kalerkantho


স্যামসন এইচ চৌধুরী স্মরণে সম্মেলন

ঔষধশিল্পে আরো সহায়তা চাই

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



ঔষধশিল্পে আরো সহায়তা চাই

সম্মেলনে দুজন উদীয়মান চিকিৎসাবিজ্ঞানীকে পুরস্কৃত করা হয়

দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে স্থানীয় ঔষধশিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো আধিপত্য বিস্তার করলেও বিশ্ববাজারে নানা রকম প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়ছে। বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের ঔষধশিল্পের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে আরো নীতি সহায়তা প্রয়োজন বলে মনে করেন এ খাতসংশ্লিষ্টরা।

গতকাল শনিবার রাজধানীর ঢাকা ক্লাবের স্যামসন এইচ চৌধুরী সেন্টারে আয়োজিত দিনব্যাপী সম্মেলনে বক্তারা এসব কথা বলেন। ঔষধশিল্পের অন্যতম পথিকৃৎ ও স্কয়ার গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত স্যামসন এইচ চৌধুরী স্মরণে এই স্মৃতি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

গতকাল একটি অধিবেশনে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের এমডি তপন চৌধুরী বলেন, ‘দেশে ওষুধের ৯৫ শতাংশ প্রয়োজন আমরা পূরণ করছি। বৈশ্বিক বাজারে আমাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। দুর্ভাগ্যজনক হলো, সরকারি নীতি আমাদের খুব বেশি সহায়তা করছিল না। বিশ্বের বিভিন্ন বাজারে বিভিন্ন ধরনের ফি আমাদের পরিশোধ করতে হয়, কিন্তু দেশে প্রচলিত নিয়মে এটা সহজ ছিল না। বাংলাদেশ ব্যাংককে আমরা বোঝাতে সক্ষম হয়েছি, তাই প্রথমবারের মতো সরকার আমাদের অনুমোদন দিয়েছে। এভাবে আমাদের আরো সহযোগিতা করতে হবে। ’

‘কমন টেকনিক্যাল ডকুমেন্টস অ্যান্ড এক্সপেকটেশনস অব রেগুলেটরি অথরিটিস’ শীর্ষক অধিবেশনের সঞ্চালনায় ছিলেন ঔষধ প্রশাসনের পরিচালক মো. রুহুল আমিন এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক ছিলেন ড. মো. জহিরুল ইসলাম খান।

তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনের বিষয় ছিল ‘প্রিপেয়ার্ডনেস অব বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি ফর দ্য ফিউচার পোটেনশিয়ালস অ্যান্ড চ্যালেঞ্জেস’। আলোচনা করেন বেক্সিমকো ফার্মার এমডি নাজমুল হাসান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মুস্তাফিজুর রহমান, বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান এবং স্কয়ার ফার্মার এমডি তপন চৌধুরী।

দিনব্যাপী আয়োজনের শেষ পর্বে স্যামসন এইচ চৌধুরী অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয় তরুণ বিজ্ঞানীদের। এ পুরস্কার প্রদান করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

পুরস্কারপ্রাপ্ত বিজ্ঞানীরা হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিন প্রকৌশল ও জীব প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আবুল বাসার মীর মো. খাদেমুল ইসলাম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুজীব বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মনোয়ারা সুলতানা।


মন্তব্য