kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


কম্পানির নির্বাহী পদে সাফল্য তাদেরই

বাণিজ্য ডেস্ক   

৮ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



কর্মক্ষমতায় নারীর চেয়ে পুরুষকেই এগিয়ে রাখা হয়ে অনেক ক্ষেত্রে। আর সে কারণেই এখনো বিশ্বের বড় বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে নারীর চেয়ে পুরুষের আধিক্য বেশি।

এমনকি এ তফাৎ কম্পানির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আরো বেশি। তবে গবেষণা প্রতিবেদন বলছে ভিন্ন কথা।

সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, কমপক্ষে ৩০ শতাংশ নির্বাহী পদে নারীদের নিয়োগ দেওয়ার মাধ্যমে কম্পানিগুলো মুনাফা প্রায় ৬ শতাংশ বাড়াতে পারে। বিশ্বের ৯১ দেশের প্রায় ২২ হাজার কম্পানির ওপর গবেষণা চালায় পিটারসন ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিকসের গবেষকদল।

গবেষণা প্রতিবেদনের অন্যতম লেখক টাইলার মোরেন। বলেন, ‘যদি আপনি একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা হন এবং সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও নারীদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করেন, তাহলে বলতে হবে সেরা নেতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে আপনি ভুল পদক্ষেপ নিয়েছেন। ’ তিনি বলেন, কোনো কম্পানিকে এগিয়ে নিতে প্রয়োজন বুদ্ধিমত্তা ও সঠিক নেতৃত্ব, সেটি নারী-পুরুষ যে কারো কাছ থেকেই আসতে পারে।

গবেষণায় দেখা যায়, কম্পানির শীর্ষ পর্যায়ে নারীদের নিয়োগ দেওয়া হলে প্রতিষ্ঠানের কর্মক্ষমতাও অনেকখানি বেড়ে যায়। তবে দেখা গেছে, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা বোর্ড পরিচালক নারী হলে কম্পানির নিচের পর্যায়ে তার কোনো উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়ে না।

গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত সব কম্পানিই যে নারীদের নেতৃত্ব বিকাশের সমান সুযোগ দিয়েছে, তা কিন্তু নয়। তবে প্রতিষ্ঠানের আকার ও জাতীয় নীতির মতো বেশ কিছু বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে অনেকেই নারী ব্যবস্থাপক নিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, বড় কম্পানিগুলো পরিচালনা পরিষদে ও নির্বাহী পর্যায়ে নারীদের বেশি সুযোগ দিয়েছে।

গবেষণাটিতে অর্থায়ন করা পেশাদার সেবা কম্পানি ইওয়াইয়ের মুখপাত্র কেরিন টোয়ারোনাইট বলেন, ‘এর মাধ্যমে আধুনিক কর্মক্ষেত্রের সুফলের বিষয়টিই সামনে চলে এসেছে, যেখানে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবার সমান সুবিধা নিশ্চিত হবে। ’ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বর্তমানে প্রতি ১০টির মধ্যে তিনটি কম্পানিতে নির্বাহী পদে বা পরিচালনা বোর্ডে কোথাও কোনো নারী প্রতিনিধি নেই। হিন্দুস্তান টাইমস।


মন্তব্য