদ দেওয়া হয়। ফলে কর্মীদের কোনো ব্যাংকিং হিসাবে যেতে হয় না। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই কর ফাঁকিবাজদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কর ফাঁকি রোধে নরেন্দ্র মোদি সরকার এ বছর বেশ কিছু নতুন নিয়ম করে, এর মধ্যে রয়েছে কোনো ব্যক্তি দুই লাখ রুপির বেশি দামে কোনো পণ্য ক্রয় করলে তাকে কর প্রদান নম্বর দেখাতে হবে।

মোদি বলেন, যারা সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সে পদক্ষেপের অংশ হিসেবেই সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সাধারণ ক্ষমার আওতায় গোপন সম্পদ প্রকাশ করলে এর জন্য কাউকে হয়রানি করা হবে না কিংবা তার সম্পদের উৎস জানতে চাওয়া হবে না। রয়টার্স, এএফপি।


মন্তব্য