kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


এইচবিআরআইয়ের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর

পরিবেশবান্ধব গ্রিন ব্রিকস তৈরি করবে বিডিজি-মাগুরা গ্রুপ

বাণিজ্য ডেস্ক   

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



পরিবেশবান্ধব গ্রিন ব্রিকস তৈরি করবে বিডিজি-মাগুরা গ্রুপ

পরিবেশবান্ধব গ্রিন ব্রিকস তৈরি করবে বিডিজি-মাগুরা গ্রুপ। এই লক্ষ্যে গত শনিবার রাজধানীর দারুস সালামে এইচবিআরআইয়ের কনফারেন্স রুমে হউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এইচবিআরআই) ও বিডিজি-মাগুরা গ্রুপের গ্রিন ব্রিকস অ্যান্ড ব্লকস ইন্ডাস্ট্রিজের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর হয়। এইচবিআরআইয়ের পক্ষে পরিচালক মোহাম্মদ আবু সাদেক এবং বিডিজি-মাগুরা গ্রুপের গ্রিন ব্রিকস অ্যান্ড ব্লকস ইন্ডাস্ট্রিজের পক্ষে চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন চুক্তিতে সই করেন।

বিডিজি-মাগুরা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন বলেছেন, ‘রেড ব্রিকসের ক্ষতিকর দিক বিবেচনা করে সারা দেশে পরিবেশবান্ধব গ্রিন ব্রিকস ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি আমরা। কৃষি মাটির বিকল্প নদীগর্ভ থেকে উত্তোলিত বালু দিয়ে তৈরি হবে পরিবেশবান্ধব, টেকসই ও সাশ্রয় মূল্যের গ্রিন ব্রিকস।

হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এইচবিআরআই) বিডিজি-মাগুরা গ্রুপের গ্রিন ব্রিকস অ্যান্ড ব্লকস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন এ কথা বলেন। গত শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর দারুস সালামে এইচবিআরআইয়ের কনফারেন্স রুমে এই চুক্তি অনুষ্ঠান হয়। মাটির বিকল্প উপকরণ ব্যবহার করে পরিবেশবান্ধব ইট তৈরির প্রথম উদ্যোক্তা হিসেবে সরকারের সঙ্গে বিডিজি-মাগুরা গ্রুপের গ্রিন ব্রিকস অ্যান্ড ব্লকস ইন্ডাস্ট্রিজের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি হয়। এইচবিআরআইয়ের পক্ষে পরিচালক মোহাম্মদ আবু সাদেক এবং বিডিজি-মাগুরা গ্রুপের গ্রিন ব্রিকস অ্যান্ড ব্লকস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পক্ষে চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন চুক্তিতে সই করেন।

মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন বলেন, ‘বর্তমানে দিন পরিবর্তনের সময় অতিবাহিত করছি আমরা। সর্বত্র চলছে উন্নয়ন। প্রধানমন্ত্রী ২০২১ ও ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নয়নের যে নির্দেশনা দিয়েছেন সেই লক্ষ্যে বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চলছে। বিডিজি উন্নয়ন ও নতুন নতুন কর্মক্ষেত্র সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করে আসছে। এই প্রতিষ্ঠান কেবল মুনাফা অর্জন নয়, জনকল্যাণ ও উন্নয়নমূলক প্রকল্পকে বেশি গুরুত্ব দেয়। সেই উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় গ্রিন ব্রিকস আমাদের অন্যতম প্রকল্প। ’

হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরিচালক মোহাম্মদ আবু সাদেক বলেন, এককভাবে সরকার কিংবা ব্যক্তি প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন ঘটাতে পারে না। উন্নয়নের জন্য সরকার ও ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, ‘ইটের কাঁচামাল হিসেবে কৃষিজমির উপরিভাগের মাটি ব্যবহার করা হয়। ফলে আমাদের দেশে প্রচুর কৃষিজমির ক্ষতি হয় এবং জমির উর্বরাশক্তি কমে যায়। এই মাটি দিয়ে ইট তৈরি করতে পোড়ানো হয় প্রচুর পরিমাণ জ্বালানি। ফলে খাদ্য নিরাপত্তা যেমন কমছে তেমনি ক্ষতি হচ্ছে পরিবেশের। তাই সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুযায়ী ইট তৈরিতে কৃষিজমি থেকে মাটির ব্যবহার ২০২০ সালের মধ্যে শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। ’ তিনি বলেন, বিডিজি-মাগুরা গ্রুপ সর্বপ্রথম গ্রিন ব্রিকস প্রকল্প গ্রহণ করায় এই সেক্টরে অনন্য হয়ে থাকবে প্রতিষ্ঠানটি। নদী খনন থেকে উঠে আসা বালুর সঙ্গে কিছু উপকরণ ব্যবহার করে উন্নতমানের গ্রিন ব্রিকস তৈরি হয়, যা দিয়ে উঁচু ভবনও নির্মাণ করা যাবে। এর ফলে দেয়াল, ছাদসহ বিভিন্ন অংশ তৈরিতে আর ক্ষতিকারক লাল ইটের প্রয়োজন হবে না।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে এইচবিআরআইয়ের প্রকৌশলী এম এ ওয়াহেদ, প্রকৌশলী আবদুস সালাম, গ্রিন ব্রিকস অ্যান্ড ব্লকস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফায়াজ এম জেড রহমান, বিডিজি-মাগুরা গ্রুপের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) প্রকৌশলী এনায়েত আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


মন্তব্য