kalerkantho

শুক্রবার । ২০ জানুয়ারি ২০১৭ । ৭ মাঘ ১৪২৩। ২১ রবিউস সানি ১৪৩৮।


পাহাড়ের নারী উদ্যোক্তা

ঋণের অভাব ক্ষুদ্রশিল্প বিকাশে বাধা

আবু দাউদ, খাগড়াছড়ি   

৮ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



সারা দেশে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যাংকঋণের ব্যবস্থা থাকলেও পার্বত্য অঞ্চলে তা বেশ দুরূহ। খাগড়াছড়ির ক্ষুদ্র ও মাঝারি নারী উদ্যোক্তারা তাঁদের তৈরি বিভিন্ন তাঁত, বুটিকসহ নানা হস্তশিল্প ও ক্ষুদ্র ব্যবসার উন্নয়ন ও বিকাশে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতাসহ ব্যাংকঋণ সুবিধা দাবি করেছেন। পার্বত্য অঞ্চলের বিলুপ্তপ্রায় অথচ সম্ভাবনাময় তাঁতশিল্পগুলো বাঁচিয়ে রাখতে এখনই উদ্যোগ গ্রহণের আকুতি নারী উদ্যোক্তাদের।

ঘরে বসে নানা ধরনের মুখরোচক খাবার তৈরি করেন খাগড়াছড়ির অনিতা চাকমা। এই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর হাতের তৈরি কলা চিপস, ফলের জ্যাম, জেলি ও আচারের সুনাম সর্বত্র। এ ছাড়া জেলা সদরের নারানখাইয়াপাড়ার মিতালী খীসার তৈরি সোয়েটার নিজ জেলা ছাড়িয়ে পৌঁছেছে আশপাশের জেলাগুলোয়ও। মিতালী খীসা ভারত প্রত্যাগত শরণার্থী থাকাকালে কাজ শিখেছিলেন ভারতের আগরতলায়। মিতালী চাকমার ক্ষোভ, সারা দেশে যেখানে এই ঋণ পাওয়া সহজ; সেখানে পার্বত্য অঞ্চলে কঠিন। কী কারণে এই ঋণ সহজতর হচ্ছে না; তা কেউ খুলে বলছেন না।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, খাগড়াছড়ির নারী উদ্যোক্তারা পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে শিল্প উন্নয়ন ঘটাতে পারছে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা সত্ত্বেও এখনকার ব্যাংকগুলো নারীদের জন্য ভালো পরিমাণের ঋণ সহায়তা দিচ্ছে না। বিসিক কোনো ঋণই দেয় না। এ ছাড়া বহু উদ্যোক্তার জানাও নেই কিভাবে এসএমই ঋণ নিতে হয়।

এ ব্যাপারে সোনালী ব্যাংকের খাগড়াছড়ি শাখার ব্যবস্থাপক প্রীতি কুসুম চাকমা বলেন, ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তাদের জন্য এসএমই ঋণ দেওয়া হয় না, তথ্যটি ঠিক নয়। তবে জামানতসহ কিছু নিয়ম-কানুনের কারণে অনেকে এসএমই ঋণ নিতে পারে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। ব্যাংক ব্যবস্থাপক আরো জানান, ২০১০ সাল থেকে ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তাদের জন্যে এই ঋণের ব্যবস্থা চালু রয়েছে। ইতিপূর্বে ১০-১২ জনকে তা দেওয়া হয়েছে। আরো বেশ কয়েকজনকে এই ঋণ দেওয়ার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


মন্তব্য