kalerkantho


‘ঘোষিত শিল্পনীতি টেকসই শিল্প বিকাশে সহায়ক হবে’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



সরকারের ঘোষিত শিল্পনীতি-২০১৬ দেশের শিল্প বিকাশে সহায়ক হবে বলে মন্তব্য করেছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। তিনি বলেন, টেকসই শিল্প খাত বিকাশে প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা দিতে সরকার জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬ ঘোষণা করেছে। সব পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে প্রণীত এ নীতি শিল্প খাতের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নে কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে ভূমিকা রাখবে। ঘোষিত নীতিমালায় শিল্পায়নের স্বার্থে নতুন কিছু সংযোজনের প্রয়োজন হলে সে ব্যাপারে সরকার কার্যকর উদ্যোগ নেবে।

গতকাল শনিবার রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) সম্মেলন কক্ষে ‘জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬ : বাংলাদেশে শিল্পায়ন ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। ডিসিসিআইয়ের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হুমায়ুন রশীদের সভাপতিত্বে এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী বলেন, শিল্প খাতে গতি আনতে নতুন শিল্পনীতির আলোকে সম্ভাবনাময় শিল্পগুলোকে ক্লাস্টারের আওতায় নিয়ে আসার পাশাপাশি প্রযুক্তি স্থানান্তরের কাজ চলছে। ইতিমধ্যে ওষুধ, চামড়া, হালকা প্রকৌশল, ইলেকট্রনিক, প্লাস্টিক, কেমিক্যালসহ উদীয়মান শিল্প খাতগুলোর উন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

ডিসিসিআইয়ের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হুমায়ুন রশিদ বলেন, বৈশ্বিক সক্ষমতা ইনডেক্স এবং ডুইং বিজনেস ইনডেক্সে বাংলাদেশের অবস্থান উন্নীতকরণের জন্য সরকার ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। এ জন্য দেশে বিদ্যমান করনীতি, মুদ্রানীতি এবং অন্যান্য আমদানি-রপ্তানি নীতিমালার সঙ্গে ঘোষিত শিল্পনীতির আরো বেশি সমন্বয় থাকা প্রয়োজন। তিনি নীতিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও গ্যাসের অপ্রতুলতার সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানান।

সেমিনারে অন্যদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটির নির্বাহী সদস্য নাভাস চন্দ্র মণ্ডল, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মনোজ কুমার রায়, শিল্প মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ইয়াসমিন সুলতানা, পলিসি রিসার্স ইনস্টিটিউটের ঊর্ধ্বতন গবেষক ড. আশিকুর রহমান, নারী শিল্পোদ্যোক্তা কাজী মুন্নি, ডিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক খায়রুল মজিদ, শিল্পোদ্যোক্তা খন্দকার শহীদুল ইসলাম প্রমুখ।


মন্তব্য