kalerkantho


সাপ্তাহিক শেয়ারবাজার

যেভাবে উত্থান সেভাবেই পতন পুঁজিবাজারে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



যেভাবে উত্থান সেভাবেই পতন পুঁজিবাজারে

গত বছরের ডিসেম্বরের শুরু থেকেই পুঁজিবাজারে ঊর্ধ্বমুখী লক্ষণ দেখা যায়। সেই সময়ে ৫০০ কোটি থেকে ৬০০ কোটি টাকা লেনদেন ক্রমাগতভাবে বাড়তে বাড়তে দুই হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়।

তবে কোনো বিরতি না দিয়ে ঊর্ধ্বমুখিতা স্থায়ী হয়নি। ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত একটানা ঊর্ধ্বমুখিতার পর আবারও পতন শুরু হয়। তরতর করে বাড়তে থাকা লেনদেন ও সূচক আবারও পেছনে ফিরে আসে। এক সপ্তাহে ২৯ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি সময়ে পাঁচ কার্যদিবসে তলানিতে নেমেছে পুঁজিবাজারের সব সূচক। লেনদেন, মূল্যসূচক ও বাজার মূলধন ‘অস্বাভাবিক’ হারেই কমেছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাপ্তাহিক হিসাব পর্যালোচনায় দেখা যায়, আগের সপ্তাহের তুলনায় এই সপ্তাহে লেনদেন কমেছে ৪৪.৫৯ শতাংশ, প্রধান সূচক কমেছে ৪.৫১ শতাংশ আর বাজার মূলধন কমেছে ৩.২১ শতাংশ। যদিও আগের সপ্তাহে লেনদেন বেড়েছিল। তবে ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহ ৪ থেকে ৮ ডিসেম্বর থেকেই ক্রমাগত উত্থানে ফিরে পুঁজিবাজার। ওই সপ্তাহে সাপ্তাহিক লেনদেন বৃদ্ধি পায় ২০.৮৩ শতাংশ।

পরের সপ্তাহ ১১-১৫ ডিসেম্বরে বৃদ্ধি পায় ৪.৯৪ শতাংশ, ১৮-২২ ডিসেম্বর সময়ে বৃদ্ধি পায় ২.৩৪ শতাংশ, ২৬-২৯ ডিসেম্বরে বাড়ে ১৫.০২ শতাংশ, ১-৫ জানুয়ারিতে বাড়ে ১৬.৯৫ শতাংশ, ৮-১২ জানুয়ারিতে বাড়ে ১৩.৫৬ শতাংশ, ১৫-১৯ জানুয়ারি বাড়ে ২৫.৭৫ শতাংশ। তবে ২২-২৬ জানুয়ারি সপ্তাহে লেনদেন কমে ৩.৫৮ শতাংশ। চলতি সপ্তাহে এই লেনদেন আরো বেশিই কমেছে।

গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪ হাজার ৭৯৬ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। যা আগের সপ্তাহের চেয়ে তিন হাজার ৮৬ কোটি টাকা কম। শতকরা হিসাবে ৪৪.৪৯ শতাংশ। এই সপ্তাহে প্রতিদিনই গড়ে লেনদেন হয় ৯৫৯ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। তবে আগের সপ্তাহে এই লেনদেন ছিল এক হাজার ৭৩১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। লেনদেন হওয়া কম্পানির শেয়ারের মধ্যে ৯৫.০৫ শতাংশ ছিল মৌল ভিত্তির এ ক্যাটাগরির, ২.৬৯ শতাংশ ছিল বি ক্যাটাগরির, ১.০৯ শতাংশ ছিল নতুন তালিকাভুক্ত কম্পানির আর ১.১৭ শতাংশ ছিল দুর্বল ভিত্তির জেড ক্যাটাগরির। এই সপ্তাহের ডিএসইর প্রধান সূচক কমেছে ২৫৩ পয়েন্ট বা ৪.৫১ শতাংশ। শরিয়াহ সূচক কমেছে ৩৮ পয়েন্ট বা ২.৯২ শতাংশ আর ডিএসই-৩০ সূচক ৮২ পয়েন্ট বা ৪ শতাংশ কমেছে। লেনদেন হওয়া ৩৩১টি কম্পানির মধ্যে ২৮১টির বা ৮৪ শতাংশ কম্পানির শেয়ার দাম কমেছে।


মন্তব্য