kalerkantho

বুধবার । ২৫ জানুয়ারি ২০১৭ । ১২ মাঘ ১৪২৩। ২৬ রবিউস সানি ১৪৩৮।


কারখানা সংস্কারে গতি আনতে উদ্যোগ নিচ্ছে এইচঅ্যান্ডএম

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



কারখানা সংস্কারে গতি আনতে উদ্যোগ নিচ্ছে এইচঅ্যান্ডএম

দেশের প্রায় আড়াই শ কারখানার সঙ্গে কাজ করে সুইডেনভিত্তিক ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠান এইচঅ্যান্ডএম।   তাদের অর্ডার সরবরাহ করে এমন কারখানার সংস্কারের অগ্রগতি জানতে আগামী মঙ্গলবার বৈঠকে বসছেন প্রতিষ্ঠানটির ঢাকা অফিসের কর্মকর্তারা।

সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির ঢাকা অফিস থেকে তাদের পোশাক সরবরাহের এমন কারখানাগুলোকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। বৈঠকে তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর প্রতিনিধিদেরও উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

দেশের নামকরা বড় গার্মেন্ট কারখানাগুলো এইচঅ্যান্ডএমের পোশাক তৈরি করে। বাংলাদেশের কারখানা সংস্কার কার্যক্রম তদারক করছে ইউরোপভিত্তিক ক্রেতাদের সমন্বয়ে গঠিত জোট অ্যাকর্ড (অ্যাকর্ড অন ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি ইন বাংলাদেশ)। ওই জোটের অন্যতম সদস্য এইচঅ্যান্ডএম। ২০১৮ সালের মধ্যে অ্যাকর্ডের অধীনস্থ কারখানার সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে। কিন্তু সংস্কার কার্যক্রমে গতি মন্থরতা নিয়ে অসন্তুষ্ট অ্যাকর্ড।

পোশাকশিল্প মালিকদের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অ্যাকর্ডের ব্যবস্থাপনায় সংস্কার কার্যক্রমের এমন গতিতে সন্তুষ্ট নয় এইচঅ্যান্ডএমও। এ জন্য তাদের পোশাক তৈরি করে এমন কারখানার সংস্কারে গতি আনতে আলাদা উদ্যোগ নেয়। এর অংশ হিসেবে পোশাক কারখানা মালিকদের সঙ্গে বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

অ্যাকর্ড ১২ শতাধিক কারখানা পরিদর্শন শেষে সংস্কারের জন্য সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। কিন্তু দুই বছর পার হলেও ৫২২টি কারখানা এখনো ৪০ শতাংশ সংস্কারকাজও সম্পন্ন করতে পারেনি। এর মধ্যে ২০০ কারখানা রয়েছে যাদের সংস্কারের অগ্রগতি হতাশাজনক। এসব কারখানা ১০ শতাংশ সংস্কারও করতে পারেনি। ৯৮টি কারখানার সংস্কার অগ্রগতি ২০ শতাংশের নিচে এবং বাকি কারখানাগুলো ২০ শতাংশের ওপরে, কিন্তু ৪০ শতাংশের নিচে। সম্প্রতি বিজিএমইএর কাছে এসব কারখানার তালিকা দেওয়া হয়েছে। তবে এর মধ্যে এইচঅ্যান্ডএমের কাজ করা কারখানার সংখ্যা জানা যায়নি। এর আগে অ্যাকর্ডের তথ্যে বলা হয়, পরিদর্শন করা কারখানার ত্রুটি সংশোধন করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে এইচঅ্যান্ডএম। সংশোধনে অপেক্ষাকৃত দুর্বল কারখানাগুলোকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে ওই তথ্যে।

যোগাযোগ করা হলে বিজিএমইএর সহসভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বৈঠকে বিজিএমইএর প্রতিনিধিকেও উপস্থিত থাকার অনুরোধ করা হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত থাকব বলে আশা করছি। ’

এইচঅ্যান্ডএম বাংলাদেশ ছাড়াও চীন, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া থেকেও পোশাক ক্রয় করে। এইচঅ্যান্ডএম ছাড়াও সিওএস, মংকি, উইকডে, চিপ মানডেও তাদেরই অঙ্গপ্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী তিন হাজার ৯০০ আউটলেট রয়েছে।


মন্তব্য