kalerkantho


৩০ শতাংশ শস্য নষ্ট হয় শুধু অব্যবস্থাপনায়

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৭ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



শুধু অব্যবস্থাপনার কারণেই দেশের কৃষিপণ্য উত্পাদন থেকে শুরু করে বিপণনের আগ পর্যন্ত ৩০ শতাংশ নষ্ট হয়। এর মধ্যে শস্য তোলার সময় ২০ থেকে ৪০ শতাংশ, প্রক্রিয়াজাতকরণে ৩০ শতাংশ এবং অন্যান্যভাবে আরো ফসল নষ্ট হয়।

এ ক্ষেত্রে দক্ষতা বৃদ্ধিসহ বিজ্ঞানভিত্তিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হলে বিপুল পরিমাণ শস্য নষ্টের হাত থেকে রক্ষা করা যেতে পারে।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের কৃষিব্যবস্থা : শস্যের গুণগত মান সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক সেমিনারে গতকাল শনিবার এ তথ্য তুলে ধরা হয়। জেমস গ্লোবাল অ্যান্ড লাইফটাচ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড এই সেমিনারের আয়োজন করে।

এতে ধারণাপত্র তুলে ধরেন বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত সহকারী পরিচালক (হর্টিকালচার উইং) ড. এ কে এম শামীম আলম। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রচুর পরিমাণ শস্য উত্পাদিত হয়। এর মধ্যে উত্পাদন থেকে প্রক্রিয়াজাতকরণ পর্যন্ত বিভিন্নভাবে প্রচুর শস্য নষ্ট হয়। এগুলো সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নষ্টের হাত থেকে রক্ষা করা গেলে খাদ্য চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করা সম্ভব হবে। ’

ড. শামীম আলম বলেন, ‘অব্যবস্থাপনার কারণে বিদেশে যে শস্য পাঠানো হচ্ছে, তার কারণে দেশের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে। বিদেশে আমাদের দেশের পণ্য সম্পর্কে ভুল বার্তা যাচ্ছে।

এসব সমস্যার সমাধান অচিরেই করতে হবে। ’ নষ্ট হওয়া খাদ্য সঠিক ব্যবস্থাপনা করা গেলে কৃষি খাতের পুরো চেহারাই পাল্টে যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সেমিনারে আরো উপস্থিত ছিলেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুল ইসলাম, আয়োজক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা হাসান শাহরিয়ার প্রমুখ।


মন্তব্য