kalerkantho

বুধবার । ২৫ জানুয়ারি ২০১৭ । ১২ মাঘ ১৪২৩। ২৬ রবিউস সানি ১৪৩৮।


বারভিডার অভিযোগ

গাড়ি ব্যবসায়ীদের হয়রানি করা হচ্ছে

খুলনা অফিস   

২৪ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



মংলা বন্দরে রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানিকারকদের নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিকলস ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বারভিডা)। সংগঠনের নেতারা আমদানিকারকদের হয়রানি বন্ধ, শুল্কায়ন জটিলতা দূর করে গাড়ি খালাস প্রক্রিয়া স্বচ্ছ করা ও আটকে থাকা গাড়ির ৮০ শতাংশ অবচয়ন ধরে শুল্কায়ন করে খালাস দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

গতকাল বুধবার দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা এ দাবি জানান। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে সংগঠনের সভাপতি আব্দুল হামিদ শরীফ এ দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, মংলাবন্দর যখন প্রায় অচল হয়ে পড়েছিল তখন ২০০৯ সালে এ বন্দরের মাধ্যমে আমরা গাড়ি আমদানির সূচনা করি। সূচনায় আমরা সবার সহযোগিতা পেয়েছি। কিন্তু এখন আইনি মারপ্যাঁচ তুলে এখন আমদানিকারকদের হয়রানি করা হচ্ছে। দীর্ঘদিনের অনুসৃত এইচএস কোড নিয়ে আপত্তি তুলে শুল্কায়ন জটিলতা তৈরি করে নিগৃহীত করা হচ্ছে। শুল্কায়নের ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি করে পদে পদে অর্থ আদায়ের ফাঁদ পাতা হয়েছে। আমদানিকারকদের ব্যাপারে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করা হয়। গাড়ি নিলামে বিক্রির অপচেষ্টা করা হচ্ছে। এসব ক্ষেত্রে কাস্টমস কমিশনারের স্বৈরতান্ত্রিক আচরণ করছে বলেও তিনি মনে করেন।

তিনি বলেন, মংলায় শুল্কায়ন জটিলতায় পাঁচ-ছয় বছর ধরে অনেক গাড়ি খালাস হয়নি, পড়ে আছে। এখন নতুন গাড়ির চেয়ে সেগুলোর শুল্ক তিন লাখ টাকা বেশি ধরা হয়েছে। অথচ মুদ্রা বিনিময় হারের তারতম্যের কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে বহু তদবির ও বৈঠকের পর ২০১৫ সালের ৩ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে অতিরিক্ত অবচয় প্রদান এবং শুল্ককরের উল্লেখযোগ্য অংশ মওকুফ করে গাড়ি খালাস করার অনুমতি দিয়ে একটি অনুশাসন জারি করা হয়েছিল। কিন্তু সে অনুযায়ী গাড়ি খালাসের ব্যবস্থা না করে মংলা শুল্ক কর্তৃপক্ষ আটকে থাকা প্রায় দেড় হাজার গাড়ি নিলামে বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে।


মন্তব্য