kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


৬১০ কোটি টাকা ঋণ চামড়া ব্যবসায়ীদের

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



৬১০ কোটি টাকা ঋণ চামড়া ব্যবসায়ীদের

এবারের কোরবানি ঈদে জবাই করা পশুর চামড়া কিনতে ব্যবসায়ীদের ৬১০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে রাষ্ট্র মালিকানাধীন চার বাণিজ্যিক ব্যাংক। এরই মধ্যে এ খাতে ৩৬০ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়েছে।

লক্ষ্যমাত্রার বাকি অংশ ঈদের পর বিতরণ করা হবে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দেশে চামড়ার বড় সরবরাহ আসে কোরবানির ঈদে। এ কারণে কোরবানির ঈদের সময় এ খাতের ব্যবসায়ীদের নগদ ঋণের (ক্যাশ ক্রেডিট-সিসি) প্রয়োজন দেখা দেয়। ব্যবসায়ীদের এ উদ্যোগে সহযোগিতাও করে ব্যাংকগুলো। তবে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে যেসব ব্যবসায়ী গত কোরবানি ঈদে নেওয়া ঋণ সময়মতো পরিশোধ করেছে, তাদের এবার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ঋণ দেওয়া হবে।

এবারও চামড়া কেনায় সবচেয়ে বেশি ঋণ দেবে জনতা ব্যাংক। ব্যাংকটি চামড়া কিনতে ২০ জন ব্যবসায়ীকে ২৫০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে। তা ছাড়া রূপালী ব্যাংক ১৬০ কোটি টাকা, অগ্রণী ব্যাংক ১৩০ কোটি টাকা এবং সোনালী ব্যাংক ৭০ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করবে বলে ঠিক করেছে।

এ প্রসঙ্গে রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আতাউর রহমান প্রধান বলেন, ‘এবার আমরা চামড়া কেনার জন্য ১৬০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছি। গতবার যারা সময়মতো ঋণ পরিশোধ করেছেন, তাঁরাই এবার ঋণ পাচ্ছেন। ’

আতাউর রহমান প্রধান জানান, ইতিমধ্যে ঋণের বড় একটি অংশ বিতরণ করা হয়েছে। বাকি অর্থ ঈদের পর বিতরণ করা হবে।

সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ বলেন, ‘যেসব ব্যবসায়ী নিয়মিত ঋণ পরিশোধ করেছে, এমন গ্রাহককে এবার ৭০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হবে। ’

বাংলাদেশ ট্যানারি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শাহীন আহমেদ জানান, চামড়া খাতে দেওয়া এবারের ঋণের সুদের হার নির্ধারণ করা হয়েছে ১১ থেকে ১২ শতাংশ। এটি একটি রপ্তানিমুখী শিল্প, সেই হিসেবে এর সুদহার আরো কম হওয়া দরকার।

কোরবানির পশুর চামড়া কেনার জন্য বিশেষ এই ঋণ গত মঙ্গলবার থেকে বিতরণ শুরু হয়। গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৩৬০ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়।


মন্তব্য