বিজিএমইএর সদস্যপদ হারাচ্ছে ২০০-331452 | শিল্প বাণিজ্য | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

বুধবার । ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১৩ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৫ জিলহজ ১৪৩৭


বিজিএমইএর সদস্যপদ হারাচ্ছে ২০০ কারখানা

এম সায়েম টিপু   

৩ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



বিজিএমইএর সদস্যপদ হারাচ্ছে ২০০ কারখানা

তৈরি পোশাক খাতের শীর্ষ সংগঠনের (বিজিএমইএ) চার হাজারেরও বেশি সদস্যসংখ্যা হলেও অনেক কারখানাই এখন আর উৎপাদনে নেই। কেউ কেউ আবার অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স এবং জাতীয় কর্মপরিকল্পনা মোতাবেক কারখানা সংস্কার করতে না পারায় ব্যবসা পরিবর্তন করে ফেলছে। যার ফলে ওই সদস্য কারখানাগুলোকে বিজিএমইএ বারবার সদস্যপদ নবায়নের জন্য তাগাদা দিলেও বেশির ভাগ পোশাক কারখানাই সদস্যপদ নবায়নে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। এমন প্রায় ২০০ কারখানার সদস্যপদ বাতিল করছে বিজিএমইএ

গতকাল মঙ্গলবার বিজিএমইএর এক কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে জানান, সদস্যপদ নবায়নের সময়সীমা গত রবিবার শেষ হলেও অনেক পোশাক কারখানা এখনো তাদের সদস্যপদ নবায়ন করেনি। তাই সময়সীমা আবারও আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে কর্তৃপক্ষ।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিজিএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ নাসির কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিজিএমইএর সদস্যসংখ্যা চার হাজার ২০০ হলেও এর মধ্যে অনেক সদস্য কয়েক বছর ধরে তাদের সদস্যপদ নবায়ন করছে না। এমন প্রায় ২০০ সদস্য কারখানার সদস্যপদ আগামী বোর্ডসভায় সর্বসম্মতিতে বাতিল করা হতে পারে। এর আগেও আমরা ৭৮টি কারখানার সদস্যপদ বাতিল করেছি।’

মোহাম্মদ নাসির আরো বলেন, ‘এসব কারখানার মালিকরা তৈরি পোশাকশিল্পের সংস্কারকাজসহ নানা প্রতিকূলতার জন্য ব্যবসা পরিবর্তন করছে।’ মোহাম্মদ নাসির জানান, রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর এই খাতের শিল্পোদ্যোক্তারা দেশি-বিদেশি নানা চাপে পড়ে ব্যবসা পরিবর্তনে বাধ্য হচ্ছে।

তবে বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি সালাম মুর্শেদীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তৈরি পোশাক খাতে নতুন কোনো দুর্ঘটনা যেন না ঘটে সে জন্য বিজিএমইএর এই সতর্ক পদক্ষেপ। কারণ রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর পোশাকশিল্প ঘুরে দাঁড়ালেও যেকোনো সময় ছোটখাটো দুর্ঘটনা আবার এ খাতে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। তাই পোশাক খাতের ক্রেতা জোট অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স এবং জাতীয় কর্মপরিকল্পনা মোতাবেক যেসব কারখানা সংস্কার করতে পারছে না সেগুলোরই সদস্যপদ বাতিল করছে বিজিএমইএ। এদিকে শনিবার বিজিএমইএর মহাসচিব সদস্যপদ নবায়নে নতুন সময়সীমার কথা উল্ল্লেখ করে একটি নির্দেশনা জারি করেন। এতে বলা হয়, ১৫ মার্চের পর সময় আর বাড়ানো হবে না। সদস্যপদ নবায়নে সভাপতি বরাবর আবেদন, হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স, সর্বশেষ আয়করের প্রত্যয়নপত্র, বিজিএমইএর সদস্যপদের মূল সনদ (২০১৫ সালের) জমা দিতে হবে।

সদস্যপদ নবায়নে ৫২ থেকে ১০০ মেশিনের কারখানার ক্ষেত্রে পাঁচ হাজার টাকা, ১০১ থেকে ২০০ মেশিনের কারখানার জন্য সাত হাজার টাকা ও ২০০ মেশিনের বেশি আছে এমন কারখানার জন্য ১২ হাজার টাকা ফি জমা দিতে হবে।

মন্তব্য