kalerkantho


ভারতের অনলাইন বাণিজ্যে আড়াই লাখ কর্মসংস্থান হবে

বাণিজ্য ডেস্ক   

১৮ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



ইন্টারনেট ও মোবাইল ডিভাইসের প্রসার, অনলাইন পেমেন্ট বৃদ্ধি এবং একটি ভোক্তা শ্রেণির উদ্ভবের ফলে ভারতে শক্তিশালী হচ্ছে ই-বাণিজ্য। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান অ্যাসোচেম সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে জানায়, চলতি বছর ভারতের ই-বাণিজ্য হবে ৩৮ বিলিয়ন ডলারের।

২০১৫ সালে এ বাজার ছিল ২৩ বিলিয়ন ডলারের এবং ২০১৪ সালে এ বাজার ছিল ১৭ বিলিয়ন ডলারের।

প্রতিষ্ঠানটির মতে, ভারতের অনলাইন বাণিজ্যে এ বছর প্রায় দুই লাখ ৫০ হাজার নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে। বর্তমানে এ খাতে তিন লাখ ৫০ হাজার কর্মী রয়েছে। সংস্থার মতে, স্মার্টফোন আর সহজ ইন্টারনেটের কল্যাণে ভারতের তরুণরা এখন ই-বাণিজ্যেই বেশি আগ্রহী। বিশ্লেষকরা বলছেন, স্মার্টফোনের মাধ্যমে অনলাইন শপিং বাড়ছে। এটিও ই-বাণিজ্যের প্রসারে বড় ভূমিকা রাখছে।

অনলাইন শপিংয়ের ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে মুম্বাই। এরপরের অবস্থানে রয়েছে দিল্লি, আহমেদাবাদ, বেঙ্গালুরু ও কলকাতা। এ শহরগুলোর প্রতি তিনজনের মধ্যে একজন অনলাইন শপিংয়ের সঙ্গে যুক্ত।

অ্যাসোচেমের মহাসচিব ডি এস রাওয়াতের মতে, গত বছর শপিং-সম্পর্কিত অনুসন্ধানের ৭৮ শতাংশ এসেছে মোবাইল ডিভাইস থেকে। ২০১৩ সালে এ হার ছিল ৪৬ শতাংশ।

ভারতের সবচেয়ে বড় ই-বাণিজ্য প্ল্যাটফর্ম ফ্লিপকার্টের প্রডাক্ট ম্যানেজমেন্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সরণ চ্যাটার্জি বলেন, ভারতের ই-বাণিজ্য ২০২০ সাল নাগাদ বেড়ে হবে ৭৬ বিলিয়ন ডলার। তাঁর মতে, স্মার্টফোনকেন্দ্রিক একটি জেনারেশন তৈরি হওয়ায় ই-বাণিজ্য দ্রুত বাড়ছে। তারা অনলাইন শপিংকেই সহজ মনে করছে।

১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সীদের মধ্যেই ই-বাণিজ্যে অংশগ্রহণ বাড়ছে। অ্যাসোচেমের জরিপের তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত ক্রেতাদের মধ্যে ৩৮ শতাংশই তরুণ-তরুণী, ৫২ শতাংশ ২৬-৩৫ বছর বয়সী। ৮ শতাংশ ৩৬-৪৫ ও ২ শতাংশ ৪৫-৬০ বছর বয়সী। প্রায় ৬৫ শতাংশ অনলাইন ক্রেতা পুরুষ ও ৩৫ শতাংশ নারী। গত বছর বিক্রির তালিকার শীর্ষে ছিল মোবাইল, আইপ্যাড ও এর সংশ্লিষ্ট পণ্য এমপিথ্রি প্লেয়ার, ডিজিটাল ক্যামেরা, গয়নাসহ অন্যান্য। টাইমস অব ইন্ডিয়া।


মন্তব্য