kalerkantho


হাসপাতাল থেকে আদালত হয়ে জেলে খালেদা জিয়া

বিএনপির অভিযোগ, মেডিক্যাল বোর্ড ছাড়পত্র দেয়নি
‘আমি আসামি হলাম, উনি হলেন না কেন?’

নিজস্ব ও আদালত প্রতিবেদক   

৯ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



হাসপাতাল থেকে আদালত হয়ে জেলে খালেদা জিয়া

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতাল থেকে ৩৩ দিন পর পুরান ঢাকায় পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে। গতকাল বৃহস্পতিবার তাঁকে নাইকো দুর্নীতি মামলায় আদালতে হাজির করানোর পর কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

বিএসএমএমইউ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহ আল হারুন সাংবাদিকদের বলেন, ‘মেডিক্যাল বোর্ডের মাধ্যমে চিকিৎসা শেষে খালেদা জিয়াকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। বর্তমানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার রিপোর্ট ভালো।’ তবে বিএনপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, মেডিক্যাল বোর্ড খালেদা জিয়াকে ছাড়পত্র দেয়নি। তাঁকে জোর করে হাসপাতাল থেকে কারাগারে নেওয়া হয়েছে। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘মেডিক্যাল বোর্ড খালেদা জিয়াকে ছাড়পত্র দেয়নি, বরং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিজেরা ছাড়পত্র লিখে নিয়েছে।’ গতকাল দুপুরে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দীন রোডে পুরনো কারাগারের সামনে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

এদিকে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা শেষ না করেই কারাগারে নেওয়ার অভিযোগসংবলিত একটি আবেদন হাইকোর্টে দিয়েছেন খালেদার আইনজীবীরা। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকে বলেছে, খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেওয়ার ঘটনায় আদালত অবমাননা হয়েছে।

বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনও দাবি করেছেন, সুস্থ না করে মেডিক্যাল বোর্ডের প্রধানের অনুমোদন ছাড়াই খালেদা জিয়াকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। গতকাল দুপুরে সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ের মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন তিনি।

এদিকে নাইকো দুর্নীতি মামলার শুনানির একপর্যায়ে খালেদা জিয়া আদালতে বলেন, ‘নাইকো দুর্নীতি মামলায় আমি কেন আসামি হলাম, উনি (শেখ হাসিনা) কেন আসামি হলেন না? উনাকে আদালতে হাজির করা হোক।’ জবাবে আদালত বলেন, ‘এ মামলায় শেখ হাসিনা আসামি নন। তাঁর কথা বলবেন না।’

গতকাল ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এ নাইকো দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ গঠনের দিন ধার্য ছিল। খালেদা জিয়াকে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত বিশেষ আদালতে সকাল ১১টা ৩৭ মিনিটে হাজির করা হয়। এ মামলার আসামি ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ মামলা থেকে অব্যাহতির যে আবেদন করেছিলেন তার ওপর শুনানি চলছিল। মওদুদ আহমদের শুনানির একপর্যায়ে খালেদা জিয়া বক্তব্য দেন।

মওদুদ আহমদ চার্জ শুনানির জন্য সময়ের আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন। পরে মওদুদ নিজে তাঁর পক্ষে শুনানি করেন। তিনি শুনানির একপর্যায়ে বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাইকোর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী মানে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।’ ওই সময় বিচারক মাহমুদুল কবীর বলেন, ‘এ মামলায় শেখ হাসিনা আসামি নন। তাঁর কথা বলবেন না।’ তখন খালেদা জিয়া বলেন, ‘শেখ হাসিনাও নাইকো মামলার আসামি ছিলেন। তিনি এখন আসামি নন। আমি কেন আসামি হলাম? তাঁকেও আদালতে হাজির করা উচিত।’ এ পর্যায়ে আদালত বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ মামলার আসামি নন। কাজেই তাঁকে এখানে হাজির করানোর প্রশ্ন ওঠে না।’ খালেদা জিয়া বলেন, ‘শেখ হাসিনা যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন (৯৬-২০০১) তখন তিনি নাইকোর সঙ্গে চুক্তি অনুমোদন করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা অনুমোদন দিয়েছিলাম। কাজেই তিনিও আসামি হবেন।’ খালেদা জিয়া আরো বলেন, ‘আমি অসুস্থ। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলাম। তার পরও আমাকে আদালতে হাজির করা হয়েছে।’

শুনানি শেষে আদালত ১৪ নভেম্বর আবারও শুনানির দিন ধার্য করে খালেদা জিয়াকেও আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেন।

এর আগে সকাল সোয়া ১১টার দিকে বিএসএমএমইউ হাসপাতালের প্রিজন সেল থেকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে নাজিমুদ্দীন রোডে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের পরিত্যক্ত ভবনে স্থাপিত বিশেষ আদালতের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়। ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়। শুনানি চলে দুপুর সোয়া ১টা পর্যন্ত।

দুপুর ১২টার দিকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিএসএমএমইউ হাসপাতালের পরিচালক। তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া আমাদের এখানে এক মাস চিকিৎসা নিয়েছেন। আমরা তাঁর শারীরিক সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। তাঁকে আবার আগের আবাসে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।’

এ বিষয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাহবুব উল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর তাঁকে (খালেদা) কারাগারে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এখন থেকে তিনি কারাগারেই থাকবেন।’

খালেদা জিয়াকে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য গত ৬ অক্টোবর পুরনো কারাগার থেকে নেওয়া হয়েছিল বিএসএমএমইউ হাসপাতালে। সেখানে পাঁচ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড তাঁর চিকিৎসা করছিল।

ফখরুলের দাবি, খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ : কারাগারের সামনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে আমরা দেখেছি। তিনি অত্যন্ত অসুস্থ। তিনি হুইলচেয়ারেও ঠিকমতো বসতে পারছেন না। তাঁকে হুইলচেয়ারে নিয়ে আসা হয়েছে। এর মধ্যেও তাঁকে জোর করে আদালতে বসিয়ে রেখে কষ্ট দেওয়া হচ্ছে। এটি খুবই অমানবিক। আমরা এটির নিন্দা করছি এবং অবিলম্বে তাঁর মুক্তি দাবি করছি।’

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘খালেদা জিয়ার যাঁরা চিকিৎসা করছেন তাঁরা বলবেন, তিনি সুস্থ কি সুস্থ না। তাঁরা বলেছেন, তিনি এখনো চিকিৎসাধীন। তাঁকে এখনই হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া সঠিক নয়।’

পরে বিএনপি চেয়ারপারসনের আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, ‘গাড়ি থেকে নামাতে তাঁকে (খালেদা জিয়াকে) অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। উনাকে নামাতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লোকজনকে হিমশিম খেতে হয়েছে। কাশতে কাশতে তিনি আদালতে গিয়েছেন।’

মামলার শুনানি শেষে সানাউল্লাহ মিয়া আদালতকে জানান, বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে দলের মহাসচিব আদালতের ভেতর আধাঘণ্টা মামলার বিষয়ে কথা বলতে চান। সে জন্য সময় প্রার্থনা করেন সানাউল্লাহ মিয়া। কিন্তু বিচারক তা মঞ্জুর করেননি।

ডা. জাহিদের অভিযোগ : ড্যাবের মহাসচিব ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ‘খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের প্রধান অধ্যাপক জলিলুর রহমান চৌধুরী এ মুহূর্তে দেশের বাইরে। বোর্ডের আরেক সদস্য ডা. বদরুন্নেসাও দেশের বাইরে। অধ্যাপক সৈয়দ আতিকুল হক চৌধুরী, যাঁর অধীনে খালেদা জিয়া ভর্তি, তিনি গতকালই বিদেশ থেকে ফিরেছেন। তাঁর সঙ্গে কোনো পরামর্শ না করেই উনার ডিপার্টমেন্টের অধীন ভর্তি থাকা অবস্থায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও সরকার এবং তার বিভিন্ন এজেন্সি সুনির্দিষ্টভাবে সরকারের ইচ্ছায় কারা কর্তৃপক্ষ আজকে বেগম জিয়াকে বিএসএমএমইউ থেকে নিয়ে গেছে।’

ডা. জাহিদ বলেন, ‘এই বোর্ডের চিকিৎসকদের ভাষ্য, উনার ব্যথা আগের থেকে বেড়েছে। আর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, উনার অবস্থা স্থিতিশীল। যেসব মেশিনারি দিয়ে উনাকে ফিজিওথেরাপি দেওয়া হতো, সেটা একটা সুপারভাইসড স্পেশালাইসড সেন্টারে দেওয়া হতো, তা কিভাবে কারাগারে দেওয়া হবে, আমাদের বোধগম্য নয়।’ তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে সকাল ১১টা ২৬ মিনিটে গাড়িতে তুলে হাসপাতাল থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দুপুর ১টা ৫ মিনিটে সৈয়দ আতিকুল হক যখন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাস ডি ব্লকে নিচ্ছেন, সেই সময়ে উনাকে রুম থেকে বের করে হাসপাতালের পরিচালক মহোদয় একটি কাগজ ধরিয়ে দিয়ে বলেছেন, এটার মধ্যে সই করে দেন এবং উনি দুপুর ১টা ৫ মিনিটে সই করেছেন। আমরা জানি হাসপাতালে রোগী ভর্তি হয়, ডিসচার্জ সার্টিফিকেট লেখা হয়। তার পরে রোগী যায়। এখানে পুরোটাই উল্টো। রোগীকে সকাল ১১টা ২৫ মিনিটে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তড়িঘড়ি করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একটি কাগজ লিখেছে, যেটির মধ্যে রোগীর চিকিৎসক সৈয়দ আতিকুল হকসহ যেসব চিকিৎসক সম্পৃক্ত ছিলেন সেই সব চিকিৎসক উনার মেডিক্যাল সার্টিফিকেট অথবা ডিসচার্জ সামারি অথবা কেইস সামারি কিছুই তৈরি করেননি।’

ডা. জাহিদ বলেন, “যখন পরিচালক মহোদয় সৈয়দ আতিকুল হককে বলেছেন আপনি এটাতে সই করে দেন তখন তিনি বলেছেন, ‘আমি তো রোগীকে ছুটিই দিইনি, রোগী গেল কখন?’ তখন পরিচালক মহোদয় বলেছেন, ‘রোগীকে অনেক আগেই নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এখন আপনি সই করে দেন।’ তখন আতিকুল হক বলেছেন, ‘আমার রোগী তো ছুটির মতো হয়নি।’ গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা সৈয়দ আতিকুল হকের সঙ্গে কথা বলে দেখতে পারেন এবং যোগাযোগ করলে আমার কথার যথার্থতা আপনারা বের করতে পারবেন। অধ্যাপক জলিলুর রহমান চৌধুরী ও ডা. বদরুন্নেসা কোথায় আপনারা খোঁজ নিলে জানতে পারবেন।”

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম, অধ্যাপক আবদুল মান্নান মিয়া, অধ্যাপক আবদুল কুদ্দুস, অধ্যাপক সিরাজউদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক আমিনুল হক প্রমুখ।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সংবাদ সম্মেলন : খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেওয়ার পর সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে। এতে সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করার জন্য গত ৬ নভেম্বর আমরা আবেদন করেছিলাম। আবেদন গ্রহণ করা হয়নি। অথচ আজ সকালে আধাঘণ্টার নোটিশে তাঁকে কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।’ তিনি বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশের পর খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তাই তাঁকে কারাগারে ফেরত পাঠানোয় বিচার বিভাগের আদেশ অবজ্ঞা করা হয়েছে বলে তিনি মত দেন। তিনি আরো বলেন, ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংলাপ শেষে বলা হয়েছে, তফসিল হলেও আলোচনা চলবে। খালেদা জিয়ার চিকিৎসা না করিয়ে সরকার তাঁকে কারাগারে পাঠানোয় আর কি আলোচনা হবে?’ তিনি খালেদা জিয়াকে আবার হাসপাতালে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘তাঁর চিকিৎসার জন্য গঠিত বোর্ড না বলা পর্যন্ত তাঁকে হাসপাতালে রাখা হোক। সরকার এ আদেশ অবজ্ঞা করে খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠিয়েছে।’

হাইকোর্টে আবেদন : এদিকে গতকাল দুপুরে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে যান খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। তাঁরা আদালতকে বলেন, এ আদালতের নির্দেশেই খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে হাসপাতালে স্থান্নান্তর করা হয়। কিন্তু আদালতকে না জানিয়েই এবং তাঁর চিকিৎসা সম্পন্ন না করেই তাঁকে কারাগারে নেওয়া হয়েছে। ওই সময় আদালত আইনজীবীদের লিখিত আবেদন দিতে পরামর্শ দেন। বিকেলে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন দাখিল করা হয় বলে সাংবাদিকদের জানান খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫। এরপর খালেদা জিয়াকে নাজিমুদ্দীন রোডে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়।  

এর মধ্যেই গত ৩০ অক্টোবর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর এক দিন আগে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ড দেন পুরনো কারাগার চত্বরে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালত।



মন্তব্য