kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


জিপি অ্যাকসিলারেটরের দ্বিতীয় ব্যাচের যাত্রা শুরু

বিশেষ প্রতিনিধি   

৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



জিপি অ্যাকসিলারেটরের দ্বিতীয় ব্যাচের যাত্রা শুরু

জিপি অ্যাকসিলারেটরের দ্বিতীয় ব্যাচের যাত্রা শুরুর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম

বাংলাদেশ থেকে বিলিয়ন ডলার স্টার্টআপ তৈরির লক্ষ্যে বর্ণাঢ্য এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গতকাল দেশের শীর্ষ মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনের প্রধান কার্যালয় জিপি হাউসে জিপি অ্যাকসিলারেটরের দ্বিতীয় ব্যাচের যাত্রা শুরু হলো। প্রতিযোগিতামূলক কয়েকটি ধাপ অতিক্রমের মাধ্যমে ৫০০টিরও বেশি আবেদনপত্রের মধ্যে শীর্ষ পাঁচটি স্টার্টআপ দ্বিতীয় ব্যাচের জিপি অ্যাকসিলারেটরে আসতে পেরেছে।

এগুলো হচ্ছে ক্র্যামসস্ট্যাক, সোসাইন, সিএমইডি, বাজঅ্যালি ও ঘুড়ি। গতকাল মঙ্গলবার এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

এসডি এশিয়ার সহযোগিতায় প্রাথমিক পর্যায়ে থাকা স্থানীয় প্রযুক্তি স্টার্টআপগুলোকে সহায়তা করতে কাজ করছে এই জিপি অ্যাকসেলেরেটর। চার মাসের এই কর্মসূচিতে এই উদ্যোক্তাদের কার্যকরী প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ব্যবসা শুরু করার জন্য অ্যাপগুলোকে ১১ লাখ টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়ার পাশাপাশি স্টার্টআপগুলো জিপি হাউসের ভেতরে কাজ করার সুযোগ পায়।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেন, ‘এ ধরনের উদ্যোগ তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রতিভা বিকাশের সুযোগ দিতে পারে, যা তাদের জঙ্গিবাদের প্রভাবমুক্ত থাকতে সাহায্য করবে। ’

বিটিআরসির চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ বলেন, ‘গ্রামীণফোনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো গ্রাহকদের চাহিদা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখে। এই ধারণা জিপি অ্যাকসিলারেটরের তরুণ উদ্যোক্তাদের গ্রাহকবান্ধব সেবা তৈরিতে খুবই সহায়ক হবে। ’

জিপি অ্যাকসিলারেটরের নতুন ব্যাচকে স্বাগত জানিয়ে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব শেঠি বলেন, ‘জিপি অ্যাকসিলারেটরের এ স্টার্টআপগুলো আমাদের প্রতিদিনই মনে করিয়ে দেয় গতি, তৎপরতা ও সব প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে মনোনিবেশ করার দক্ষতাই আসলে সফলতার দিকে নিয়ে যায়। গ্রামীণফোন বাংলাদেশ সরকার এবং স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে সঙ্গে নিয়ে বিশ্বের স্টার্টআপ মানচিত্রে বাংলাদেশকে দৃঢ়ভাবে তুলে ধরার ব্যাপারে অঙ্গীকারবদ্ধ। ’ 

গ্রামীণফোনের হেড অব ট্রান্সফরমেশন কাজী মাহবুব হাসান বলেন, ‘২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে প্রথম বিলিয়ন ডলার স্টার্টআপ তৈরির মিশনে নেমেছি আমরা। সব সহযোগীর সঙ্গে কাজ করার মাধ্যমেই জিপি অ্যাকসেলেরেটর এই উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে। ’ 

এসডি এশিয়ার প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও মোস্তাফিজুর আর খান বলেন, ‘আমাদের এই কর্মসূচিতে যোগ দেওয়া দলগুলো চার মাস পর আরো বিনিয়োগ উপযোগী হবে, যা হয়তো তারা নিজেরা চেষ্টা করলে এক বছর লাগত। ’


মন্তব্য