kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি ৯ বিলিয়ন ডলার

নতুন পণ্য রপ্তানি করে ঘাটতি কমানোর পরামর্শ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশের মতো উদীয়মান অর্থনীতিরি দেশের জন্য বেমানান। এই বাণিজ্য ঘাটতি কামানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশি পণ্য বহুমুখীকরণ ও চীনে রপ্তানি বৃদ্ধি করা দরকার।

ডিসিসিআইয়ের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হুমায়ুন রশিদ গতকাল এক কর্মশালায় এসব কথা বলেন।

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এবং ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড সেন্টার (আইটিসি) যৌথভাবে আয়োজিত ‘চীনে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির কৌশল’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গতকাল ডিসিসিআইতে অনুষ্ঠিত হয়। ডিসিসিআই ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হুমায়ুন রশিদ প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করেন।

হুমায়ুন রশিদ বলেন, বিশ্বের দ্রুত বর্ধমান ভোক্তাবাজারগুলোর মধ্যে চীন অন্যতম। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২০ সালের মধ্যে চীনের ভোক্তা বাজারের আর্থিক পরিমাণ ২.০৩ ট্রিলিয়ন থেকে ৬.১৮ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে। তিনি বলেন, চীনের খুচরা বাজার প্রতিবছর ১২ শতাংশ হারে বর্ধিত হচ্ছে। এ বাজারে বাংলাদেশের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য এবং পাট ও পাটজাত পণ্যের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা টেক্সটাইল, তৈরি পোশাক, কাঠ ও কাঠ থেকে উৎপাদিত পণ্য প্রভৃতি চীনের বাজারে রপ্তানি করতে পারে।

এই প্রশিক্ষণ কোর্সের মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের এসএমই উদ্যোক্তাদের চীনের বাজারে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য ও নো-হাউ অর্জন, চীনের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশ ও রপ্তানি সম্প্রসারণে ভোক্তা শ্রেণি নির্বাচন এবং বাস্তবভিত্তিক আবশ্যকীয় তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া বিষয়ে ধারণা প্রদান করা। আইটিসির বিজনেস অ্যান্ড ইনস্টিটিউশন্যাল ডিভিশনের বিশেষজ্ঞ গুলতেকিন ওজালটিনোরদো এবং ইন্টারন্যাশনাল এক্সপার্ট (চীন) লিন লো কর্মশালায় প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। চামড়া, পাদুকা, পাট ও পোশাক রপ্তানিকারক বাংলাদেশের ১৫টি প্রতিষ্ঠানের ৩০ জন প্রতিনিধি কর্মশালায় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। ডিসিসিআই সহসভাপতি খ. আতিক-ই-রাব্বানী, এফসিএ, পরিচালক এ কে ডি খায়ের মোহাম্মদ খান, মহাসচিব এ এইচ এম রেজাউল কবির কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।


মন্তব্য