kalerkantho


আপিল শুনানির প্রথম দিন

প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ৮০ জন নামঞ্জুর ৭৬

বিশেষ প্রতিনিধি   

৭ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ৮০ জন নামঞ্জুর ৭৬

নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানির প্রথম দিনে ১৬০টি আবেদনের মধ্যে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ৮০ জন। আপিল মঞ্জুর হয়নি ৭৬ জনের এবং মুলতবি রয়েছে চারজনের। শুনানিতে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন ৫৯ জন। তাঁদের মধ্যে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ৩৯ জন। আর আবেদন নামঞ্জুর হয়েছে ২০ জনের। গতকাল বৃহস্পতিবার বিএনপির প্রার্থিতা ফিরে পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন—রাজশাহী-১ আসনের সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের মেজর (অব.) মনজুর কাদের, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামান এবং পটুয়াখালী-৩ আসনে সদ্য বিএনপিতে যোগ দেওয়া সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মওলা রনি। আপিলে অনেকের প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় যেসব আসনে বিএনপির প্রার্থী শূন্য হয়ে পড়েছিল, সেগুলো আবার পূরণ হয়েছে।

একই সঙ্গে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে পরিচিত কয়েকজনের আপিল আবেদন নামঞ্জুর হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন চট্টগ্রাম-৫ আসনের সাবেক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সাবেক মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, খাগড়াছড়ির সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া ও নাটোর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। আপিল নামঞ্জুর হওয়াদের মধ্যে বগুড়া-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী, বহুল আলোচিত হিরো আলমও রয়েছেন।  

রুহুল কুদ্দুস তালুকদার শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে বলেন, ‘একই অপরাধে অপরাধী হওয়ার পরেও ২০০৮ সালের নির্বাচনে নাসির, মায়া, বাবর, মহিউদ্দিন আলমগীর নির্বাচন করতে পেরেছেন, কিন্তু আমি পারিনি। আমি তখন জেলে ছিলাম। দণ্ড স্থগিত হওয়াতে জেল থেকে বের হয়েছি। এবার হাজি সেলিম, সাইফুর রহমানের ছেলে নাসের রহমান আমার মতো অবস্থায় থেকে যদি নির্বাচন করতে পারেন, তাহলে আমি কেন পারব না? আমি নির্বাচনে দাঁড়িয়ে কখনো পরাজিত হইনি। এবার আমার প্রার্থিতা বাতিল হওয়াতে ওরা মিষ্টি বিতরণ করেছে। এ অবস্থায় আমার আপিল মঞ্জুর করে নেন।’ কিন্তু তাঁর এই আবেদনের জবাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা বলেন, ‘আমরা আপনার আপিল অ্যাকসেপ্ট করলাম না। আপনি আদালতে যান।’

প্রার্থিতা ফিরে পাওয়া ব্যারিস্টার আমিনুল হকের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল দুর্নীতির মামলার তথ্য গোপনের অভিযোগে। আপিল শুনানিতে তাঁর পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘ওই মামলার তথ্যটি হলফনামায় অন্যভাবে উল্লেখ রয়েছে, যা রিটার্নিং অফিসার বুঝতে পারেননি। এ ছাড়া ওই মামলা থেকে আমিনুল হককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’ নির্বাচন কমিশন বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আপিল মঞ্জুর করেন।

গতকালের আপিল শুনানিতে নির্বাচন কমিশন ক্রেডিট কার্ডে ঋণ খেলাপের কারণে প্রার্থিতা বাতিল হওয়া প্রায় সবার আপিল মঞ্জুর হয়। ওই সব প্রার্থীর কাছে কমিশন জানতে চায়, ক্রেডিট কার্ডের ওই ঋণ পরিশোধ করে এসেছেন কি না। জবাব ইতিবাচক হলে এবং প্রমাণ দেখালেই আপিল মঞ্জুর করা হয়। হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় যাঁরা বাদ পড়েছিলেন তাঁদের আপিলও মঞ্জুর করা হয়। উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে যাঁরা প্রার্থী হয়েও রিটার্নিং অফিসারদের বাছাইয়ে বাদ পড়েছিলেন, তাঁদের প্রার্থিতা ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কমিশন আবেদনকারীদের কাছে জানতে চায়, পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার সঙ্গে সরকারি গাড়িটিও ফেরত দিয়েছেন কি না। যাঁরা প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন তাঁদের সবার উত্তরই এ ক্ষেত্রে ইতিবাচক ছিল। এতে আপিলকারীরা কমিশনের নমনীয় অবস্থানের প্রশংসা করেন।

তবে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে কমিশনকে কঠোর অবস্থানেই দেখা যায়। তাঁদের প্রায় সবাই এক শতাংশ ভোটার সমর্থকদের স্বাক্ষরের গরমিলের কারণে বাদ পড়েন। নির্বাচন কমিশন তাদের কয়েক হাজার ভোটার সমর্থকদের মধ্যে দৈবচয়নের মাধ্যমে ১০ জন ভোটারের স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাই করে গরমিল পায়। তার পরও বেশ কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর করা হয়। বগুড়া-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আব্দুর রউফ মণ্ডলের পক্ষে বলা হয়, ভোটার যাচাইয়ের সময় তাঁর তালিকার মাত্র একজন ভোটারকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। ওই ভোটার রিকশাচালক এবং ঢাকায় থাকেন। এ জন্য তাঁকে পাওয়া যায়নি। প্রয়োজন হলে ওই রিকশাচালক ভোটারকে নির্বাচন কমিশনে হাজির করা হবে। এ অবস্থায় আব্দুর রউফ মণ্ডলের আবেদন মঞ্জুর হয়। গাইবান্ধা চার আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আ. রহিম সরদার যাচাই করা ১০ জন ভোটারকেই নির্বাচন কমিশনে হাজির করেছিলেন। আপিলের সময় তিনি বলেন, ওরা বাইরে অপেক্ষা করছে। নির্বাচন কমিশনে ঢোকার অনুমতি পায়নি। যদি অনুমতি দেন তাহলে তাদের এখানে হাজির করতে পারি। পরে নির্বাচন কমিশনের আদেশে ওই ১০ জন ভোটারকে নির্বাচন ভবনের ১১ তলায় আপিল এজলাসে নিয়ে এসে তাদের স্বাক্ষর পরীক্ষা করে আপিল মঞ্জুর করা হয়। নির্বাচন কমিশনে মোট ৫৪৩টি আপিল আবেদনের মধ্যে গতকাল সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১৬০টি আবেদনের নিষ্পত্তি করা হয়। বাকি আবেদনগুলোর বিষয়ে আজ এবং আগামীকাল শুনানি হবে।

যাঁরা প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন, তাঁদের মধ্যে পটুয়াখালী-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী গোলাম মাওলা রনিও আছেন। সদ্য আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপিতে নাম লেখানো রনির মনোনয়নপত্র গত ২ ডিসেম্বর ‘হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকার’ কারণ দেখিয়ে বাতিল করেছিলেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের টিকিটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া রনির বক্তব্য ছিল, হলফনামায় সই না করাটা ছিল তাঁর ‘সাধারণ ভুল’। এমন ভুলের কারণে অতীতে কখনো কোনো মনোনয়নপত্র বাতিল হয়নি। রনির আইনজীবী বিএনপি নেতা মাহবুব উদ্দিন খোকন দুপুরের দিকে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের বেশ কয়েকজন প্রার্থীর মনোনয়ন ফিরিয়ে দিয়েছে কমিশন। এখন খালেদা জিয়ার মনোনয়ন ফিরিয়ে দেওয়ার ওপর আমাদের সন্তুষ্টি-অসন্তুষ্টি নির্ভর করছে।’

প্রার্থিতা ফিরে পেলেন আরো যাঁরা

বগুড়া-৭-এ বিএনপির প্রার্থী মোরশেদ মিল্টন ওই আসনে খালেদা জিয়ার বিকল্প প্রার্থী। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের পদ থেকে তাঁর পদতাগপত্র গৃহীত না হওয়ার কারণ দেখিয়ে তাঁর প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছিল। ঢাকা-১-এ বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাকের চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদতাগপত্র গৃহীত না হওয়ার কারণ দেখিয়ে মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। ঢাকা-২০-এর বিএনপির প্রার্থী তমিজ উদ্দিন। তারও চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদতাগপত্র গৃহীত না হওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল। জামালপুর-৪-এর ফরিদুল কবির তালুকদার। চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদতাগপত্র গৃহীত না হওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল। কিশোরগঞ্জ-২-এ বিএনপির প্রার্থী  মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল খেলাপি ঋণের জামিনদার হিসেবে ঋণ খেলাপি হওয়া। ঝিনাইদহ-২-এর বিএনপির আব্দুল মজিদ। উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদতাগপত্র গৃহীত না হওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল। পটুয়াখালী-১-এর ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) মো. সুমন সন্যামত। আয়কর রিটার্নের কপি না দেওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল। পটুয়াখালী-৩-এর  বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ শাহজাহান। মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল ঋণখেলাপির অভিযোগে। মাদারীপুর-১-এর জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম মিন্টু। অসম্পূর্ণ ফরম জমা দেওয়ায় এবং স্বাক্ষর ঠিকমতো না থাকায় মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল। সিলেট-৩-এর বিএনপির প্রার্থী আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। মূল হলফনামায় স্বাক্ষর ছিল না। জয়পুরহাট-১-এর বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ ফজলুর রহমান। উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদতাগপত্র গৃহীত না হওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। পাবনা-৩-এর বিএনপির প্রার্থী মো. হাসাদুল ইসলাম। উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদতাগপত্র গৃহীত না হওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল।

মানিকগঞ্জ-২-এর উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদতাগপত্র গৃহীত না হওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। সিরাজগঞ্জ-৩-এর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আয়নুল হক। মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল বিল খেলাপি হওয়ায়। গাজীপুর-২-এর জাতীয় পার্টির জয়নাল আবেদীন। হলফনামায় মামলাসংক্রান্ত তথ্য গোপনের কারণ দেখিয়ে মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬-এর জাতীয় পার্টির জেসমীন নূর বেবী। হলফনামা নোটারি না করায় এবং ২০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প অথবা সমপরিমাণ কোর্ট ফি না দেওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩, জাতীয় পার্টির আব্দুল্লাহ আল হেলাল। মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল পৌর কর পরিশোধ না করার কারণে। রংপুর-৪-এর জাতীয় পার্টির মোস্তফা সেলিম। নির্বাচনী আইনের ব্যত্যয় ঘটানোর কারণ দেখিয়ে মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। হবিগঞ্জ-১-এর বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী জোবায়ের আহমেদ। মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল হলফনামায় সই না থাকায়। ময়মনসিংহ-২-এর স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবু বকর সিদ্দিক। মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল ঋণখেলাপির অভিযোগে। ময়মনসিংহ-৭-এর বিএনপির প্রার্থী জয়নাল আবেদীন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। 

কুড়িগ্রাম-৩-এর বিএনপির আব্দুল খালেক। মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল ঋণখেলাপির অভিযোগে। কুড়িগ্রাম-৪-এর গণফোরামের মো. মাহফুজুর রহমান। মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল ঋণখেলাপির অভিযোগে। কুড়িগ্রাম-৪-এর স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুছ আলী। মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থন না থাকায়। পঞ্চগড়-২-এর বিএনপির ফরহাদ হোসেন আজাদ। হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল।

এ ছাড়া আরো যাঁরা প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন—মানিকগঞ্জ-৩-এর মো. আতাউর রহমান, ময়মনসিংহ-৮-এর এম এ বাশার, ঢাকা-১৪ সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক, কুড়িগ্রাম-৩ আব্দুল খালেক, কুড়িগ্রাম-৪ মো. মাহফুজার রহমান, চট্টগ্রাম-১ নূরুল আমিন, ব্রহ্মণবাড়িয়া-২ মুখলেসুর রহমান, লক্ষ্মীপুর-১ মো. মাহবুব আলম, কুমিল্লা-৫ মো. ইউনুছ, চাঁদপুর-৫ মো. নেয়ামুল বশির, বরিশাল-২ মোয়াজ্জেম হোসেন, চট্টগ্রাম-৩ মোস্তফা কামাল পাশা, রংপুর-১ মো. আসাদুজ্জামান, গাইবান্ধা-৩ মো. আবু জাফর, কুড়িগ্রাম-৪ শাহ আলম, গাইবান্ধা-৩ মো. রফিকুল ইসলাম, গাইবান্ধা-৫ মো. নাজিবুল ইসলাম (শর্ত সাপেক্ষে), যশোর-৬ সাইদুজ্জামান, নড়াইল-২ ফকির শওকত আলী, সিরাজগঞ্জ-৫ আব্দুল্লাহ আল মামুন, নাটোর-৪ আব্দুল আজিজ, সিরাজগঞ্জ-৬ এম এ মুহিত, সিরাজগঞ্জ-৪ আব্দুর রহমান, সিরাজগঞ্জ-৫ মেজর (অব.) মনজুর কাদের, বগুড়া-৫ মো. আব্দুর রউফ মণ্ডল জন, সিরাজগঞ্জ-৬ মো. হাবিবুর রহমান, বগুড়া-২ শফিকুল ইসলাম, বগুড়া-৬ মোহাম্মদ ফয়সাল বিন, রাজশাহী-১ মো. আমিনুল হক, দিনাজপুর-১ মোহাম্মদ হানিফ, গাইবান্ধা-৩ আমিনুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-৮ এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-১০ মো. আনিছুর রহমান, গাইবান্ধা-৪ আব্দুর রহিম সরকার, কুমিল্লা-১১ মো. তাজুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-১৬ মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-৯ মোহাম্মদ দুলাল খান ও ঝিনাইদহ-৩ মো. কামরুজ্জামান স্বাধীন।

যাঁদের আপিল নামঞ্জুর : নাটোর-২ মো. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ নবাব মো. শামসুল হুদা, খাগড়াছড়ির আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, ঝিনাইদহ-১ আবদুল ওহাব, সাতক্ষীরা-২ আফসার আলী, মাদারীপুর-৩ মো. আবদুল খালেক, দিনাজপুর-২ মোকারম হোসেন, দিনাজপুর-৩ সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর-১ মো. পারভেজ হোসেন, ঠাকুরগাঁও-৩ এস এম খলিলুর রহমান, ফেনী-১ মিজানুর রহমান, কিশোরগঞ্জ-৩ ড. মিজানুল হক, ময়মনসিংহ-৪ আবু সাইদ মহিউদ্দিন, নেত্রকোনা-১ মো. নজরুল ইসলাম, পঞ্চগড়-১ মো. তৌহিদুল ইসলাম, ময়মনসিংহ-২ মো. এমদাদুল হক, খুলনা-২ এস এম এরশাদুজ্জামান, ঢাকা-১ মো. আইয়ুব খান, বগুড়া-৩ মো. আব্দুল মুহিত, বগুড়া-৬ এ কে এম মাহবুবুর রহমান, রাঙামাটির অমর কুমার দে, বগুড়া-৪ আশরাফুল হোসেন আলম (হিরো আলম), ঢাকা-১৪ সাইফুদ্দিন আহমেদ, সাতক্ষীরা-১ এস এম মুজিবর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ মো. বশির উল্লাহ, নওগাঁ-৪ মো. আফজাল হোসেন, মৌলভীবাজার-২ মহিবুল কাদির চৌধুরী, ফেনী-৩ হাসান আহমদ, ময়মনসিংহ-১০ মো. হাবিবুল্লাহ, জামালপুর-৪ মোহা. মামুনুর রশিদ, বগুড়া-২ আব্দুল কাশেম, নীলফামারী-৪ মো. আমজাদ হোসেন, নীলফামারী-৩ মো. ফাহমিদ ফয়সাল চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আখতার হোসেন, লক্ষ্মীপুর-২ আবুল ফয়েজ ভূঁইয়া, কুমিল্লা-১০ আবুল কালাম আজাদ, কুমিল্লা-২ মো. সারওয়ার হোসেন, কুমিল্লা-৪ মাহবুবুল আলম, নোয়াখালী-৩ এইচ আর এম সাইফুল ইসলাম, ফেনী-১ মো. নূর আহমদ মজুমদার, গাইবান্ধা-২ মো. মকদুবর রহমান, লালমনিরহাট-১ আবু হেনা মো. এরশাদ হোসেন, গাইবান্ধা-৩ মো. মনজুরুল হক, নীলফামারী-৪ আখতার হোসেন বাদল, লালমনিরহাট-৪ মো. জাহাঙ্গীর আলম, নীলফামারী-৪ মিনহাজুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম-৪ মো. আবুল হাশেম, রংপুর-৫ মমতাজ হোসেন, কুড়িগ্রাম-১ মো. ওসমান গণি, বাগেরহাট-৪ অমিনুল ইসলাম, মাগুরা-২ খন্দকার মেহেদী আল মাসুদ, যশোর-২ সাবেরা সুলতানা, নড়াইল-১ শিকদার মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, যশোর-২ হাজি মোহাম্মদ মহিদুল ইসলাম, সাতক্ষীরা-১ শেখ মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম, বগুড়া-৭ মো. সরকার বাদল, সিরাজগঞ্জ-২ ইকবাল হাসান মাহমুদ, বগুড়া-৪ অধ্যাপক মো. জাহিদুর রহমান, নওগাঁ-২ আব্দুর রউফ মান্নান, নওগাঁ-৫ মো. নজমুল হক, বগুড়া-৭ মো. আব্দুর রাজ্জাক, নাটোর-৪ ডিএম রনি পারভেজ আলম, নাটোর-৪ শান্তি রিবারু, সিরাজগঞ্জ-৩ সাইফুল ইসলাম শিশির, দিনাজপুর-৪ হাফিজুর রহমান সরকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া, কুমিল্লা-৫ মো. শাহী আলম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ মুশফিকুর রহমান, বান্দরবান-৩ মো. বকুল হোসেন ও কুড়িগ্রাম-৪ মো. আবিদ আলভী।

 



মন্তব্য