kalerkantho

রবিবার। ২২ জানুয়ারি ২০১৭ । ৯ মাঘ ১৪২৩। ২৩ রবিউস সানি ১৪৩৮।


‘ক্রেতাজোটদের আইন মেনেই কাজ করতে হবে’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৪ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



দেশের আইন মেনেই ইউরোপের ক্রেতাজোট অ্যাকর্ড অন ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি (অ্যাকর্ড) এবং উত্তর আমেরিকার ক্রেতাদের জোট অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটিকে (অ্যালায়েন্স) কাজ করতে হবে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে তৈরি পোশাক খাতের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ কার্যালয়ে রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্প কারখানা ভবনের নিরাপত্তা সম্পর্কিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিজিএমইএ সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অন্যদের মধ্যে ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মিকাইল শিপার, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের (ডিআইএফই) মহাপরিদর্শক সৈয়দ আহমেদ, বিজিএমইএ সহসভাপতি মো. হাসান খান বাবু প্রমুখ। বৈঠকে উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ঢাকা জেলার ১১৫টি কারখানার মালিকদের ডাকা হয়।  

শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মালিকরা তাদের সমস্যার কথা তুলে ধরে আমাদের জানান অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স সমন্বহীনতার ফলে সংস্কার কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটছে। ’

শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, অ্যাকর্ড-অ্যালায়েন্সের বাইরে জাতীয় উদ্যোগের আওতায় থাকা কারখানার সংস্কারকাজ ধীরে চলছে। এ ধীরগতির মূল কারণ জানতে বড় ধরনের ঝুঁকিতে থাকা ২৩৮ কারখানার মধ্যে ঢাকা জেলার ১১৫ কারখানা মালিকের কাছে সংস্কার শুরু করতে না পারার বিষয়ে জানতে চান তিনি। বৈঠকে তাঁদের সংস্কারকাজ দ্রুত করার তাগিদ দেওয়া হয়। তবে অতি ঝুঁকিতে থাকা কারখানাগুলোকে সময় দেওয়ার ব্যাপারে সরকার সহনশীল হলেও সংস্কারে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে তিনি জানান।

মুজিবুল হক আরো বলেন, অ্যাকর্ড-অ্যালায়েন্সের তুলনায় জাতীয় উদ্যোগের আওতায় থাকা কারখানার সংস্কারকাজ ধীরে চলছে। এতে দেশের ইমেজের স্বার্থে সংস্কার জটিলতা নিরসনে মালিকদের ডাকা হয়। বৈঠকে মালিকদের প্রয়োজনে আর্থিক সহায়তা করারও আশ্বাস দিনে তিনি। এ ছাড়া সংস্কারকাজ দ্রুত করতে ১০ প্রকৌশলী প্রতিষ্ঠান থেকে বাড়িয়ে ২৫ করা হবে বলেও জানান তিনি।


মন্তব্য