পুনরর্থায়নের সদ্ব্যবহার করলে নারীরা-334153 | শিল্প বাণিজ্য | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

সোমবার । ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১১ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৩ জিলহজ ১৪৩৭


নারী দিবসে গভর্নরের ঘোষণা

পুনরর্থায়নের সদ্ব্যবহার করলে নারীরা আরো ঋণ পাবেন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১০ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



পুনরর্থায়নের সদ্ব্যবহার করলে নারীরা আরো ঋণ পাবেন

২০১৫ সালে ১৪ হাজার নারী উদ্যোক্তার অনুকূলে এক হাজার ৩৫৭ কোটি টাকার পুনরর্থায়ন সুবিধাসম্পন্ন ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। এ ঋণ নারীর মুক্তি, ক্ষমতায়ন ও উদ্যোক্তা হিসেবে উন্নয়নে সহায়তা করছে বলে জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেন, ‘এই পুনরর্থায়ন সুবিধার সদ্ব্যবহার করা হলে নারী উদ্যোক্তারা আরো অধিক হারে ঋণ পাবেন।’

বুধবার রাজধানীর মিরপুরে ‘নারী উদ্যোক্তা সমাবেশ ও পণ্য প্রদর্শনী মেলা ২০১৬’ উদ্বোধনকালে গভর্নর এ কথা বলেন।  নারী দিবস উদ্যাপনে বাংলাদেশ ব্যাংক চার দিনব্যাপী এ মেলার আয়োজন করেছে।

গভর্নর আরো বলেন, ‘ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো এসএমই এবং নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে আগের চেয়ে এখন বেশি ঋণ বিতরণ করছে। গত বছর সোয়া সাত লাখ উদ্যোক্তার মাঝে বিতরণকৃত এক লাখ ১৫ হাজার ৮৭০ কোটি টাকার ৫২ শতাংশই বিতরণ করা হয়েছে সাড়ে ছয় লাখ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার মাঝে। এ ঋণের মধ্যে দেড় লাখেরও বেশি নারী উদ্যোক্তা পেয়েছেন চার হাজার ২২৭ কোটি টাকা এবং সোয়া এক লাখ নতুন উদ্যোক্তা পেয়েছেন সাড়ে ২০ হাজার কোটি টাকা।’

গভর্নর বলেন, ‘নারীদের মাঝে আরো বেশি ঋণ বরাদ্দের জন্য আজকেই আমি বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ডে প্রস্তাব উপস্থাপন করব। তবে অনেক নারী উদ্যোক্তা বিভিন্ন জটিলতার কারণে ঋণ সুবিধার জন্য যথাযথভাবে আবেদন করতে পারেন না। আমি আশা করি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো এ ব্যাপারে সহায়তা করবে।’

তথ্যপ্রযুক্তি বিকাশের সুবিধা কাজে লাগিয়ে নারীদের ই-কমার্স ব্যবসায় জোর দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে গভর্নর বলেন, ‘আমাদের অনেক নারী উদ্যোক্তা স্থানের অভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারছেন না। ই-কমার্সের মাধ্যমে তাঁরা চাইলে ঘরে বসে পণ্য বিক্রি করতে পারবেন।’

ড. আতিউর রহমান বলেন, ‘২০২১ সালের মধ্যে দেশকে মধ্যম আয়ে পরিণত করার সরকারের যে পরিকল্পনা, তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমরা ব্যাংকিং খাতে অনেক নতুন কৌশল গ্রহণ করেছি। মুদ্রাবাজার ব্যবস্থাপনা, মূল্য পরিস্থিতি এবং আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পাশাপাশি অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিশেষ করে দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের কৌশলগত পরিকল্পনায় আর্থিক অন্তর্ভুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম হিসেবে গণ্য হয়েছে। এর মাধ্যমে আর্থিকসেবা বঞ্চিত সমাজের অবহেলিত জনগোষ্ঠীকে দ্রুত আর্থিকসেবার আওতায় আনতে আমরা উদ্যোগ নিয়েছি। এ লক্ষ্যে আমরা মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা (এমএসএমই) খাতকে একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে চিহ্নিত করে এ খাতে অর্থায়ন বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি।’

উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি গভর্নর নাজনীন সুলতানা, নির্বাহী পরিচালক নির্মল চন্দ্র ভক্ত, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের মহাপরিচালক তৌফিক আহমদ চৌধুরী প্রমুখ।

মন্তব্য