kalerkantho


পাংশা উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বহু অভিযোগ

চার বছরে সম্পদ বেড়েছে ১৭ গুণ

► সরকারি সম্পদ, সংখ্যালঘুদের জমি দখল
► সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে টেন্ডারের কাজ দখল

লায়েকুজ্জামান   

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



চার বছরে সম্পদ বেড়েছে ১৭ গুণ

ফরিদ হাসান ওদুদ মণ্ডল

নিয়মবহির্ভূতভাবে সরকারি সম্পত্তিতে বিপণিবিতান নির্মাণের উদ্যোগ নিয়ে আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে দোকান বণ্টন, সরকারি তহবিল ব্যবহারে অনিয়ম ও লুটপাট, সংখ্যালঘুসহ নিরীহ মানুষের ভূসম্পদ দখল—এসবের মাধ্যমে মাত্র চার বছরে ১৭ গুণ সম্পদ বৃদ্ধির অভিযোগ উঠেছে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা ফরিদ হাসান ওদুদ মণ্ডলের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান। টেন্ডার দখল বাণিজ্যের  কারণে তাঁর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাও নোটিশ দিয়েছে পাংশা উপজেলা আওয়ামী লীগ।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাসান আলী বিশ্বাস কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘তাঁর দখল বাণিজ্যসহ কুকর্মে আমরা অতিষ্ঠ হয়ে কারণ দর্শাও নোটিশ দিয়েছি।’

গত জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত পরিষদের মাসিক সভায় চেয়ারম্যানের অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ ও পরিষদের তিন একর জায়গায় নিয়মবহির্ভূতভাবে বিপণিবিতান নির্মাণের উদ্যোগ নিয়ে তিন শতাধিক দোকানঘর ইজারা দিয়ে প্রায় ৩০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়টি সভায় উত্থাপন করেন ভাইস চেয়ারম্যান মোস্তফা মাহমুদ। পরিষদের ১০ সদস্যের মধ্যে আটজনই ভাইস চেয়ারম্যানের উত্থাপিত বিষয়কে সমর্থন জানান। দেখা যায়, উপজেলা চেয়ারম্যান তাঁর আপন ভাইসহ নিকটাত্মীয় এবং পরিষদে চাকরিরত লোকদের দোকানঘর বরাদ্দ দিয়েছেন। বরাদ্দ তালিকার ৩ নম্বর ক্রমিকে দেখা যায়, ৯৪ নম্বর দোকান বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে চেয়ারম্যানের আপন ভাই সিদ্দিকুর রহমানের নামে। এ ক্ষেত্রে ১৯৯৮ সালের উপজেলা পরিষদের ২৪ নম্বর আইনের ৫ ধারায় বলা হয়েছে, পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নিকটাত্মীয়দের কাছে উপজেলা পরিষদের সম্পত্তি হস্তান্তর করা যাবে না।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম পরে এই বিপণিবিতানের নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন। উপজেলা পরিষদ ২৪ নম্বর আইনের ৪ (১) ধারায় বলা আছে, সরকারের পূর্ব অনুমোদন ব্যতিরেকে পরিষদের কোনো সম্পত্তি হস্থান্তর করা যাবে না। আইনের ৪(২) ধারায় বলা হয়েছে, পরিষদের স্বার্থে সম্পত্তি হস্তান্তরের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে পরিষদের সভায় সদস্যগণের তিন-চতুর্থাংশের ভোটে প্রস্তাব গ্রহণপূর্বক তা সরকারের অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করতে হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘উপজেলা চেয়ারম্যান পরিষদের সম্পত্তি হস্তান্তরে সরকারি কোনো বিধিবিধান না মানার কারণে বিপণিবিতান নির্মাণ বন্ধ করে দিয়েছি।’ 

পরিষদ সদস্য, বাহাদুরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির শাকিল কালের কণ্ঠকে বলেন, পরিষদের জায়গায় বিপণিবিতান নির্মাণ করে তা হস্তান্তর করার বিষয়ে পরিষদের সভায় আলোচনা হয়নি, সরকারের অনুমোদনও নেওয়া হয়নি, চেয়ারম্যান তাঁর একক ক্ষমতাবলে কাজটা করছিলেন। একই কথা বলেছেন, পরিষদ সদস্য মৌরাট ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুল্লাহ প্রামাণিক, পাট্টা ইউপি চেয়ারম্যান আবদুর রহমান বিশ্বাস, হাবাসপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল আলীম, কলিমহর ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল জলিল মণ্ডল এবং মাছপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান খন্দকার সাইফুল ইসলাম।

দোকান বরাদ্দ দেওয়ার নামে নেওয়া প্রায় ৩০ কোটি টাকাও সরকারি কোষাগারে জমা দেননি চেয়ারম্যান ওদুদ মণ্ডল। অন্যদিকে নির্মাণকাজ বন্ধ থাকায় দোকানের মালিকানাও পাচ্ছেন না অর্থ প্রদানকারীরা। চেয়ারম্যানের লোকজনের ভয়ে টাকা ফেরত চাইতেও সাহস পাচ্ছেন না অনেকে।

জানা গেছে, পাংশা পৌরসভা এলাকায় ২০১৬ সালের অক্টোবর মাস থেকে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত সময়ে তিনি বিপুল পরিমাণ ভূসম্পদ ক্রয় করেছেন নিজের ও স্ত্রীর নামে। নিজে নির্মাণ করেছেন একাধিক ভবন। একই সঙ্গে চার ভাইয়ের জন্যও নির্মাণ করেছেন আধুনিক চারটি বাড়ি। পাংশা পৌর এলাকার নারায়ণপুর মৌজায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি ক্রয় করেছেন ২১.৯০ শতাংশ জমি। গত ২১ জানুয়ারি পৌরসভার নারায়ণপুর মৌজায় ক্রয় করেছেন ১৯.৬৯ শতাংশ জমি। গত ৪ জুলাই ক্রয় করেছেন ১১.৬৫ শতাংশ জমি। ২০১৬ সালের ১৯ সেপ্টম্বর নারায়ণপুর মৌজার আনিসুল হক খানের কাছ থেকে ক্রয় করেছেন ২৯ শতাংশ জমি।

পৌরসভা এলাকার ভূমির মূল্য সম্পর্কে জানতে চাইলে পাংশা পৌরসভার মেয়র মাসুদ বিশ্বাস কালের কণ্ঠকে বলেন, সরকার নির্ধারিত মূল্য যা-ই হোক, বাস্তবে বাণিজ্যিক ব্যবসা কেন্দ্র পাংশা পৌরসভার নারায়ণপুর মৌজায় ১ শতক জমি ক্রয়-বিক্রয় হয় ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকা মূল্যে। ওদুদ মণ্ডলের নিজ নামে ক্রয়কৃত ভূসম্পদের নিম্ন মূল্য ২০ লাখ টাকা ধরলেও মোট মূল্য দাঁড়ায় ১৬ কোটি টাকা।

ওদুদ মণ্ডল এ ছাড়া পৌরসভার গুধিবাড়ী মৌজায় স্ত্রীর নামে কিনেছেন ১৯ শতাংশ জায়গাসহ একটি একতলা ভবন। নারায়ণপুর মৌজার ১৩৪ নম্বর দাগে এক একর জায়গার ওপর একটি দোতলা ভবন নির্মাণ করেছেন। এখানে তিনি উইলিয়াম শেকসপিয়ার নামে একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল করেছেন। ভবনটি নিজের অর্থে করলেও জায়গাটি দখল করা। রেলওয়ের জায়গা দখল করে বড় আকারের একটি কমিউনিটি হলও নির্মাণ করেছেন তিনি। এলাকাবাসীর মতে, স্ত্রীর নামে বাড়িসহ জমি কেনা এবং তিনতলা ভবন ও কমিউনিটি হল নির্মাণে তাঁর আরো প্রায় ১০ কোটি টাকার প্রয়োজন হয়েছে। সে হিসাবে তাঁর সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ২৬ কোটি টাকায়, যা তাঁর হলফনামার চেয়ে ১৭ গুণ বেশি। এ সম্পদ তিনি অর্জন করেছেন উপজেলা চেয়ারম্যান হওয়ার পর গত চার বছরে।

দখল বাণিজ্য 

কালীমন্দিরের জায়গা, রেলওয়ের ভূসম্পদসহ সাধারণ নিরীহ মানুষের জায়গাজমি দখল করে এরই মধ্যে এলাকায় ভূমি দস্যু হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন ওদুদ মণ্ডল। তাঁর বিরুদ্ধে একটি সংখ্যালঘু পরিবারকেও পাংশা থেকে উচ্ছেদ করার অভিযোগ রয়েছে। পরিবারটি অন্য একটি শহরে আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। পরিবারের সদস্য দীপংকর সরকার সেন্টু কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নারায়ণপুর মৌজায় ৮০ শতাংশ খাস জায়গা জেলা প্রশাসক বসবাসের জন্য লিজ দিয়েছিল আমার বড় ভাই নাট্যকর কাশি দাস সরকারের নামে। আমাদের এই জায়গা রেলওয়ের প্রয়োজনে হুকুম দখল করা হয়েছিল। রেলওয়ে এ জমি ব্যবহার না করায় বড় ভাইয়ের নামে লিজ দেয়। হঠাৎ করে ওদুদ মণ্ডল তাঁর সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আমাদের জমি থেকে উচ্ছেদ করে এবং পাংশা থেকে তাড়িয়ে দেয়। আমরা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছিলাম। কোনো লাভ হয়নি। আমরা মামলায় নিম্ন আদালতে রায় পেয়েছি, এখন জমিতে যাওয়া তো দূরের কথা, রাজবাড়ী জজকোর্টেও যেতে পারি না ওদুদ মণ্ডলের সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে।’ তিনি বলেন, ‘ভিটামাটি থেকে উচ্ছেদের পরে মনের যন্ত্রণায় আমার বড় ভাই কাশিনাথ মারা যান। আমরা এখন একটি শহরে থাকি আত্মগোপন করে।’

পাংশা বণিক সমিতির সদস্য আবদুর রাজ্জাক রাজা কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘পৌরসভা এলাকার কালীবাড়ি মোড়ের পেছনে আমার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ছিল। উপজেলা চেয়ারম্যান ওদুদ মণ্ডল তাঁর সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে তা দখল করে নেয়। এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে ওদুদ মণ্ডল আমার পিতাকে জনসমক্ষে লাঞ্ছিত করেন। আমার পিতা পৌরসভার তিনবারের কাউন্সিলর ছিলেন।’

পাংশা উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জালালউদ্দিন বিশ্বাস কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘পাংশা রেলওয়ে স্টেশন বাজারে আমার একটি দোকান আছে। চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকেই ওদুদ মণ্ডল সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে বারবার দোকানটি দখলের চেষ্টা করছেন। জীবনের ভয়ে আমি ঠিকমতো দোকানে বসতে পারি না।’

ব্যবসায়ী আব্দুল জলিল বিশ্বাসের নারায়ণপুর মৌজার ১৩৪ নাম্বার দাগে প্রায় এক একর জমি দখল করে দুই তলাবিশিষ্ট একটি ভবন তৈরি করে সেখানে একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের সাইনবোর্ড টানানো হয়েছে। এ ছাড়া রেলওয়ের জায়গা দখল করে একটি দ্বিতল কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ করেছেন ওদুদ মণ্ডল। পৌর এলাকায় চন্দনা নদীর তীরে পাউবো এবং হিন্দু সমপ্রদায়ের কালীমন্দিরের জায়গা দখল করে তৈরি করেছেন নিজের ব্যাবসায়িক অফিস। পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্র মাগুরাডাঙ্গি এলাকায় আওয়ামী লীগের সহসভাপতি চিত্তরঞ্জন কুণ্ডুর পৈতৃক তিন একর জমি পানির দরে ওদুদ মণ্ডলকে না দেওয়ায় তাঁর ওপর হামলা করা হয়। তাঁদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বোমা হামলা চালানোর পর ভয়ে তাঁরা ৬০ কোটি টাকার সম্পত্তি দুই কোটি টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হন। সে সময়ে ওদুদ মণ্ডলের ছোট ভাই ইদ্রিস মণ্ডলের নামে বোমা হামলার মামলাও হয়েছিল। তবে এ সংখ্যালঘু পরিবারটিকে উদ্ধার করতে কেউ এগিয়ে আসেনি।

২০১৬ সালে পাংশা উপজেলা প্রশাসনিক ভবন ও হলরুম নির্মাণ বাবদ পাঁচ কোটি ৪২ হাজার ৬৮ টাকার কাজ পায় ঢাকার কিংডম বিল্ডার্স লিমিটেড। ওদুদ মণ্ডল তাঁর বাহিনী দিয়ে নির্মাণকাজের সরঞ্জামাদিসহ অন্যান্য মালপত্র লুট করায় এবং তাদের দুই প্রকৌশলীকে পাশের কৃষি ফার্মে নিয়ে কুপিয়ে আহত করে। এ বিষয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি এবং পরবর্তী সময়ে তা মামলা হিসেবে গণ্য হয়। তাঁর ভয়ে উপজেলা প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম থানায় একটি জিডি করেন। কিংডম বিল্ডার্স শেষমেশ ওদুদ মণ্ডলের কাছে কাজটি ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।

পাউবোর চন্দনা নদী খনন প্রকল্পের ৮৫ কোটি টাকার কাজ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার মেসার্স মেহেরুন আলম নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পায়। কিন্তু ওদুদ মণ্ডল তাঁর বাহিনী দিয়ে তাদেরকে কাজ করতে বাধা দেয়। এ প্রতিষ্ঠানও কাজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। পরে কাজটি করেন ওদুদ মণ্ডলের ভাই ইদ্রিস মণ্ডল।

পাংশা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোস্তফা মাহমুদ হেনা মুন্সী বলেন, এডিবি বরাদ্দ, অতি দরিদ্রদের কর্মসংস্থান প্রকল্প; মসজিদ, মন্দিরের সপক্ষে বরাদ্দ, কাবিখা, ক্রীড়াসামগ্রী ক্রয়, অপ্রত্যাশিত খাতের অর্থ এগুলোর কোনো কিছু ব্যয়ের ক্ষেত্রে চেয়ারম্যান পরিষদের কোনো সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন না। এসব খাত থেকে চেয়ারম্যান নানা ভুয়া প্রকল্প ও সাধারণ মানুষের ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার ও ভাইদের নামে ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে প্রায় পাঁচ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তিনি বলেন, পরিষদ অফিসে এসি সংযোজনের বিষয়ে সরকারের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও চেয়ারম্যান এসি সংযোজন করে রাজস্ব খাত থেকে তার বিল পরিশোধ করছেন।

এত সব অভিযোগের বিষয়ে পাংশা উপজেলা চেয়ারম্যান ওদুদ মণ্ডল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিপণিবিতান নির্মাণে মৌখিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এখন তো মার্কেট নির্মাণ বন্ধ আছে; এ নিয়ে কী কথা থাকতে পারে।’ হলফনামার চেয়ে চার বছরে ১৭ গুণ সম্পদ বৃদ্ধির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমার ব্যবসা আছে, তা থেকে আয় হয়েছে।’ জায়গাজমি দখলের অভিযোগ সম্পর্কে বলেন, ‘এগুলো মিথ্যা অভিযোগ। রেলওয়ের জায়গা লিজ নিয়েছি। আগে যারা ছিল, রেলওয়ে তাদের লিজ বাতিল করেছে। আমি কারো জায়গা দখল করিনি।’ 

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উপজেলা পরিষদ) অমিতাভ সরকার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সম্পত্তি হস্তান্তর করতে হলে পূর্বানুমতি নিতে হবে, উপজেলা পরিষদের সভার সিদ্ধান্ত লাগবে। এগুলোর কিছুই করা হয়নি, অবশ্যই আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’ 

 



মন্তব্য