kalerkantho


অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগ চান আবাসন ব্যবসায়ীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩১ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



২০১৬-১৭ অর্থবছরে আবাসন খাতে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ চান ব্যবসায়ীরা। এ জন্য আসছে অর্থবছরের অর্থ আইনে নির্দিষ্ট প্রস্তাব রাখার দাবি করেছে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)।

গতকাল বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সঙ্গে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনায় রিহ্যাব নেতারা এ দাবি জানান।

এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনায় আসছে বাজেটে ফ্ল্যাট ও প্লট ক্রয়ে আয়ের উৎস না খোঁজা, সেকেন্ডারি বাজার প্রচলন, কর অবকাশ সুবিধা, ফ্ল্যাট ও প্লট নিবন্ধন কর কমানোসহ ১৮টি দাবি জানায় রিহ্যাব। রিহ্যাবের সিনিয়র সহসভাপতি রবিউল হক বলেন, বর্তমানে শর্তসাপেক্ষে আবাসন খাতে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ আছে। আবাসন খাতে আরো পাঁচ থেকে ১০ বছরের জন্য এ অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ দিতে হবে।

রবিউল হক বলেন, যাঁরা ফ্ল্যাট কিনবেন, তাঁদের আয়ের উৎস খোঁজা যাবে না। এ জন্য আয়কর অধ্যাদেশের ১৯ (বিবিবিবিবি) ধারা পুনঃ প্রবর্তন করতে হবে। ২০১১ সালে এ ধারাটি রহিত করে এনবিআর। এরপর থেকে ফ্ল্যাট কেনাবেচায় ধস নেমেছে। তাই আইনটি পুনরায় বহাল করতে হবে।

তা না হলে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার হয়ে যাবে। অপ্রদর্শিত অর্থ দেশে বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়া হলে ভবিষ্যতে এসব বিনিয়োগকারী করজালের মধ্যে আসবেন। তাতে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়বে।

প্রাক-বাজেট আলোচনায় রিহ্যাব সহসভাপতি লিয়াকত আলী ভূঁইয়া বলেন, বর্তমানে ফ্ল্যাট ও প্লট নিবন্ধনে ১৪ শতাংশ কর ও ফি দিতে হয়। এর মধ্যে ৪ শতাংশ গেইন ট্যাক্স, স্ট্যাম্প ফি ৩ শতাংশ, নিবন্ধন ফি ২ শতাংশ, স্থানীয় সরকার কর ২ শতাংশ ও ৩ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (মূসক) দিতে হয়। অধিক করভারের কারণে ক্রেতারা প্লট ও ফ্ল্যাট নিবন্ধনের আগ্রহ দেখান না।

লিয়াকত আলী ভূঁইয়া বলেন, আসছে বাজেটের অর্থ আইনে, সব মিলিয়ে নিবন্ধন-সংশ্লিষ্ট কর ও ফি ৭ শতাংশ করা হোক। এর মধ্যে ২ শতাংশ গেইন ট্যাক্স, স্ট্যাম্প ডিউটি ও মূসক দেড় শতাংশ, নিবন্ধন ফি ও স্থানীয় সরকার কর ১ শতাংশ হবে। আলোচনায় দেশের নির্মাণ ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহৎ শিল্পসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


মন্তব্য