♦ জীবনে কখনো দেখার চেষ্টা করেননি আপনার চেহারাটা আসলে কেমন। অথচ এখন একটু পর পরই আয়নার কাছে গিয়ে নিজেকে দেখেছেন। ♦ আগে মোবাইলে ১০-২০ টাকা রিচার্জ করলেই আপনার সারা মাস চলে যেত। অথচ এখন ডেইলি তিন-চারবার রিচার্জের দোকানে যেতে হয়। ♦ মোবাইলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দিতেন ক্যান্ডি ক্র্যাশ বা ক্ল্যাশ অব ক্ল্যানস গেম খেলতে খেলতে। অথচ এখন আর কোনো গেমসই খেলতে ইচ্ছা করে না। ♦ বড় বড় জোকস শুনলেও আপনার মুখ থেকে হাসি বের হয় না। অথচ এখন কোনো কারণ ছাড়াই আপনি একটু পর পর হেসে ওঠেন। ♦ কাকের মতো কর্কশ কণ্ঠ বলে আপনি ভুলেও কখনো গান গাননি। অথচ এখন কে কী ভাবছে, না ভাবছে— সেসব কেয়ার না করেই নিজে নিজে গুনগুনিয়ে গেয়ে ওঠেন। ♦ রাত ২টা না বাজলে আপনি কখনো রুমের লাইট নেভান না। অথচ এখন ১০টা না বাজতেই লাইট নিভিয়ে মোবাইলে গান শোনেন বা গুনগুনিয়ে কথা বলেন। ♦ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডাবাজি না করলে আপনার চলতই না। অথচ এখন কেমন জানি একা একা থাকতে ইচ্ছা করে। ♦ মোবাইল আর পিসিতে পুরনো সব ছবি, গান, ভিডিও মুছে দিয়ে বেছে বেছে কেবল রোমান্টিক মুভি, গান বা ছবি সেইভ করে রেখেছেন। ♦ তুচ্ছ ঘটনায় অনেক হৈহুল্লোর করে বসেন কিংবা বিশাল কোনো ঘটনাকে তুচ্ছ মনে করে এড়িয়ে চলে যাচ্ছেন। ♦ পার্কে কপোত-কপোতীদের তো বটেই, গাছের ডালে দুটি পাখি একত্রে বসে থাকতে দেখলেও আপনি কোথায় যেন হারিয়ে যান, আপনাকে কেউই খুঁজে পায় না। ♦ একটা সময় এক কাপড়ে আপনি তিন দিন থেকেছেন। অথচ এখন কারণ ছাড়াই একটু পর পর পোশাক চেঞ্জ করতে আপনার ভালো লাগছে। ♦ ঘণ্টায় ঘণ্টায় স্টেটাস না দিলে আপনার শান্তি লাগত না। অথচ এখন সারা দিনেও আপনাকে ফেসবুকে খুঁজে পাওয়া যায় না।