kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


চোরাই সিগারেটের দখলে সিলেটের বাজার

সিলেট অফিস   

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



চোরাই পথে আসা বিদেশি সিগারেটে ছেয়ে গেছে সিলেটের বাজার। দামি ও কম দামের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি সিগারেট বিক্রি হচ্ছে সিলেটে।

শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আসা এসব সিগারেটের কারণে সরকার বিপুল পরিমাণে রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি ধূমপান নিয়ন্ত্রণে সরকারি উদ্যোগ ব্যাহত হচ্ছে।

সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অবৈধ পথে আসা বিদেশি সিগারেট খোলা বাজারে নির্বিঘ্নে বিক্রি হচ্ছে। ফলে ভোক্তারাও সহজেই হাতের নাগালে পাচ্ছে এসব সিগারেট। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, দক্ষিণ কোরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, চীন, মিয়ানমার এবং সম্প্রতি ভারতীয় সিগারেট বিপুল পরিমাণে অবৈধভাবে আসছে। এর মধ্যে দামি সিগারেটগুলো সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন বিমানবন্দর হয়ে আসে। পাশাপাশি বিমানবন্দরের ডিউটি ফ্রি শপ থেকেও অবৈধ পন্থায় আনা হচ্ছে দামি সিগারেট। অন্যদিকে কম দামের সিগারেট বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পথে বাজারে আসে।

স্থানীয় পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা জানিয়েছেন, দেশীয় সিগারেটের ওপর কর বাড়ানোর সুযোগে বিদেশি সিগারেট বাজার দখল করে নিচ্ছে। তা ছাড়া দেশি সিগারেটের তুলনায় অবৈধ পথে আসা বিদেশি সিগারেটের দাম কম হওয়ায় ভোক্তারা এসব সিগারেটের দিকে সহজেই ঝুঁকছে।

অবৈধ পথে বিদেশ থেকে আসা সিগারেটের মধ্যে রয়েছে বেনসন অ্যান্ড হেজেস, ডানহিল, মার্লবোরোর মতো নামিদামি ব্র্যান্ডের সিগারেটের পাশাপাশি ইজি, ইজিলাইট, ব্ল্যাক, জাভা ব্ল্যাক, দক্ষিণ কোরিয়ার কেটি অ্যান্ড জে নামের সিগারেট আসছে ব্যাপক হারে। জানা গেছে, দেশের সিগারেট বাজারের ৮০ শতাংশ নিম্নমানের সিগারেটের দখলে। যার বড় অংশ আসে পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমার থেকে। এ ছাড়া চীন ও ভারত থেকেও আসে স্বল্পমূল্যের সিগারেট।


মন্তব্য