kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


আমদানি কমলেও রাজস্ব বেড়েছে বেনাপোলে

বেনাপোল প্রতিনিধি   

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



আমদানি কমলেও রাজস্ব বেড়েছে বেনাপোলে

বেনাপোল স্থলবন্দর গত জুলাই ও আগস্টে ভারত থেকে তিন হাজার ৫৯২ মেট্রিক টন পণ্য কম আমদানি হয়েছে।

এ সময় পণ্য আমদানি হয়েছে এক লাখ ৩০ হাজার ৪৩০ টন।

গত অর্থবছরের (২০১৫-১৬) একই সময়ে আমদানি হয়েছিল এক লাখ ৩৪ হাজার ২২ মেট্রিক টন।

তবে গত দুই মাসে রাজস্ব আদায় হয়েছে ১১৪ কোটি ৭৭ লাখ টাকা বেশি। এ সময় রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৭৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। সেখানে আদায় হয়েছে ৫৯৪ কোটি এক লাখ টাকা।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন বলেন, ‘চলতি বছরের দুই মাসে ছুটির পরিমাণ বেশি ছিল। তা ছাড়া বন্দরে পণ্যজট থাকায় ভারত থেকে ধীরগতিতে আমদানি হয়েছে। হয়রানি বন্ধ, বন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি দীর্ঘদিনের দাবীকৃত ক্লিয়ারিং হাউস চালু হলে আমদানি-রপ্তানিতে গতি ফিরে আসবে এই বন্দরে। ’

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বেনাপোল বন্দরের বেশির ভাগ ক্রেন ও ফর্কলিফট অকেজো অবস্থায় পড়ে রয়েছে বছরের পর বছর। এতে স্থবির হয়ে পড়েছে বন্দরের মালামাল খালাস প্রক্রিয়া। আমদানিকারকরা সময়মতো তাদের পণ্য খালাস করতে না পারায় বন্দরে সৃষ্টি হয়েছে পণ্যজট। বন্দরের গুদাম থেকে পণ্য বের করার পর নতুন পণ্য ঢোকাতে হচ্ছে। জায়গার এ সংকটের কারণে পণ্যবোঝাই ট্রাক বন্দরের অভ্যন্তরে দাঁড়িয়ে থাকছে দিনের পর দিন। ট্রাক থেকে পণ্য নামানোর অনুমতি মিললেও ক্রেন মিলছে না। ফলে জায়গা ও ক্রেন সংকটে বিপাকে পড়েছে বন্দর ব্যবহারকারীরা।

বেনাপোল কাস্টম হাউসের উপকমিশনার মারুফুর রহমান জানান, বছরের শুরুতে বাজেটে পরিবর্তন আসার কারণে আমদানি কিছুটা কম হয়ে থাকে। তা ছাড়া ঈদসহ দুই মাসে সরকারি ছুটি বেশি থাকায় পণ্য আমদানি কম হয়েছে। তবে সামনের মাসগুলোতে আমদানি বেড়ে যাবে। তিনি বলেন, ‘আমদানি কম হলেও পণ্যের মূল্য যৌক্তিকীকরণ করায় রাজস্ব আয় বেড়েছে। বেনাপোলকে আরো গতিশীল করতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আমরা একসঙ্গে কাজ করছি। ’

যশোর চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান খান বলেন, ‘চলতি অর্থবছরে আমদানীকৃত পণ্যের মূল্য প্রায় দ্বিগুণ করা হয়েছে। যেমন মোটর পার্টসের মূল্য আগে এক ডলার থাকলেও সেখানে করা হয়েছে তিন ডলার। এ ছাড়া ফেবিক্সসহ সব পণ্যের মূল্য কাস্টম বৃদ্ধি করায় আমদানিকারকরা পণ্য এনে বিক্রি করতে পারছেন না। এ কারণে ব্যবসায়ীরা আমদানি কম করছেন। ’


মন্তব্য