শ্রম ফাউন্ডেশনের তহবিল শত কোটি টাকা-332948 | শিল্প বাণিজ্য | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

শুক্রবার । ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১৫ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৭ জিলহজ ১৪৩৭


শ্রম ফাউন্ডেশনের তহবিল শত কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৭ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্প আগামীতে বিশ্বে রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। ২০২১ সালের মধ্যে এ দেশের তৈরি পোশাক হবে সবচেয়ে নিরাপত্তামূলক বিনিয়োগ খাত। গতকাল ঢাকার র্যাডিসন হোটেলে এক অনুষ্ঠানে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু এ কথা বলেন।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা-আইএলও এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সংস্থা-আইএফসি আয়োজিত দুই দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আইএলওর কান্ট্রি ডিরেক্টর শ্রীনিবাস বি রেড্ডি এবং আইএফসির কান্ট্রি ম্যানেজার ওয়েনডি ওয়ার্নার বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পে কর্মপরিবেশের উন্নয়ন, মান এবং উত্পাদন বৃদ্ধিতে সরকার, মালিক-শ্রমিক এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে বেটার ওয়ার্ক কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ২০১৪ সাল থেকে বেটার ওয়ার্ক বাংলাদেশ কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার তৈরি পোশাক খাতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করেছে। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো শ্রম বিধিমালা ২০১৫ প্রণয়ন করা হয়েছে। জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি নীতি প্রণয়ন করা হয়েছে। শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন গঠন করা হয়েছে। ফাউন্ডেশনের বর্তমান তহবিল ১২০ কোটি টাকা। সরকার, শ্রমিক ও মালিকপক্ষের সমন্বয়ে ত্রিপক্ষীয় ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক স্টেকহোল্ডারদের আস্থায় নিয়ে শ্রম আইন বাস্তবায়নে প্রশংসনীয় সফলতা অর্জন করেছে। ফলশ্রুতিতে গত দুই বছরে শ্রম পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য অবনতির কোনো ঘটনা ঘটেনি। মালিক-শ্রমিক, ক্রেতা-বিক্রেতা সবাই উন্নত কর্মপরিবেশের সফলতা ভোগ করছে।

শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর দেওয়া তথ্য মতে, ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত তৈরি পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ২৬.২৬ বিলিয়ন ইউএস ডলার, যা আগের যেকোনো সময়ের রপ্তানি আয়ের থেকে বেশি। এটি এই সরকারের যুগান্তকারী সাফল্য।

মন্তব্য