kalerkantho

শনিবার । ২১ জানুয়ারি ২০১৭ । ৮ মাঘ ১৪২৩। ২২ রবিউস সানি ১৪৩৮।


সমমূলধন সহায়তা স্থগিত করায় উদ্যোক্তারা বিপাকে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩০ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



সমমূলধন সহায়তা কার্যক্রম স্থগিত করায় বিপাকে পড়েছেন উদ্যোক্তারা। অনেকে জমি কিনে, পুকুর কেটে মাছ চাষের উপযোগী করতে মোট প্রকল্প ব্যয়ের ৫১ শতাংশের বেশি অর্থ বিনিয়োগ করেছেন। কিন্তু এ অবস্থায় সমমূলধন সহায়তার অর্থ না পাওয়ায় তাঁরা এখন মাছের পোনা কিনতে পারছেন না। আবার পোনা কিনে পুকুরে ছাড়লেও অর্থের অভাবে খাবার দিতে পারছেন না। অনেকে গাভি কিনে অর্থের অভাবে খাবার দিতে পারছেন না। মেশিনারিজভিত্তিক উদ্যোক্তারা মেশিন স্থাপনের পর মূলধনের অভাবে উত্পাদনে যেতে পারছেন না। গতকাল রাজধানীর রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে ইক্যুইটি এন্টারপ্রেনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের সমমূলধন সহায়তার অর্থ ছাড় স্থগিত রাখার পরিপ্রেক্ষিতে উদ্যোক্তাদের বর্তমান পরিস্থিতি বর্ণনায় সংশ্লিষ্ট সংগঠনের সভাপতি শেখ আতিকুর রহমান বাবু এসব কথা বলেন।

আতিকুর রহমান বাবু বলেন, সমমূলধন সহায়তা নিতে হলে মোট বিনিয়োগের ৫১ শতাংশ অর্থ উদ্যোক্তাকে আগেই বিনিয়োগ করতে হবে। আর বাকি ৪৯ শতাংশ সমমূলধন সহায়তাদানের মাধ্যমে বিনিয়োগ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ইক্যুইটি এন্টারপ্রেনারশিপ ফান্ডের (ইইএফ) আওতায় ১১৫টি প্রকল্পের উদ্যোক্তা সব শর্ত পূরণ করে সমমূলধন সহায়তার অর্থ পাওয়ার অপেক্ষায় বসে আছেন। এ অবস্থায় ওই সব উদ্যোক্তা সহায়-সম্বল বিক্রি করে প্রকল্প গ্রহণ করে নিঃস্ব হওয়ার পথে। সমমূলধন সহায়তা দেওয়া ৩৩টি খাতে এ রকম অসংখ্য বিনিয়োগকারীর উদাহরণ পাওয়া যাবে।

আতিকুর রহমান বাবু আরো বলেন, দেশের অর্থনীতিকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে ইইএফ নামে একটি উদ্যোগ নেয় সরকার। নবীন, উদ্যমী ও মেধাবীদের মত্স্য হ্যাচারি, মত্স্য চাষ, মুরগির বাচ্চা উত্পাদন, মাছ-মুরগির খাবার উত্পাদনসহ ৩৩টি খাতে বিনিয়োগে উৎসাহিত করা হয় এ সহায়তার আওতায়। এ উদ্যোগের ফলে অসংখ্য মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। অনেক বেকার তরুণ-তরুণী আত্মনির্ভরশীল হয়েছে। বাংলাদেশ আজ মাছ, পশু, আইসিটি খাতে অনেক এগিয়েছে। এমন এক সময়ে হঠাৎ এ প্রকল্পের অর্থ ছাড় স্থগিত করায় সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা বিপাকে পড়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাঈদ জুলফিকার মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ বিন ইসলাম, কোষাধ্যক গৌতম বসু প্রমুখ।


মন্তব্য