kalerkantho


বিমানের যাত্রী বাড়লেও মুনাফা কমেছে

বাণিজ্য ডেস্ক   

৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



বিমানের যাত্রী বাড়লেও মুনাফা কমেছে

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের যাত্রী পরিবহন বাড়লেও মুনাফা কমেছে। গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বিমান কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে ২৭৬ কোটি টাকা।

এর আগের অর্থবছর ২০১৪-১৫-তে কর-পরবর্তী মুনাফার পরিমাণ ছিল ৩২৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরে ৪৮ কোটি টাকা মুনাফা কমেছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বিমান রাষ্ট্রীয় কোষাগারে রাজস্ব কর জমা দিয়েছে ৩১০ কোটি টাকা। এক বিজ্ঞপ্তিতে বিমান এই খবর জানিয়েছে।

সেখানে আরো বলা হয়, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বিমান যাত্রী বহন করেছে ২৩ লাখ ১৮ হাজার জন। যা পূর্ববর্তী অর্থবছরে ছিল ২০ লাখ ২০ হাজার জন। তবে কার্গো পরিবহন খাতে বিমান ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৪০ হাজার ৯০০ মেট্রিক টন মালামাল পরিবহন করেছে। যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের চেয়ে ৭ শতাংশ কম। মূলত ২০১৬ সালের ৮ মার্চ যুক্তরাজ্য সরকার কার্গো পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা জারি করলে কার্গো পরিবহন তুলনামূলক কিছুটা কমে যায়।

২০১৫-১৬ অর্থবছরে বিমান হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার নিজস্ব ফ্লাইট ছাড়াও ২৬টি বৈদেশিক এয়ারলাইনসের ১৮ হাজার ৬২৮টি ফ্লাইট হ্যান্ডলিং করেছে। বর্তমানে বিমানবহরে রয়েছে বোয়িংয়ের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির চারটি ব্র্যান্ড নিউ বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর ও দুটি ব্র্যান্ড নিউ বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এয়ারক্রাফট।

তা ছাড়া বহরে রয়েছে দীর্ঘমেয়াদি লিজে সংগ্রহকৃত দুটি বোয়িং ৭৭৭-২০০ এবং দুটি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ ও অভ্যন্তরীণ গন্তব্যের জন্য দুটি ড্যাশ-৮ কিউ ৪০০ এয়ারক্রাফট। ২০১৮ ও ২০১৯ সালে বিমানবহরে যুক্ত হচ্ছে বিশ্বের সর্বাধুনিক ব্র্যান্ড নিউ চারটি বোয়িং ড্রিমলাইনার ৭৮৭। ইতিমধ্যে বিমান বোয়িং সংগ্রহকৃত ছয়টি এয়ারক্রাফটের ক্রয়াদেশের বিপরীতে নিজস্ব অর্জিত আয় থেকে এক হাজার ২০০ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে। বর্তমানে বিমান ১৫টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে যায়।


মন্তব্য