kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মোবাইল ব্যাংকিংয়ে চার্জ কমানোর দাবি

বাণিজ্য ডেস্ক   

২ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সেবার আওতায় আনতে দেশে মোবাইল ব্যাংকিং শুরু হলেও বিশাল সার্ভিজ চার্জ দিয়ে তারা কতটুকু লাভবান হচ্ছে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। গতকাল ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সার্ভিস চার্জ কমানো, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও আলাদা মোবাইল ব্যাংকিং কমিশন গঠনের দাবিতে এক মানববন্ধনে বক্তারা এ মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, মোবাইলে দৈনিক লেনদেন হচ্ছে প্রায় ৬০৫ কোটি টাকা। আর এ থেকে কম্পানির নির্ধারিত রেট অনুযায়ী কমিশন আসে ১১ কোটি ৯২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। যা মাসে দাঁড়ায় ৩৫৭ কোটি পাঁচ লাখ টাকা। বছরে আসে চার হাজার ২৯৩ কোটি টাকা। আর রিটেইলাররা এরপরে অতিরিক্ত আদায় করে থাকে ১২০ কোটি টাকা, যা প্রকাশ্যে ডাকাতি ছাড়া আর কিছুই নয়। আবার সেন্ড মানি বাবদও কাটা হচ্ছে কোটি কোটি টাকা। যদি এ লেনদেন শুধু সেন্ড মানির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকত তাহলে গ্রাহক এ থেকে উপকৃত হতো।

অন্য বক্তারা বলেন, দবিকাশের মাধ্যমে যেহেতু লেনদেন বেশি হয়, তাই আমরা এর কমিশনের দিকে তাকালে দেখতে পাই কম্পানি কমিশন কেটে নেয় ১.৮৫ শতাংশ, আবার বেশির ভাগ রিটেইলার নেয় ২ শতাংশ করে। দেখা যায় যে যদি একজন গ্রাহক মোবাইল টু মোবাইল ক্যাশ আউট করে তাহলে তার কাছে থেকে ১০ হাজার টাকার লেনদেনের জন্য কমিশন গুনতে হয় ২০০ টাকা। আর ৫০ হাজার টাকার লেনদেন করলে ব্যয় করতে হয় প্রায়  এক হাজার টাকা। ’

বক্তারা অবিলম্বে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সার্ভিস চার্জ কমানো, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও আলাদা মোবাইল ব্যাংকিং কমিশন গঠন করে এ খাতকে জনবান্ধব ও সেবামূলক খাতে পরিণত করার দাবি জানান। যত্রতত্রভাবে এজেন্ট নিয়োগ করার ফলে এর নিরাপত্তাব্যবস্থা হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে এবং গ্রাহকরা প্রতিনিয়তই এসব এজেন্টের মাধ্যমে প্রতারিত হচ্ছে। তাই মোবাইল ব্যাংকিং সেবার জন্য একটি আলাদা কমিশন গঠন করে এ খাতকে জবাবদিহির আওতায় আনার তাগিদ দেন তাঁরা।


মন্তব্য