kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


আড়াই হাজার কেজি মধু বিক্রি মেলায়

জামাল হোসেইন   

২ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



আড়াই হাজার কেজি মধু বিক্রি মেলায়

ফার্মগেটের খামারবাড়ীতে মৌ মেলার শেষ দিনে স্টলগুলোতে দর্শনার্থীর ভিড় দেখা গেছে। ছবি : কালের কণ্ঠ

‘তিন দিনের মৌ মেলায় দুই হাজার ৬০০ কেজি মধু বিক্রি হয়েছে, যার মূল্য ১০ লাখ ৬২ হাজার ২৯০ টাকা। মেলা উপলক্ষে মধু বিক্রিতে অনেক ছাড় দিয়েছে বিক্রেতারা।

তাই টাকার অঙ্কটা একটু কম মনে হতে পারে। তবে আমরা খামারি ও ক্রেতাদের কাছ থেকে যে সাড়া পেয়েছি, তাতে আগামী বছর খামারিদের আগ্রহ আরো বেড়ে যাবে’, গতকাল বিকেলে মৌ মেলা শেষে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক (হর্টিকালচার উইং) কুদরত-ই-গনি এসব কথা বলেন।

কুদরত-ই-গনি আরো বলেন, এবারই প্রথম রাজধানীর ফার্মগেটের খামারবাড়ীতে মৌ মেলা অনুষ্ঠিত হলো। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এ মেলায় ৩৬টি স্টল অংশগ্রহণ করে। মেলায় সাধারণ ক্রেতাদের উপস্থিতিও ছিল সন্তোষজনক। এ জন্য খামারিরা খুবই সন্তুষ্ট। গত ২৮ ফেরুয়ারি শুরু হওয়া মেলা শেষ হয় গতকাল।

মেলায় বনরাজ মৌ খামারের মালিক গোলাম ফারুক বলেন, ‘এখানে মানুষ এসে বেশিক্ষণ থাকে না। তার পরও মানুষের অভাব নেই। সবাই এসে মধু নিয়ে যাচ্ছে। পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়েও এত ক্রেতা জোগাড় করতে পারতাম না। তাই মেলায় এসে অনেক লাভবান হয়েছি। মানুষ আমাদের মধু সম্পর্কে জানতে পারছে, যা পরবর্তী সময়ে অনেক কাজে লাগবে। ’

জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত মতি মধুর স্বত্বাধিকারী বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘মেলায় প্রচুর মধু বিক্রি হয়েছে। তবে সবচেয়ে বড় কথা হলো, এর মাধ্যমে আমাদের সম্পর্কে মানুষ জানতে পেরেছে। আর আমরা কোন প্রক্রিয়ায় মধু উত্পাদন করি, মানুষকে তা দেখাতে পেরেছি। মানুষের মধ্যে মধু সম্পর্কে যে নেতিবাচক ধারণা ছিল, এ মেলার মাধ্যমে তা দূর করা সম্ভব হয়েছে। ’

সাতক্ষীরার কলারোয়া থেকে মেলায় স্টল নেওয়া মেসার্স শিমু এন্টারপ্রাইজের অন্যতম অংশীদার রুহুল আমিন বলেন, ‘খাঁটি মধু নিয়ে মানুষের মধ্যে এক ধরনের আস্থাহীনতা রয়েছে। বেচাকেনা বড় কথা নয়, আমরা মেলায় এসে মানুষের সেই আস্থা ফিরিয়ে আনতে পেরেছি বলেই আমার বিশ্বাস। মানুষ এখন জানতে পেরেছে কিভাবে মধু সংগ্রহ করা হয়। আর কোথায় খাঁটি মধু পাওয়া যায়। মেলা থেকে এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় পাওয়া। ’


মন্তব্য