kalerkantho


নাড়িভুঁড়ি শিং রপ্তানিতেও নগদ সহায়তা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



গরু-মহিষের নাড়িভুঁড়ি, শিং ও রগ রপ্তানি করলে প্রাপ্ত আয়ের ওপর ১০ শতাংশ নগদ সহায়তা দেবে সরকার। তা ছাড়া শস্য ও শাকসবজির বীজ এবং পাটকাঠি থেকে উত্পাদিত কার্বনে ২০ শতাংশ নগদ সহায়তা দেওয়া হবে।

সাভারে চামড়া শিল্পনগরীতে স্থানান্তরিত প্রতিষ্ঠান থেকে চামড়া রপ্তানি করে ৫ শতাংশ নগদ সহায়তা পাওয়া যাবে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংক এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে বিদেশি মুদ্রায় লেনদেনে নিয়োজিত সব অথোরাইজড ডিলারকে পাঠিয়েছে।

সার্কুলার অনুযায়ী, এই পণ্যগুলোসহ এবারে মোট ২০টি খাতের পণ্য রপ্তানিতে নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। চলতি অর্থবছর রপ্তানিমুখী দেশীয় বস্ত্র খাতে শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাকের পরিবর্তে ৪ শতাংশ বিকল্প নগদ সহায়তা বহাল থাকবে। এ ছাড়া বস্ত্র খাতের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অতিরিক্ত ৪ শতাংশ, ইউরো অঞ্চলে রপ্তানিতে ২ শতাংশ ও নতুন বাজার সম্প্রসারণে ৩ শতাংশ নগদ সহায়তা বহাল থাকবে। তবে নির্দিষ্ট বস্ত্রে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ ভর্তুকি নেওয়া যাবে। এ ছাড়া হোগলা, খড়, আখের ছোবড়া ইত্যাদি দিয়ে হাতে তৈরি পণ্যে ১৫ শতাংশ, কৃষিপণ্যে ২০, হালকা প্রকৌশলে ১৫, হালাল মাংসে ২০, চামড়াজাত পণ্যে ১৫ এবং পেট বোতল ফ্লেক্স রপ্তানিতে আগের মতো ১০ শতাংশ নগদ সহায়তা বহাল রাখা হয়েছে।

চলতি অর্থবছরে জাহাজ রপ্তানিতে নগদ সহায়তা ৫ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে, আলুতে ২০ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ এবং বৈচিত্র্যকৃত পাটজাত পণ্যে ১০ থেকে বাড়িয়ে ২০ শতাংশ করা হয়েছে। তবে পাটজাত তৈরি পণ্যে (ফিনিশড প্রোডাক্ট) সাড়ে ৭ শতাংশ ও পাট সুতায় আগের মতো ৫ শতাংশ বহাল রাখা হয়েছে।

গত অর্থবছরের শেষ দিকে চালু করা ফার্নিচারে ১৫ ও প্লাস্টিকে ১০ শতাংশ নগদ সহায়তা বহাল রাখা হয়েছে। এ ছাড়া হিমায়িত চিংড়ি ও অন্যান্য মাছ রপ্তানিতে নগদ সহায়তা আগের মতো বহাল থাকবে বলে জানানো হয়েছে।


মন্তব্য