kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


স্মার্টফোন ক্যামেরায় অত্যাধুনিক প্রযুক্তি

গবেষণা ও উদ্ভাবন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করল হুয়াওয়ে ও লাইকা

বাণিজ্য ডেস্ক   

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



গবেষণা ও উদ্ভাবন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করল হুয়াওয়ে ও লাইকা

কৌশলগত অংশীদারত্বের অংশ হিসেবে জার্মানির লাইকা ক্যামেরা এজির সঙ্গে মিলে গবেষণা ও উদ্ভাবন সেন্টার প্রতিষ্ঠা করল হুয়াওয়ে। সেন্টারটি পরিচালনায় হুয়াওয়ে ও লাইকা ক্যামেরা এজি মিলিতভাবে কাজ করবে।

মূলত মোবাইল ডিভাইসে ছবির মান, ক্যামেরার অপটিক্যাল সিস্টেম ও সফটওয়্যারসংক্রান্ত প্রযুক্তি নিয়ে কৌশলগত কাজের উদ্দেশ্যেই এই ল্যাব প্রতিষ্ঠা করেছে প্রতিষ্ঠান দুটি। এ ছাড়া কম্পিউটেশনাল ইমেজিং, অগম্যান্টেড রিয়ালিটি (এআর) এবং ভার্চুয়াল রিয়ালিটি (ভিআর) নিয়ে কাজ করবে ‘ম্যাক্স ব্যারেক ইনোভেশন ল্যাব’।

সেন্টারটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে জার্মানির ওয়েট্জলার শহরে অবস্থিত লাইকা ক্যামেরা এজির বৈশ্বিক সদর দপ্তরে। মাইক্রোস্কপির পথিকৃৎ ও প্রথম লাইকা লেন্সের উদ্ভাবক জার্মানির ম্যাক্স ব্যারেকের (১৮৮৬-১৯৪৯) নামানুসারে ‘ম্যাক্স ব্যারেক ইনোভেশন ল্যাব’-এর নামকরণ করা হয়েছে।

হুয়াওয়ে ও লাইকার গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্রগুলো আরো বেশি তথ্যসমৃদ্ধ করতে জার্মানিসহ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণা সংস্থাগুলোর সঙ্গে মিলে কাজ করবে।

উন্নত ক্যামেরা প্রযুক্তির পুরস্কারপ্রাপ্ত ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন হুয়াওয়ে পি নাইন বিশ্বব্যাপী ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাওয়ার পাঁচ মাস পর মোবাইল ফটোগ্রাফিকে অভিনব উচ্চতায় নেওয়ার লক্ষ্যেই ‘ম্যাক্স ব্যারেক ইনোভেশন ল্যাব’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

হুয়াওয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেন ঝেংফে এবং লাইকা ক্যামেরা এজির উপদেষ্টা পর্ষদের চেয়ারম্যান ড. অ্যান্ড্রিয়াস কফম্যানের দূরদর্শিতার ফলাফল হচ্ছে এই ল্যাব প্রতিষ্ঠা।

হুয়াওয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেন ঝেংফে বলেন, “ইমেজ ও ভিডিও ক্যাপচারের মান আরো উন্নত করতে হুয়াওয়ে ও লাইকা ক্যামেরা এজি আগের চেয়ে অনেক বেশি নিবিড় পর্যবেক্ষণের সঙ্গে কাজ করতে পারবে ‘ম্যাক্স ব্যারেক ইনোভেশন ল্যাব’-এ। ফলাফল হিসেবে ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী আমরা স্মার্টফোনের ক্যামেরায় অত্যাধুনিক প্রযুক্তির উদ্ভাবন সফলভাবে করতে সক্ষম হব। ”

লাইকা ক্যামেরা এজির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা ও ‘ম্যাক্স ব্যারেক ইনোভেশন ল্যাব’-এর পরিচালক মার্কাস লিমবার্গার বলেন, ‘হুয়াওয়ে ও লাইকার মিলিত হয়ে কাজ করার ফলে শুধু শক্তিশালী ও অভিনব উদ্ভাবনই হবে না বরং উচ্চতর মান বজায় রাখার ব্যাপারে আরো দৃঢ়তার সঙ্গে কাজ করা সম্ভব হবে। ইনোভেশন ল্যাবে দুটি প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞ জনশক্তি মিলে স্মার্টফোন খাতের নতুন দাঁড় উন্মোচন করবে বলে আমার বিশ্বাস। ’


মন্তব্য