kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বাণিজ্য বাড়াতে আগ্রহ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



বৃহত্তর অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তির জন্য ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন ভারত সফররত শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে দুই দেশের সীমান্ত পর্যায়ে বাণিজ্য অবকাঠামো সৃষ্টি, অভিবাসন ও শুল্ক সুবিধা জোরদার এবং স্থলবন্দর আধুনিকায়ন প্রয়োজন।

এ জন্য ভারত ও বাংলাদেশ একসঙ্গে কাজ করবে।

শিল্পমন্ত্রী গতকাল ভারতের আগরতলায় অনুষ্ঠিত তৃতীয় নর্থ-ইস্ট কানেক্টিভিটি সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে এ কথা বলেন। আগরতলার প্রজ্ঞা ভবনে দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ত্রিপুরা রাজ্য সরকারের সহায়তায় ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাট্রিজ এর আয়োজন করেছে।

ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম্যান রণজিৎ বারঠাকুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার, নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী টিআর জেলিয়াং, ত্রিপুরা সরকারের শিক্ষা, শিল্প ও বাণিজ্য, তথ্যপ্রযুক্তি ও আইনমন্ত্রী তপন চক্রবর্তী, মুখ্যসচিব গোপাল সিংসহ শিল্প উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী নেতারা বক্তব্য দেন।

শিল্পমন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক সবচেয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। এ সম্পর্ক কাজে লাগিয়ে দুই দেশের মধ্যে ভৌগোলিক সংযোগ জোরদার এবং আন্তবাণিজ্য সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। তিনি উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বৃদ্ধির পাশাপাশি ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত রেল যোগাযোগ নেটওয়ার্ক পুনরায় চালুর ওপর গুরুত্ব দেন।

আমির হোসেন আমু বলেন, সরকারের আর্থিক নীতি ও পৃষ্ঠপোষকতায় দেশে দক্ষ উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী সম্প্রদায় সৃষ্টি হয়েছে। এ উদ্যোক্তারা ভারতের সম্ভাবনাময় উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়াতে আগ্রহী। তিনি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারির ভিত্তিতে বাণিজ্য সহায়ক যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের পরামর্শ দেন।

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের এক হাজার ৭৪১ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে উল্লেখ করে শিল্পমন্ত্রী বলেন, প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর এ অঞ্চল বিনিয়োগের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এখান থেকে ভারতের অন্য রাজ্যে পণ্য পরিবহন ও যোগাযোগ কষ্টসাধ্য। বাংলাদেশের অবস্থান এসব রাজ্য এবং অবশিষ্ট ভারতের মাঝখানে হওয়ায় তুলনামূলক বাণিজ্যিক সুবিধা কাজে লাগাতে বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা এ অঞ্চলে যৌথ বিনিয়োগে আগ্রহী বলে তিনি জানান।

 


মন্তব্য