kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ডিসিসিআই ও কুনমিং প্রতিনিধিদলের সভা

কৃষি ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের আহ্বান

বাণিজ্য ডেস্ক   

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) পরিচালনা পর্ষদ এবং চীনের কুনমিংয়ের চেংগং নিউ ডিস্ট্রিক অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ কমিটির উপনির্বাহী পরিচালক লি রংহাউয়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সফররত ছয় সদস্যের বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের মধ্যকার মতবিনিময় সভা গতকাল ডিসিসিআইতে অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিনিধিদলকে ঢাকা চেম্বারে স্বাগত জানিয়ে ডিসিসিআই সহসভাপতি খ. আতিক-ই-রাব্বানী এফসিএ চীনের উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে বিশেষ করে কৃষি ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাত অত্যন্ত সম্ভাবনাময় এবং প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বাংলাদেশি তরুণ ও দক্ষ শিক্ষার্থীরা এ খাতে নিয়োজিত হচ্ছে।

আতিক-ই-রাব্বানী আরো বলেন, চীনা ও বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা জয়েন্ট ভেঞ্চারের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। ডিসিসিআই সহসভাপতি বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বাণিজ্য আরো সম্প্রসারণের জন্য দুই দেশের মধ্যে সরাসরি রেল ও সড়কপথে যোগাযোগ স্থাপনের প্রস্তাব করেন।

চেংগং নিউ ডিস্ট্রিক অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ কমিটির উপনির্বাহী পরিচালক লি রংহাউ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা চেম্বারের সঙ্গে চীনের ব্যবসায়ীদের অত্যন্ত কার্যকর যোগাযোগ রয়েছে। সামনের দিনগুলোতে এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে বাণিজ্যের ধারাকে আরো উন্নয়নের লক্ষ্যে চীন সরকার ‘ওয়ান ওয়ে-ওয়ান বেল্ট’ নামে একটি কর্মসূচি গ্রহণ করেছে এবং এ প্রকল্পের আওতায় চীনের কুনমিং শহরটি হবে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্যের মূল কেন্দ্রবিন্দু।

লি রংহাউ জানান, কুনমিংয়ে অবকাঠানো উন্নয়নের জন্য চীন সরকার ইতিমধ্যে একটি আন্তর্জাতিক মানের বাণিজ্যকেন্দ্র, বিমানবন্দর এবং রেলস্টেশন স্থাপন করছে, যা দক্ষিণ এশিয়ার বাণিজ্যের ধারাকে আরো বেগবান করবে। তিনি বলেন, চীন সরকার ওয়ান ওয়ে-ওয়ান বেল্ট নামে একটি কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।


মন্তব্য