kalerkantho

যুদ্ধের ময়দানে

ফারজানা নিপা

১৬ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০



যুদ্ধের ময়দানে

ময়দানে সৈন্যদের খোঁজ নিতে গিয়ে জেনারেল বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ করলেন, একজন সৈন্যও উপস্থিত নেই। কিছুক্ষণ পর হাঁপাতে হাঁপাতে এক সৈন্য এসে হাজির।

—কী কারণে দেরি হলো?

জেনারেল জানতে চাইলেন।

—স্যার, ডেট-এ গিয়ে দেরি হয়ে গেছে। আসার পথে শেষ বাসটাও ধরতে পারলাম না, ট্যাক্সি ক্যাবকে থামতে বললাম, থামল না। একটা ফার্মে গিয়ে একটা ঘোড়া কিনে রওনা দিলাম। মাঝপথে সেটি মারা গেল। এরপর বাকি ১০ কিলোমিটার দৌড়াতে দৌড়াতে এসেছি।

অজুহাতটা জেনারেলের মনঃপূত হলো না। তার পরও যেহেতু সে এসেছে, তাই তাকে ছেড়ে দিলেন। এরপর আরো আটজন সৈন্য হাঁপাতে হাঁপাতে এলো।

—কী কারণে দেরি হলো? জেনারেল জানতে চাইলেন।

—স্যার, ডেট-এ গিয়ে দেরি হয়ে গেছে। আসার পথে শেষ বাসটাও ধরতে পারলাম না। ট্যাক্সি ক্যাবকে থামতে বললাম, থামল না। একটা ফার্মে গিয়ে একটা ঘোড়া কিনে রওনা দিলাম, মাঝপথে সেটা মারা গেল। এরপর বাকি ১০ কিলোমিটার দৌড়াতে দৌড়াতে এসেছি।

সবাই এই অজুহাত দিল। জেনারেল তাদের অজুহাতে ভারি সন্দিহান হয়ে পড়লেন। কিন্তু যেহেতু এই অজুহাতের কারণে প্রথম জনকে ছেড়ে দিয়েছেন, তাই তিনি তাদেরও ছেড়ে দিলেন।

একটু পর আরেক সৈন্য হাঁপাতে হাঁপাতে এলো।

—কী কারণে দেরি হলো? জেনারেল জানতে চাইলেন।

—স্যার, ডেট-এ গিয়ে দেরি হয়ে গেছে। আসার পথে শেষ বাসটাও ধরতে পারলাম না, ট্যাক্সি ক্যাবকে থামতে বললাম...

—আচ্ছা, থাক থাক, আর বলতে হবে না। এবার বাকিটা আমি বলি। তুমি ট্যাক্সিকে থামতে বললে, সেটি থামল না। তারপর তুমি একটা ঘোড়া কিনলে...।

—না স্যার, আমি ট্যাক্সি পেয়েছি ঠিকই। কিন্তু একটু দূরে গিয়ে দেখি রাস্তায় অনেক মরা ঘোড়া পড়ে আছে। সেগুলোকে পাশ কাটিয়ে আসতে আসতেই দেরি হয়ে গেল।

 



মন্তব্য