kalerkantho


শেয়ারবাজার নিয়ে ওয়ারেন বাফেট

‘অন্যরা যখন ভীত আপনি লোভী হোন’

বাণিজ্য ডেস্ক   

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



‘অন্যরা যখন ভীত আপনি লোভী হোন’

২০১৬ সালে বছরজুড়ে শেয়ারবাজারে অস্থিরতা দেখা গেলেও বছরের শেষে এসে দারুণ ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে এ বাজার। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম ১০০ দিনের পরিকল্পনা ঘোষণার পরই এ বাজার ঊর্ধ্বমুখী হয়ে ওঠে।

গত বছর এফটিএসই ১০০ বেড়েছে ১৪.৪ শতাংশ, বছর শেষে এ সূচক নতুন রেকর্ড গড়ে হয় সাত হাজার ১৪৩ পয়েন্ট। তবে গত বছরের শেষ সময়টি ভালো গেলেও ২০১৭ সালকে ভালো চোখে দেখছেন না বিনিয়োগকারীরা। ব্রেক্সিট ও ট্রাম্প ইস্যুতে অর্থবাজারে অনিশ্চয়তা ও অস্থিরতার আশঙ্কা করছেন তাঁরা।

বিশেষ করে ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন একের পর এক নির্বাহী আদেশ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে দারুণ অস্থিরতা তৈরি করছেন। একই সময়ে ইউরোপের জার্মানি, ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডসের নির্বাচনকে ঘিরেও উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে, যা অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যদিকে উদ্বেগ রয়েছে চীনের শ্লথ প্রবৃদ্ধি নিয়েও। ফলে এ বছর শেয়ারবাজারে অর্থ লগ্নি করা নিয়ে বিনিয়োগকারীরা যখন কিছুটা ভীত তখন বিলিয়নেয়ার ওয়ারেন বাফেটের পরামর্শ হচ্ছে, ‘আপনি লোভী হোন যখন অন্যরা ভীত, আর অন্যরা যখন লোভী তখন আপনি ভীত থাকেন। ’ এটাই সম্ভবত ২০১৭ সালের জন্য সবচেয়ে বড় উপদেশ। বাফেটের কথা কতটুকু বাস্তবসম্মত এর প্রমাণ গত বছরও পাওয়া গেছে।

গত বছরের বিশ্লেষণে অনেকেই বলেছেন শেয়ারবাজারে তেল কম্পানিগুলোর দাম কমবে, ফলে এ খাতে বিনিয়োগ না করাই ভালো। ফলে আতঙ্কিত অনেক বিনিয়োগকারী তেল কম্পানিগুলোকে এড়িয়ে চলেছেন। এতে শেল ও বিপির শেয়ারের দাম পড়ে কয়েক বছরে সর্বনিম্ন হয়েছে। কিন্তু বছর শেষে যেন তেল কম্পানিগুলো ঘুরে দাঁড়াতে লাগল। তেলের দামে পুনরুদ্ধার ঘটায় শেয়ারবাজারেও এর প্রতিফলন দেখা যায়। বছর শেষে দেখা যায় শেলের শেয়ারের দাম বেড়েছে ৫৩ শতাংশ এবং বিপির দাম বেড়েছে ৪৪ শতাংশ। ফলে আতঙ্কের সময় যাঁরা এ খাতে বিনিয়োগ করেছেন তাঁরাই লাভবান।

এমনকি আমেরিকান নির্বাচনে নিজের পছন্দের দল ডেমোক্রেট হারার পরও শেয়ারবাজারে হতাশ হননি বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী ওয়ারেন বাফেট। রয়টার্স, ফুল ডটকম ডট ইউকে।


মন্তব্য