kalerkantho


আইসিসিবির ২১তম বার্ষিক সভা

মধ্য আয়ে যেতে হলে দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩১ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্য আয়ের দেশে পরিণত করতে হলে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। আর এই বিনিয়োগ বাড়াতে হলে অবকাঠামো উন্নয়ন, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, প্রাকৃতিক সম্পদ অনুসন্ধান এবং প্রশিক্ষিত জনবলের উন্নয়নে জোর দিতে হবে বলে মনে করে ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স অব বাংলাদেশ (আইসিসিবি)।

গতকাল বুধবার রাজধানীর স্থানীয় একটি হোটেলে আইসিসিবির ২১তম বার্ষিক সভার প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। সংগঠনের সভাপতি মাহবুবুর রহমানের সভাপতিতে অনুষ্ঠিত এ সভায় আইসিসি বাংলাদেশের নির্বাহী বোর্ডের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আইসিসি বাংলাদেশের সভাপতি বলেন, বাংলাদেশ সফলতার সঙ্গে নিম্ন আয়ের দেশ থেকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। কিন্তু ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হতে হলে আগামী ছয় বছর এ অবস্থানকে ধরে রাখতে হবে। কিন্তু শক্ত শিল্পের ভিত্তি, পর্যাপ্ত অবকাঠামো ছাড়া এ প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা কষ্টকর হয়ে যাবে।

আইসিসিবির বার্ষিক সভার প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান রপ্তানি এবং রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধির ওপর ভিত্তি করে জিডিপির প্রবৃদ্ধি বার্ষিক ৭.৫ শতাংশ থেকে ৮ শতাংশ হারের প্রয়োজন পড়বে। তাই সরকারি ও বেসরকারি উভয় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। এ ছাড়া অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে উত্পাদনশীল কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে প্রবৃদ্ধি আরো অঙ্গীভূত করার প্রয়োজন পড়বে। অঙ্গীভূত প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার জন্য আরো কার্যকরভাবে নগরায়ণ পদ্ধতিকে পরিচালনা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবকে মোকাবিলার জন্য প্রস্তুতি রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, অতি দরিদ্রের হার কমাতে হবে এবং অংশীদারির সাফল্য বাড়াতে হবে। আর এ জন্য মূল প্রয়োজন হচ্ছে বিনিয়োগ, যা এখন পর্যন্ত স্থবির এবং অপর্যাপ্ত, যা জিডিপির মাত্র ২০ শতাংশ। এতে বেসরকারি বিনিয়োগ মাত্র ০.১ শতাংশ বেড়েছে এবং সরকারি বিনিয়োগ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ০.৬ শতাংশ কম হয়েছে। সঠিকভাবে এডিপির বাস্তবায়ন না হওয়াই অপর্যাপ্ত সরকারি বিনিয়োগের কারণ বলে জানানো হয়।


মন্তব্য