kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মতামত সংগ্রহ চলছে

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ফ্যাক্টরিং চালুর নীতিমালা প্রস্তুত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে ‘আন্তর্জাতিক ফ্যাক্টরিং’ সুবিধা চালুর জন্য একটি খসড়া নীতিমালা তৈরি করে এর ওপর মতামত সংগ্রহের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে। আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত এই মতামত দেওয়ার সুযোগ পাবে সংশ্লিষ্টরা।

https://www.bb.org.bd/aboutus/regulationguideline/draftguide.php সাইটটি ভিজিট করে মতামত পাঠানো যাবে।

ঋণপত্র বা এলসির বদলে আন্তর্জাতিক ফ্যাক্টরিংয়ের মাধ্যমে পণ্য আমদানি-রপ্তানি হচ্ছে এখন বিশ্বের অনেক দেশে। এই পদ্ধতির মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানি করলে ব্যবসায় ব্যয় অনেকটাই কমে আসবে বলে দাবি জানিয়ে আসছিল দেশের ব্যবসায়ীরা।

উন্নত দেশগুলো নিজেদের ব্যবসায় খরচ কমানোর লক্ষ্যে ইতিমধ্যে ব্যাপকভাবে আন্তর্জাতিক ফ্যাক্টরিংয়ের ব্যবহার শুরু করেছে। ২০১৩ সালে ৭৫টি দেশে আন্তর্জাতিক ফ্যাক্টরিং সুবিধার আওতায় ফ্যাক্টর চেইন ইন্টারন্যাশনালের (এফসিএ) সদস্যদের মধ্যে ৩৫ হাজার ২০০ কোটি ইউরোর লেনদেন হয়েছে।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম), বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি), বিজিএমইএ, বিকেএমইএ ও বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত একটি কারিগরি কমিটি ওই নীতিমালার ওপর একটি প্রতিবেদন তৈরি করে।

নীতিমালার শুরুতেই বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ৮০ শতাংশ ব্যয়ই এখন ওপেন অ্যাকাউন্ট ট্রানজেকশনের মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়ে থাকে। ফ্যাক্টরিং হলো এমন একটি আর্থিক প্রক্রিয়া, যেখানে কোনো প্রতিষ্ঠান আরেক প্রতিষ্ঠানকে পণ্য সরবরাহের আগেই তৃতীয় পক্ষের কাছ থেকে পণ্যমূল্যের বড় অংশ আগাম গ্রহণ করে। আর সরবরাহ শেষ হলে বাকি অর্থ পরিশোধ করা হয়। এ জন্য তৃতীয় পক্ষ একটি কমিশন পায়। এই তৃতীয় পক্ষই ফ্যাক্টর নামে পরিচিত।


মন্তব্য