kalerkantho


টাঙ্গাইলে আখ চাষে সাফল্য

অরণ্য ইমতিয়াজ, টাঙ্গাইল   

২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



 

টাঙ্গাইলে এবার আখ চাষে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন চাষিরা। ফলন ভালো হওয়ায় ক্ষেত থেকে আগেভাগেই আখ কেটে বাজারে তুলছেন তাঁরা। বাজারমূল্যও পাচ্ছেন ভালো। আখের আশানুরূপ দাম পেয়ে সন্তুষ্ট আখ চাষিরা।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়নের ধরেরবাড়ী এলাকার চাষি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘এ বছর আমি এক বিঘা জমিতে আখ চাষ করেছি। এতে আমার খরচ হয়েছে চারা কেনা, হাল চাষ, শ্রমিক খরচসহ সব মিলিয়ে ২৫ হাজার টাকা। আশা করছি আখ বিক্রি করে ৫০ হাজার টাকা পাব।

চাষি শয়ান মিয়া বলেন, ‘এ বছর আমি দেড় বিঘা জমিতে আখ চাষ করেছি। এর মধ্যে ৪ শতাংশ জমিতে আখের ফলন একটু খারাপ হয়েছে। তবে বাজারে আখের দাম ভালো হওয়ায় আমি লাভবান হতে পারব।’ বাঘিল এলাকার চাষি রোকন হোসেন খোকা বলেন, বাঘিল ইউনিয়নের ধরেরবাড়ী, পিচুরিয়া, কৃষ্ণপুর, টাবলাপাড়া এলাকায় প্রায় ১০০ বিঘা জমিতে আখ চাষ করেছি। এসব এলাকায় আখের বাম্পার ফলন হয়েছে।

টাঙ্গাইল জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, এ বছর টাঙ্গাইলে ৫৫৯ হেক্টর জমিতে আখের চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ২৬০ হেক্টর, বাসাইল উপজেলায় ১ হেক্টর, কালিহাতী উপজেলায় ১৮ হেক্টর, ঘাটাইল উপজেলায় ২০ হেক্টর, নাগরপুর উপজেলায় ১০০ হেক্টর, মির্জাপুর উপজেলায় ৩২ হেক্টর, মধুপুর উপজেলায় ১৬ হেক্টর, ভুঞাপুর উপজেলায় ৬০ হেক্টর, গোপালপুর উপজেলায় ১৪ হেক্টর ও দেলদুয়ার উপজেলায় ৩৮ হেক্টর জমিতে আখের চাষা হয়েছে। সখীপুর ও ধনবাড়ী উপজেলায় আখের চাষ করা হয়নি।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানান, আখ ক্ষেতে সাথী ফসল আবাদ করে তা থেকে আখ চাষের খরচ উঠে আসে। পরে আখ বিক্রির টাকা এককালীন লাভ হিসেবে চাষিরা পেয়ে যায়। এবার আখের আবাদ ভালো হয়েছে। তবে মাঝখানে লালপচা রোগ দেখা দিয়েছিল। সেটা দেখা না দিলে কৃষক আরো লাভবান হতে পারত।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল রাজ্জাক বলেন, এ বছর আখ চাষের বাম্পার ফলন হয়েছে। আখ বিক্রি করে লাভবান হচ্ছে চাষিরা।

 



মন্তব্য