kalerkantho


নদী দখলকারী ভোটে অযোগ্য

ব্যাংক থেকে ঋণও পাবে না ► হাইকোর্টের ঐতিহাসিক রায়

বিশেষ প্রতিনিধি   

৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



নদী দখলকারী ভোটে অযোগ্য

নদ-নদী দখলকারী ব্যক্তিকে দেশের সব ধরনের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে দেশের কোনো ব্যাংক থেকে ঋণ পাওয়ারও অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে। এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও বাংলাদেশ ব্যাংককে। তুরাগ নদকে জীবন্ত সত্তা ঘোষণা করে দেওয়া রায়ে আদালত ওই সব নির্দেশ দিয়েছেন। এতে বলা হয়েছে, নদী দখল করা অপরাধ। নদী দখলকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করা, তাদের বিচারের আওতায় আনা, কঠিন সাজা ও জরিমানা নির্ধারণের জন্য ২০১৩ সালের জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন আইন সংশোধন করতেও নির্দেশ দেন আদালত। ওই আইন সংশোধনের পর গেজেট জারি করে ছয় মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য মন্ত্রিপরিষদসচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল রবিবার এক ঐতিহাসিক রায়ে ওই সব নির্দেশনা দেন। 

আদালত বলেন, বর্তমান আইনে নদী দখল কোনো অপরাধ না হওয়ায় বারবার নদী দখল হয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে যাতে কেউ নদী দখল করতে না পারে সে জন্য কঠিন সাজা ও জরিমানার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। রায়ের কপি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে তিনি (প্রধানমন্ত্রী) নদ-নদী রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে দ্রুত নির্দেশ দিতে পারেন।

তুরাগ নদের দুই পার থেকে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ বিষয়ে জারি করা রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত ৩০ জানুয়ারি রায় দেওয়া শুরু হয়। গতকাল চূড়ান্ত নির্দেশনা দেওয়ার মধ্য দিয়ে রায় ঘোষণা শেষ করেন হাইকোর্ট। মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) করা রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই রায় দেওয়া হলো। আদালত চূড়ান্ত নির্দেশনা দেওয়ার আগে ৩০ ও ৩১ জানুয়ারি বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ দেন।

রায়ে তুরাগ নদকে জীবন্ত সত্তা হিসেবে ঘোষণা করেন আদালত। একই সঙ্গে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনকে তুরাগসহ দেশের সব নদ-নদী, খাল-বিলের আইনগত অভিভাবক হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। আদালত বলেন, সব নদ-নদী, খাল-বিল, জলাশয় ও সমুদ্রসৈকতের সুরক্ষা, সৌন্দর্য বাড়ানো এবং বহুমুখী উন্নয়নে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন বাধ্য থাকবে। নদী রক্ষা কমিশন আইন ২০১৩-এর যেসব বিধান সংশোধনের জন্য কমিশন থেকে প্রস্তাব করা হয়েছে, তা অনতিবিলম্বে বিবেচনা করে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি নদী রক্ষা কমিশনকে একটি স্বাধীন ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায়ে নদী রক্ষায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতি দুই মাসে এক দিন এক ঘণ্টা করে নদীদূষণের ওপর সচেতনতামূলক ক্লাস নেওয়ার ব্যবস্থা নিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দেশের সব দেশি-বিদেশি শিল্প-কারখানার শ্রমিকদের নিয়ে দুই মাস পর পর এক দিন এক ঘণ্টা করে নদী বিষয়ে বৈঠক করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়কে। একই সঙ্গে ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে তিন মাস অন্তর দিনব্যাপী নদীবিষয়ক সেমিনার বা আলোচনাসভা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে সব নদী দখলদারের নাম প্রকাশ করতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ওই তালিকা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায়ে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে নদ-নদীর পার্শ্ববর্তী এলাকায় যেকোনো প্রকল্প গ্রহণ করার ক্ষেত্রে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের কাছ থেকে অনাপত্তিপত্র নিতে হবে। ডিজিটাল ডাটাবেইস তৈরির জন্য স্যাটেলাইটের মাধ্যমে নদ-নদী, খাল-বিল, জলাশয়ের ভৌগোলিক অবস্থান নির্ণয় করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রায়ে। এতে বলা হয়েছে, এসব ডাটাবেইস সব ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা, পৌরসভা, সিটি করপোরেশনে সবার জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে, যাতে দেশের কোনো নাগরিক নির্ধারিত ফি দিয়ে কপি সংগ্রহ করতে পারে। 

তুরাগ দখলকারীদের ৩০ দিনের মধ্যে সব স্থাপনা সরাতে হবে : তুরাগ নদ দখলকারীদের ৩০ দিনের মধ্যে তাদের সব স্থাপনা সরিয়ে নিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রায়ে বলা হয়েছে, অন্যথায় দখলদারদের খরচে সেখান থেকে সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। আদালত বলেন, কমনওয়েলথভুক্ত দেশ হিসেবে রাষ্ট্র নদ-নদী, খাল-বিল, জলাশয়, সমুদ্রসৈকত দেখভালের জন্য একটি ট্রাস্টির ভূমিকা পালন করবে। সরকার কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে এই সম্পদ লিজ দিতে পারবে না। সংবিধান অনুযায়ী সরকার বা রাষ্ট্র জনগণের সম্পদ রক্ষা করবে। এর বাইরে যদি কাউকে লিজ দেয়, তবে তা বাতিল হিসেবে গণ্য হবে। এ কারণেই সাজিদ ওয়াশিং গ্রুপের লিজ দলিল বাতিল করা হলো। অন্যরা অবৈধ দখলদার কি না, তা দেওয়ানি আদালতে বিচার্য বিষয়।

রায়ে বলা হয়, ‘ভুলের কারণে যদি নদ-নদীর জায়গা ব্যক্তির নামে নামজারি হয়েও থাকে, তবে আজ থেকে তা বাতিল হয়ে গেল।’ এ মামলা চলমান তদারকিতে থাকবে বলেও রায়ে উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়, ‘ভবিষ্যতে রায় নিয়ে বা নদী দখল নিয়ে কোনো প্রশ্ন উঠলে যাতে আদালতে আসতে পারেন সে জন্য এটা ম্যান্ডামাস (চলমান) হিসেবে থাকবে।’

‘যুগান্তকারী রায়’ : গতকাল রায়ের পর রিট আবেদনকারীপক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটি আমাদের নদ-নদী রক্ষায় একটি ঐতিহাসিক রায় হিসেবে পরিগণিত হবে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা শুধুই অবৈধ দখলদার উচ্ছেদের জন্য রিট আবেদন করেছিলাম। আদালত নদী রক্ষায় অনেক বেশি চিন্তা করে রায় দিয়েছেন।’ তিনি আরো বলেন, ঢাকার চারপাশের চারটি নদী রক্ষায় ২০০৯ সালে হাইকোর্ট একটি রায় দিয়েছিলেন। ওই ঐতিহাসিক রায়ের দীর্ঘদিন পর সারা দেশের নদী রক্ষায় উচ্চ আদালত আরেকটি যুগান্তকারী রায় দিলেন।

রায়ের বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একরামুল হক টুটুল সাংবাদিকদের বলেন, তুরাগ নদের অবৈধ দখলদারদের চিহ্নিত করতে বিচার বিভাগীয় কমিটিকে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে সব সহযোগিতা করা হয়েছে। ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, নদী রক্ষায় সরকার সব সময় সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। তাই পূর্ণাঙ্গ রায় দেখার পর আপিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

নদী রক্ষা না হলে মানবজাতি সংকটে পড়তে বাধ্য : চূড়ান্ত রায়ে বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়ার আগে দুই দিনে আদালত কিছু পর্যবেক্ষণ দেন। আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, মানুষের জীবন-জীবিকা এই নদীর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। নাব্যতা ও বেদখলের হাত থেকে নদীকে রক্ষা করা না গেলে বাংলাদেশ তথা মানবজাতি সংকটে পড়তে বাধ্য। মানবজাতির টিকে থাকার অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে নদী। আদালত বলেন, ‘অবৈধ দখলদাররা প্রতিনিয়তই কমবেশি নদী দখল করছে। অবৈধ স্থাপনা তৈরি করায় সংকুচিত হয়ে পড়ছে নদী। সময় এসেছে আমাদের দেশের সব নদীকে রক্ষা করার। যদি তা না করতে পারি, তাহলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বা পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’

এত রায়-নির্দেশনার পরও কার্যকর পদক্ষেপ নেই : রায়ে বলা হয়, ঢাকার চারপাশে বহমান চার নদী রক্ষায় এর আগে আদালত থেকে যদি কোনো নির্দেশনা দেওয়া না হতো, তাহলে হয়তো বুড়িগঙ্গা নদীর ওপর বহুতল ভবন দেখা যেত। অথবা তুরাগ নদে কোনো অবৈধ দখলদারের হাউজিং এস্টেট থাকত। আদালত আক্ষেপ করে বলেন, কিন্তু এত রায় ও নির্দেশনা দেওয়ার পরও তা সঠিকভাবে বাস্তবায়নে বিবাদীরা কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। আদালতের নির্দেশনা যদি সঠিকভাবে প্রতিপালন করা হতো, তাহলে তুরাগ নদ রক্ষায় হাইকোর্টে আরেকটি মামলা করতে হতো না।

কানামাছি খেলা চলছে : আদালত বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন নদী অবৈধভাবে দখল ও উচ্ছেদ নিয়ে কানামাছি খেলা চলছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করছে প্রশাসন। কিছুদিন পর দেখা যাচ্ছে, সেখানে আবারও অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠছে। আমরা বারবার আদেশ দিচ্ছি; কিন্তু বিষয়টি যে তিমিরে ছিল, সেখানেই রয়ে গেছে। এটি নিয়ে কানামাছি খেলা চলছে। এই খেলা বন্ধ করা উচিত।’ আদালত বলেন, নদী থাকবে, অবৈধ দখলদারও থাকবে। নদী দখল করার মনোবৃত্তিসম্পন্ন লোকের অভাব হবে না। আদালত বলেন, শুধু যে তুরাগ নদই আক্রান্ত তা নয়, গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র, মেঘনা এবং বাংলাদেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত ৪৫০টি নদীও অবৈধ দখলদারদের দ্বারা আক্রান্ত।

আদালতে রিট আবেদনকারীপক্ষে মনজিল মোরসেদকে সহায়তা করেন অ্যাডভোকেট ছারওয়ার আহাদ চৌধুরী, একলাছ উদ্দিন ভুইয়া, রিপন বাড়ৈ ও সঞ্চয় মণ্ডল। বিআইডাব্লিউটিএর পক্ষে ছিলেন সৈয়দ মফিজুর রহমান। রাজউকের পক্ষে ছিলেন মো. ইমাম হাসান। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান, ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার সাকিব মাহবুব, মেহেদী হাসান চৌধুরী ও হারুনর রশীদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একরামুল হক টুটুল, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পুরবী সাহা ও পুরবী শর্মা।

গাজীপুরে তুরাগ নদ ভরাট করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বিষয়ে ২০১৬ সালের ৬ নভেম্বর একটি ইংরেজি দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে পরদিন রিট আবেদন করেছিল এইচআরপিবি। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে একই বছরের ৯ নভেম্বর হাইকোর্ট রুল জারি করেছিলেন। রুলে তুরাগ নদ রক্ষায় বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, ভরাট ও নির্মাণ কাজ বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না এবং এ পর্যন্ত যতটুকু ভরাট ও স্থাপনা নির্মাণ কাজ করা হয়েছে, তা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিজ খরচে অপসারণের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল। এ ছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশনায় তুরাগ নদ ভরাট ও সব ধরনের স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ করতে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। নদী দখল করে ভরাট ও স্থাপনা নির্মাণ কাজের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম-ঠিকানা তিন সপ্তাহের মধ্যে হাইকোর্টে দাখিল করতে গাজীপুরের জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এরপর ওই অবস্থায় আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বিআইডাব্লিউটিএ একটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। এতে বলা হয়, ৯টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় তুরাগ নদের টঙ্গী কামারপাড়া সেতুর দুই পাশে কোনো অবৈধ স্থাপনা আছে কি না, তা তদন্তের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

তুরাগ দখলকারী ৩৬ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান : গাজীপুরের মুখ্য বিচার বিভাগীয় হাকিমকে (সিজেএম) বিষয়টি তদন্ত করে ১ মার্চ হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছিল। বিষয়টি তদন্ত করে ২০১৭ সালের ১৯ অক্টোবর হাইকোর্টে ১০৫ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছিলেন সিজেএম। এতে অবৈধ দখলদার ও দখলকারীদের তালিকা ছিল। ওই তালিকায় থাকা ৩৬টি অবৈধ স্থাপনা ও ব্যক্তি হলেন এনন টেক্স, ড. ফরাসউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয়, কর্ডোড ল্যান্ড ডেভেলপার, প্রত্যাশা হাউজিং, গাজীপুর সিটি করপোরেশন, নার্গিস আক্তার অ্যান্ড সালাহউদ্দিন, মো. জাহাঙ্গীর সিকদার ফ্যাক্টরি, ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান ড্রাইভারস ইউনিয়ন, সেন্ট্রাল মেডিক্যাল কলেজ, আনন্দ গ্রুপ, জরিনা টেক্সটাইল, হা-মীম গ্রুপের সাজিদ ওয়াশিং, বিশ্ব ইজতেমা, শিল্প সম্পর্কিত শিক্ষায়ন, টঙ্গী নিউ মার্কেট (মসজিদ মার্কেট), আনোয়ার গ্রুপ, দ্য মার্চেন্ট লিমিটেড অ্যান্ড প্যাকেজিং ফ্যাক্টরি, টেক্সটাইল মালিক ইমান আলী, রিপন কমিশনার, নোমান গ্রুপের জাবের ও জুবায়ের ফ্যাক্টরিস, অনন্ত গ্রুপ, প্যারাডাইস ওয়াশিং, অতুল পিউরিফিকেশন, ক্যাপ্টেন জাকির হোসেন, রিয়াজ উদ্দিন, ইউনুস মেম্বার, শাহ আলম গং, ফজলু মিয়া, মোসলেম সরকার, রিয়াজ উদ্দিন, লুত্ফা বেগম, ডলি বেগম ও মিন্টু ডি কস্তা।

ওই সব প্রভাবশালী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দখলে থাকা স্থাপনা উচ্ছেদ করতে ২০১৭ সালের ১৩ ডিসেম্বর নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। যদিও আপিল বিভাগ গত বছরের ১৪ জানুয়ারি এক আদেশে স্থাপনা উচ্ছেদে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন এবং হাইকোর্টে রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন। এরই ধারাবাহিকতায় হাইকোর্টে রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি হয়।



মন্তব্য